ভারতের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন উদ্বোধনের পর প্রশাসনিক সভা মোদির। মালদহ টাউন স্টেশনে তখন বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ভিড়। জনসভা চত্বরে অনেকে বসে ছিলেন চেয়ারে। কেউবা বসে রয়েছেন মাটিতে। আবার কিছু উৎসুক কর্মী-সমর্থক চড়ে বসেন প্যান্ডেলে। মোদি মঞ্চে আসামাত্রই উত্তেজিত হয়ে পড়েন। ‘মোদি’, ‘মোদি’ স্লোগান দিতে তাঁরা। বিপদের আশঙ্কায় আঁতকে উঠলেন তিনি। ভাষণ থামিয়ে সকলকে নিচে নেমে আসার অনুরোধ করেন। আর সে কথা শুনে ধীরে ধীরে প্যান্ডেল থেকে নিচে নেমে আসেন তাঁরা।
মোদি বলেন, “কারও চোট লাগলে আমার কষ্ট হবে। আমাকে দেখতে না পেলেও আমার কথা শুনতে পারবেন। হৃদকম্পন শুনতে পারবেন। আমার কাছে আপনাদের জীবন অনেক মূল্যবান। দয়া করে নিচে আসুন। তাড়াতাড়ি নামুন, পড়ে যাবেন।” এরপর সভায় বক্তব্য শুরু করেন মোদি। ভিড় দেখে আপ্লুত মোদি বলেন, “আজ এখানে জনসাগর। যত না মণ্ডপে রয়েছেন, তার দ্বিগুণ বাইরে অপেক্ষারত। এই আশীর্বাদে আমি ধন্য। বাংলা আমায় অনেক ভালবাসা দিয়েছে। বাংলার সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য আসল পরিবর্তনের বিশ্বাস দেখছি। মালদহের মাটি, বাংলার স্বর্গ, ভারতের বিকাশ।”
আরও পড়ুন:
কারও চোট লাগলে আমার কষ্ট হবে। আমাকে দেখতে না পেলেও আমার কথা শুনতে পারবেন। হৃদকম্পন শুনতে পারবেন। আমার কাছে আপনাদের জীবন অনেক মূল্যবান। দয়া করে নিচে আসুন। তাড়াতাড়ি নামুন, পড়ে যাবেন।
এদিনের সভামঞ্চ থেকে পরিবর্তনের ডাক দেন তিনি। বলেন, “ওড়িশায় বিজেপি সরকার গড়েছে। ত্রিপুরা, অসম ভরসা রেখেছে বিজেপিতে। বিহার আরও একবার বিজেপি-এনডিএ সরকার গড়েছে। বাংলার চারদিকে বিজেপির সুশাসনের সরকার রয়েছে। এখন বাংলায় সুশাসনের সময় এসেছে। তাই আমি বিহারে জয়ের পর বলেছিলাম, মা গঙ্গার আশীর্বাদে বাংলায় বিকাশের গঙ্গা বইবে। বাংলায় সুশাসন আসবে। আমার সঙ্গে একটা সংকল্প নিন।আমি বলব পালটানো দরকার।” অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও সুর চড়ান তিনি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বেআইনি নির্মাণের আড়ালে কোটি কোটি কালো টাকা সাদা! সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাই কোর্টের
-
ওটিটিতে একসঙ্গে মা-ছেলের অভিষেক! বর্ষপূর্তির আগেই অভিনয়ে পরিণীতির ছেলে নীর
-
শুরু ধর্মঘট, পরপর ৩ দিন বন্ধ ব্যাঙ্ক! পুজোর মুখে ভোগান্তি, জেলায় জেলায় বিক্ষোভ, দীর্ঘ লাইন এটিএমে
-
‘আগে কাটমানি দিতে হত’, বস্ত্র বিপণন সংস্থার আউটলেট উদ্বোধনে শিল্পবান্ধব বাংলা তৈরির বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
-
‘সুপার সুখোই’ থেকে অত্যাধুনিক পন্টসার মিসাইল! আজই মোদি-পুতিন বৈঠকে চূড়ান্ত হবে অস্ত্রচুক্তি?