Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হাইমাদ্রাসা

হাইমাদ্রাসায় প্রথম রাজমিস্ত্রির মেয়ে নসিফা, মেয়ের সাফল্যে অভাব ভুলে মুখে হাসি মা-বাবার

মাধ্যমিকের মতো হাইমাদ্রাসা, আলিম এবং ফাজিলেও জেলার জয়জয়কার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২০, ১৪:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২০, ১৪:১৯

options
link
হাইমাদ্রাসায় প্রথম রাজমিস্ত্রির মেয়ে নসিফা, মেয়ের সাফল্যে অভাব ভুলে মুখে হাসি মা-বাবার zoom
Advertisement

শাহজাদ হোসেন, জঙ্গিপুর: বাবা রাজমিস্ত্রি। আয় খুবই সামান্য। নুন আনতে পান্তা ফুরনোর সংসারে খাবার ঠিক মতো জোটে না। তার উপর পড়াশোনার খরচ সামাল দেওয়া মুশকিল। তবু জেদ কখনও ছাড়েনি মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরের ছোট কালিয়ার বাসিন্দা নসিফা। আর্থিক অনটন সত্ত্বেও শুধুমাত্র জেদ এবং অধ্যাবসায়কে পুঁজি করেই হাইমাদ্রাসা (High Madrasah) পরীক্ষায় রাজ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে সে।

ছোট থেকে পড়াশোনা বড্ড প্রিয় মেয়েটার। বই পেলে যেন আর কিছু চায় না সে। নাওয়া খাওয়া ভুলে মেয়ের পড়াশোনা মন ছুঁত বাবা-মা। এভাবে পড়তে পড়তে হাইমাদ্রাসার পরীক্ষা চলে আসে। শিক্ষকও ছিল না। তা সত্ত্বেও প্রথম হয়ে সকলকে তাক লাগিয়েছে সে। স্থানীয় জঙ্গিপুর মুনিরিয়া হাইমাদ্রাসা থেকে পরীক্ষা দিয়ে রাজ্যে প্রথম হয়েছে কিশোরী। তার প্রাপ্ত নম্বর ৭৭১। ছাত্রী বলে, “খুব কষ্ট করে পড়াশুনা করে আজ এই সাফল্য এসেছে। আমি খুব খুশি। আগামী দিনে বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করতে চাইছি।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘রেশন নিয়ে কেউ আন্দোলন করলে হাত-পা ভেঙে দাও’, ফের বিতর্কিত নিদান অনুব্রতর]

রাজমিস্ত্রি তোয়াব শেখ ও বিড়ি শ্রমিক মা জোসেনূর বিবির মেয়ে নসিফা। এক ভাই ও দুই বোনও রয়েছে তার। ঘরের মেয়ের সাফল্যে বেজায় খুশি পরিজনেরা। মেয়ের রেজাল্ট দেখে খুশিতে চোখে জল বাবা-মায়েরও। উচ্চশিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ কে দেবে মেয়েকে? মেয়ের সাফল্যে উজ্জ্বল মুখ দু’টোকে সেই চিন্তাই যেন তাড়া করে বেড়াচ্ছে।

[আরও পড়ুন: মৃত্যুও আলাদা করতে পারল না ওদের, বন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত পাঁচ শিশু]

এদিকে, বৃহস্পতিবারই প্রকাশিত হয় হাইমাদ্রাসা, আলিম এবং ফাজিলের ফলাফল। গত বছরের তুলনায় তিনটি ক্ষেত্রেই বেড়েছে পাশের হার। হাইমাদ্রাসায় পাশ করেছে ৮৬.১৫ শতাংশ, আলিমে পাশ করেছে ৮৮.৫৬ শতাংশ, ফাজিলে পাশ করেছে ৮৯.৫৬ শতাংশ পড়ুয়া। তবে মাধ্যমিকের মতো হাইমাদ্রাসা, আলিম এবং ফাজিলেও জেলার জয়জয়কার। মেধাতালিকায় নেই কলকাতার কোনও পড়ুয়া। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.