Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Nandigram By Election

নাম জড়ায় নিয়োগ দুর্নীতিতে, নন্দীগ্রামে মমতার বাজি কেন সেই সঞ্চিতা?

সঞ্চিতা নন্দীগ্রামে ঘাসফুল ফোটাতে পারেন কিনা, সেটাই এখন দেখার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬, ১৭:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬, ১৭:১৪

options
link
নাম জড়ায় নিয়োগ দুর্নীতিতে, নন্দীগ্রামে মমতার বাজি কেন সেই সঞ্চিতা? zoom
'কালীঘাট তৃণমূলে'র নন্দীগ্রামের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে
Advertisement

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে (Nandigram By Election) খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোটে লড়ার প্রস্তাব দিয়েছিল ঋত শিবির। তবে সে প্রস্তাবে সাড়া না দিয়ে প্রার্থী ঘোষণা করেছে ‘কালীঘাট তৃণমূল’। নন্দীগ্রামে তাঁর বাজি সঞ্চিতা প্রধান দে। জানা গিয়েছে, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছিল। কেন তাঁকে প্রার্থী হিসাবে বেছে নেওয়া হল, স্বাভাবিকভাবে তা নিয়ে চলছে জোর চর্চা।

পবিত্র করের বুথ এলাকায় বাস করতেন সঞ্চিতা প্রধান দে-র। অর্থাৎ নন্দীগ্রাম বয়াল ২ এলাকায় থাকতেন। যদিও বর্তমানে তিনি তমলুকে থাকেন। বছর চল্লিশের এই সঞ্চিতা বয়াল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছিল তাঁর। জল গড়িয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টেও। পরে যদিও ‘সুপ্রিম’ হস্তক্ষেপে চাকরি ফিরে পান সঞ্চিতা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শিক্ষকতার পাশাপাশি রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা ছিল তাঁর। গত ২০১৮-২৩ সাল পর্যন্ত পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ছিলেন। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, যেহেতু সঞ্চিতা স্থানীয় বাসিন্দা তাই তাঁকে প্রার্থী হিসাবে বেছে নিতে ‘কালীঘাট তৃণমূল’। অবশ্য মমতা শিবিরের কারও তরফে এই বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ছাব্বিশের ভোটে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর-দুটি কেন্দ্রেই জয়ী হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিয়ম মেনে একটি আসন ছাড়তে হতো তাঁকে। নিজের গড় নন্দীগ্রামের আসনটি ছেড়ে দেন শুভেন্দু। ফলে ওই কেন্দ্র বিধায়কশূন্য হয়ে পড়ে। অন্যদিকে, মু্র্শিদাবাদের রেজিনগর ও নওদা- জোড়া কেন্দ্রে জেতেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত অর্থাৎ আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। স্বাভাবিকভাবেই বিধায়ক শূন্য ওই দুই আসন। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে আগামী ৬ অক্টোবর হবে উপনির্বাচন।

উপনির্বাচনে দুই আসনে কাকে প্রার্থী করবে তৃণমূল তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জল্পনা চলছে। কারণ, তৃণমূল এই মুহূর্তে দুভাগে বিভক্ত। একদল যারা মমতাপন্থী অর্থাৎ কালীঘাট তৃণমূল। আরেকদল হল ঋতব্রতপন্থী। তাঁদের দাবি দুই তৃতীয়াংশ বিধায়ক সঙ্গে থাকায় তাঁরাই ‘আসল তৃণমূল’। এই মুহূর্তে দুই তরফের মধ্যে প্রতীক নিয়ে চলছে দড়ি টানাটানি। মনে করা হচ্ছিল, চেনা নন্দীগ্রামে প্রার্থী হতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জিতে আসতে পারলে তা যে কেরিয়ারের জন্যই লাভজনক হত তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মমতা প্রার্থী হলে নন্দীগ্রামে প্রার্থী দেবে না বলেও জানিয়েছিল ঋতপন্থীরা। কিন্তু দেখা গেল, আরও একবার ভোটের ময়দানে নেমে সরাসরি লড়াইয়ের সাহসই দেখাতে পারলেন না কালীঘাট তৃণমূলের নেত্রী। সঞ্চিতা নন্দীগ্রামে ঘাসফুল ফোটাতে পারেন কিনা, সেটাই এখন দেখার।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.