সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: ছাব্বিশের ভোটে হারলে বিজেপির অস্তিত্ব শেষ! পুরুলিয়ার প্রকাশ্য সমাবেশেই তা স্বীকার করে নিলেন বিজেপি নেতা তথা অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার পুরুলিয়া শহরের ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে দলের বর্ষীয়ান নেতা রাহুল সিনহাকে নিয়ে পরিবর্তন সভার আয়োজন করেছিল পুরুলিয়া জেলা বিজেপি। সেখানে ছিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক তথা পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। তাঁদের সামনেই মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী নিজের উপলব্ধির কথা বললেন ‘খুল্লমখুল্লা’। তাঁর কথায়, “প্রত্যেক জায়গায় কেন আমি যাচ্ছি, জানেন? যতগুলো জেলা আছে, আমি সব জায়গায় যাব। ফাইভ স্টার হোটেলে থাকতে পারতাম। কিন্তু আমি তো ঘুরে বেড়াচ্ছি। কারণ একটাই। ২০২৬-র ভোটে আমাদের জিততেই হবে। যেভাবেই হোক জিততে হবে।২০২৬-এ হেরে গেলে আমাদের অস্তিত্ব শেষ হয়ে যাবে।”
পুরুলিয়া শহরে বিজেপির পরিবর্তন সভার ওই মঞ্চ থেকে ‘মহাগুরু’র আর্জি, এই হার যাতে না হয় তাই সকলকে এক ছাতার নিচে দাঁড়িয়ে লড়াই করতে হবে। যেখানে যার মনের মিল নেই, দ্রুত হাতে হাত মিলিয়ে, গলা মিলিয়ে এক হয়ে যেতে হবে। অন্তত ভোট পর্যন্ত এক হতে হবে। তাঁর কথায়, “আমরা জিতলে, আপনাদের জিত। আপনারা জিতলে, আমাদের জিত।” এমনকি তিনি জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যও বলেন, ”হাতজোড় করে বলছি, মনোমালিন্য মিটিয়ে ভোট পর্যন্ত এক থাকুন।” এদিন মাথায় কালো টুপি, চোখে কালো চশমা, সাদা শার্ট, গলায় ঘি রঙের উত্তরীয় জড়িয়ে তিনি সভা করেন।
সম্প্রতি উত্তরবঙ্গে ‘দল চাইলে মুখ্যমন্ত্রী হবো’ এই কথায় যেমন জল্পনা বাড়িয়েছিলেন। এদিনও ঠিক তাই। ছাব্বিশে হেরে গেলে বিজেপির অস্তিত্ব শেষ। মিঠুনের এই কথা নিয়ে বঙ্গ বিজেপিতে শোরগোল পড়ে যায়। এদিন বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা রাহুল সিনহা বলেন, “তৃণমূল বিএলও-দের ভয় দেখিয়ে তাঁদের মতো করে কাজ করাচ্ছে। আমরা নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাব।”
সর্বশেষ খবর
-
দিল্লিতে ফের বিক্ষোভে ‘ককরোচ’, ধর্মেন্দ্রর ইস্তফার দাবিতে অনড়, শাহের পুলিশের সঙ্গে ‘সংঘাতে’ অভিজিৎ
-
হাওড়ার ‘জলছবি’ বদলাতে বড় পদক্ষেপ বিজেপি সরকারের, ময়দানে নামলেন খোদ মন্ত্রী-বিধায়ক
-
গ্রন্থাগার মন্ত্রীকে নিয়ে তৃণমূলের মিথ্যাচার! চেয়ার বিতর্কে কী বললেন গৌরীশংকর
-
বাড়িতে ওয়াই-ফাই লাগিয়েও স্পিড নেই? এই উপায়ে রকেটের গতিতে ছুটবে ইন্টারনেট
-
‘বঙ্গেই প্রথম বন্দে মাতরম ধ্বনি…’, পশ্চিমবঙ্গ দিবসে শুভেন্দুকে বাংলায় চিঠি মোদির