Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
মুনমুন সেন

মায়ের জন্মদিনে বাড়ি থেকে দূরে, মন্দিরে গিয়ে আবেগে ভাসলেন মুনমুন

মন্দিরে পুজোর পর আসানসোল বাজারে জনসংযোগ করেন মুনমুন৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০১৯, ২০:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০১৯, ২০:১৬

options
link
মায়ের জন্মদিনে বাড়ি থেকে দূরে, মন্দিরে গিয়ে আবেগে ভাসলেন মুনমুন zoom

চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: মায়ের জন্মদিনে প্রথমবার বাড়ির বাইরে  মেয়ে। উপলক্ষ নির্বাচনী প্রচার৷ কিন্তু তা বলে মহানায়িকার জন্মদিনে তো শুধুই কাজ করে কাটানো যায় না৷ তাই ভোটের প্রচারের মধ্যেই মায়ের জন্য আলাদাভাবে পুজো দিলেন আসানসোলে তৃণমূলের তারকা প্রার্থী মুনমুন সেন৷ শনিবার আসানসোলে মায়ের জন্মদিন উপলক্ষ্যে ঘাঘরবুড়ি মন্দিরে পুজো দিলেন সুচিত্রা তনয়া৷

                                  [ আরও পড়ুন:  হ্যাটট্রিক চাই, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ের জন্য যজ্ঞ শ্রীরামপুরের কর্মী-সমর্থকদের]

এদিন ঘাঘরবুড়ি মন্দিরের পুজোর ডালিতে লাল ওড়না, শাড়ি, শাঁখা-পলা, ফুল ও মিষ্টি দিয়ে নিষ্ঠার সঙ্গে দেবীকে উৎসর্গ করেন। পুরোহিতের মন্ত্রে শোনা যায় শাণ্ডিল্য গোত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামের সংকল্পও। এদিন বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি ঘাঘরবুড়ি মন্দির চত্বরে মুনমুন সেনকে নিয়ে পৌঁছে যান। ’শয়ে ’শয়ে সমর্থক তাঁদের প্রার্থীকে স্বাগত জানান। পুজো দেওয়ার পর তিনি বলেন, “মা ঘাঘরবুড়ির কাছে প্রার্থনা করলাম, সবার ভাল হোক। অন্যবার বাড়িতে থাকি এবার আসানসোলে আছি। মায়ের আত্মা হয়তো এটাই চেয়েছিলেন”। আসানসোলের মেয়র তথা মুনমুন সেনের নির্বাচনী প্রচারের মূল দায়িত্বে থাকা জিতেন্দ্র তিওয়ারির কথায়, ‘অন্য প্রার্থী যাঁরা আগে এই মন্দিরে এসেছেন, তাঁরা সকলেই নিজের মঙ্গল কামনায় পুজো করেছেন। কিন্তু মুনমুন সেন তাঁর মায়ের জন্মদিন উপলক্ষ্যে পুজো দিয়ে বিশ্ববাসীর মঙ্গল কামনা করলেন। তাঁর মনস্কামনায় লাখো লাখো তৃণমূল সমর্থকের ভাল হবে৷’

Advertisement

                                 [ আরও পড়ুন:  দেওয়াল দখল নিয়ে উত্তপ্ত নৈহাটি, অর্জুন অনুগামীদের সঙ্গে তৃণমূল সমর্থকদের সংঘর্ষ]

ঘাঘরবুড়ি মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর আসানসোল বাজার এলাকায় চলে যান মুনমুন সেন। সেখানে বক্তব্যের মধ্যে শৈশব ও মা-কে নিয়ে স্মৃতিচারণা করেন।বলেন, ‘বাড়িতে লক্ষ্মী পুজো ও সরস্বতী পুজোয় আলপনা আঁকতাম৷ বাড়িতে পুজোর আয়োজন, ফলকাটা, পুজোর শাড়ি পড়া ও পুজোর দিন আলাদা গয়না পড়া সব নিজেই করতেন মা৷ ওই দিন চার মাসি ও তাঁদের পরিবারও বাড়িতে আসতেন।’ বিসর্জনের দিন ঢাকিদের সঙ্গে নিয়ে পুজোর ভাসানে যাওয়ার কথাও বলেন মুনমুন। আর এসব বলতে বলতেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন আসানসোলের তারকা তৃণমূল প্রার্থী। আসানসোলবাসীকে শোনান মা ও মেয়ের অজানা গল্প৷ তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, বাকি দিনটা কীভাবে পালন করবেন মায়ের জন্মদিন৷ তাতে মুনমুন সেন উত্তর দেন, পুজো হয়ে গেছে, এবার বাকি সময়টা তিনি আাসানসোলবাসীকে দেবেন৷ ভোট চেয়েই দিনটা কাটাবেন। সুচিত্রা সেন নিজের বাড়িতে পুজো করেই জন্মদিনটা পালন করতেন। সেই প্রথাই এখনও চলছে৷ এবারও বাড়ির মন্দিরে পুজো হচ্ছে, তবে সেখানে রয়েছেন মুনমুন সেনের স্বামী ও দুই মেয়ে রিয়া, রাইমা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.