Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৩০ জুন ২০২৬
Miscreants allegedly burn mango tree in Hooghly

রাতের অন্ধকারে পুড়ল কয়েকশো আমগাছ, জমি দখলের চেষ্টায় আগুন? উঠছে প্রশ্ন

বাগান মালিকের সন্দেহের তির এক শিল্পগোষ্ঠীর দিকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৭, ২০২৩, ১১:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৭, ২০২৩, ১১:৪৬

options
link
রাতের অন্ধকারে পুড়ল কয়েকশো আমগাছ, জমি দখলের চেষ্টায় আগুন? উঠছে প্রশ্ন zoom

দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: রাতের অন্ধকারে কয়েকশো আমগাছ পুড়িয়ে দিল দুষ্কৃতীরা। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা হুগলির ভদ্রেশ্বর থানার দিল্লি রোডের কাছে গরজি মৌজায়। গোটা আমবাগান চত্বরজুড়ে শুধু আমের পোড়া গন্ধ বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে। বাগান মালিকের সন্দেহের তির এক শিল্পগোষ্ঠীর দিকে। প্রায় পাঁচ বিঘা জমিতে সাড়ে চারশো আমগাছের মধ্যে কোনওমতে দেড়শো আমগাছ বেঁচে থাকলেও কতদিন বাঁচিয়ে রাখতে পারবেন তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে বাগান মালিকের।

বাগান মালিক সরোজ হালদার জানান, আম বাগানটিতে তারা বাইরে থেকে উন্নত প্রজাতির আম গাছের চারা এনে তাকে বড় করে তুলেছিলেন। তিনি বছরের অধিকাংশ সময় জলপাইগুড়িতে থাকেন। তাই তাঁর দাদাই বাগান দেখাশোনা করতেন। শুক্রবার তিনি কলকাতায় আসেন। সেদিনই তিনি বিকেলে দাদার কাছ থেকে জানতে পারেন কে বা কারা তাদের ফলন-সহ প্রায় তিনশো আমগাছ পুড়িয়ে দিয়েছে। এলাকার অন্যান্য চাষিরাও এভাবে আম গাছ কেউ পুড়িয়ে দিতে পারে তা কল্পনাও করতে পারেননি। গোটা বাগান জুড়ে শ্মশানের নিস্তব্ধতা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘দিদি-ভাইপো খাবে, আমরা খাব না, তা হবে না’, DA মঞ্চে বিস্ফোরক সোনালি গুহ]

বাগানে আম্রপালি ও সুরের দোফলা এই দুই প্রজাতির আম গাছই বেশি। তবে তার মাঝে দু-একটি বিদেশি প্রজাতির আমগাছ ছিল। সুরের দোফলা আমগাছের বিশেষত্ব ছিল বছরে দু’বার ফলন হয়। সেখানে এ বছর প্রতিটি গাছে এতটাই ভাল ফলন হয়েছিল যে আমের ভারে গাছের ডাল মাটিতে নুয়ে পড়েছিল। সেখানে একসঙ্গে ৩০০টি আম গাছ পুড়ে যাওয়ার পিছনে এলাকার মানুষ অন্য কোন চক্রান্তের গন্ধ পাচ্ছেন। অনুমান করা হচ্ছে, রাতের অন্ধকারে দাহ্য পদার্থ দিয়ে মাটিতে যে ঘাস জাতীয় পদার্থ থাকে তাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আর সেই আগুনের তাপেই তিনশো গাছ আম সহ পুড়ে যায়।

Mango Tree

সরোজবাবু জানান, এলাকার মানুষের সঙ্গে তাদের যথেষ্ট সুসম্পর্ক রয়েছে। কারোর সঙ্গে কোনও শত্রুতা নেই। তাঁর অভিযোগ, একটি শিল্পগোষ্ঠীর নজর পড়েছে তাদের এই আম বাগানের জমিটার উপর। তাদের এই বাগানটা দখলদারির চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, এই বাগান পোড়ানোর পিছনে কাদের হাত রয়েছে তা প্রশাসন খুঁজে বের করে দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। অন্যদিকে, স্থানীয়রা দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন। শুধু তাই নয় এই ঘটনা যে এলাকার স্থানীয় আমচাষিদের সঙ্গেও ঘটবে না তার কোন নিশ্চয়তা নেই। পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক আমগাছ পুড়িয়ে দেওয়ায় প্রকৃতির ভারসাম্যের ব্যাপক ক্ষতির পাশাপাশি আগামী দিনে দূষণের মাত্রাও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছে এলাকার মানুষ।

[আরও পড়ুন: ৩৫-এর পালটা ৪০, মুর্শিদাবাদ থেকে লোকসভার টার্গেট বেঁধে দিলেন অভিষেক]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.