BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

রাতদিন বিরক্ত করত ৭ বছরের শিশু, রাগের বশে অপহরণ করে খুন করল কিশোর

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: August 11, 2020 5:51 pm|    Updated: August 11, 2020 6:47 pm

An Images

শাহজাদ হোসেন, ফরাক্কা: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সামশেরগঞ্জের ৭ বছরের শিশুকে অপহরণ ও খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়। রাতদিন বিরক্ত করত শিশুটি, স্রেফ এই কারণেই তাকে খুন করেছে একাদশ শ্রেণীর পড়ুয়া এক কিশোর। পুলিশের দাবি, জেরায় খুনের কথা স্বীকার করে নিয়েছে অভিযুক্ত।

ঘটনার সূত্রপাত শনিবার। ওইদিন সকাল ১০টা নাগাদ বাড়ির পাশের একটি আমবাগানে খেলছিল রায়হান মহলদার নামে ওই শিশুটি। সেখান থেকেই নিখোঁজ হয়ে যায় সে। টানা দু’ঘণ্টা হদিশ না মেলায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু পাওয়া যায়নি কোথাও। এরপর দুপুর দুটো নাগাদ ফোনে মুক্তিপণ বাবদ শিশুর বাবার কাছে ২ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। কিন্তু শিশুটির বাবা, পেশায় দিনমজুর সিরাজ মহলদারের পক্ষে এত টাকা দেওয়া সম্ভব ছিল না। ফোনে সেকথা জানিয়ে ছিলেন তিনি। এরপরই এলাকার একটি আমবাগানের পাশে মেলে শিশুটির মৃতদেহ। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল যে, মৃতের বাবার শত্রুরাই একাণ্ড ঘটিয়েছে। কারণ, লটারির টাকার বাটোয়ারা নিয়ে এলাকার কয়েকজনের সঙ্গে অশান্তি চলছিল খুদের বাবার।

[আরও পড়ুন: কোভিড হাসপাতালের অব্যবস্থা নিয়ে ফেসবুক লাইভ, মন্ত্রীর সচিবের ‘রোষে’র মুখে করোনা আক্রান্ত]

কিন্তু তদন্তে উঠে এল অন্য তথ্য। পুলিশ জানিয়েছেন, মৃত রায়হান মহলদার মাঝে মধ্যেই মায়ের মোবাইল নিয়ে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে এক কিশোরের বাড়ি যেত। সেখানে গেম খেলত। একাদশ শ্রেণির পড়ুয়া ওই কিশোরকে নানা ভাবে বিরক্ত করত রায়হান। সেই কারণেই খুদেকে খুনের ছক কষে অভিযুক্ত কিশোর। জঙ্গিপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সন্দীপ কাররা জানান, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া একটি জুতোর ভিত্তিতে অভিযুক্তের হদিশ পান তাঁরা। যে মোবাইলটি থেকে মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল, সেটিও মিলেছে। চাপের মুখে অভিযুক্ত কিশোর দোষ স্বীকার করে নিয়েছেন বলেই জানিয়েছেন জঙ্গিপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। তবে আদৌ কী এই সামান্য কারণেই এই নৃশংসতা? নাকি এর পিছনে লুকিয়ে গভীর রহস্য? তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: কলেজে অনলাইন ভরতিতেও রাজনীতি! ফর্ম ফিলাপের জন্য আলাদা শিবির যুব তৃণমূল-ABVP’র]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement