Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬

মোবাইলে মুখ গুঁজেই কাটে দিন, মা-বাবার বকাবকিতে আত্মঘাতী কিশোর

শোকস্তব্ধ সন্তানহারা বাবা-মা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০১৮, ১৯:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০১৮, ১৯:১৯

options
link
মোবাইলে মুখ গুঁজেই কাটে দিন, মা-বাবার বকাবকিতে আত্মঘাতী কিশোর zoom
Advertisement

সোমনাথ পাল, বনগাঁ:  মানুষের জীবন বন্দি হয়ে গিয়েছে মুঠোফোনে। মোবাইল ছাড়া জেনওয়াই যেন কিছু ভাবতেও পারে না। কখনও সেলফি, তো কখনও ইন্টারনেট সার্ফিং। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে দিনভর ব্যস্ত থাকে তারা। যদিও অভিভাবকরা তার বিরোধিতা করে থাকেন প্রায়শই। এ ছবি রাজ্যের প্রত্যেকটি বাড়িরই। অভিভাবকের বকাঝকার করুণ পরিণতির সাক্ষী থাকল উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর আমবৌলা গ্রাম।

[প্রাক্তন প্রেমিকার বন্ধুর মার, সিউড়িতে অপমানে আত্মঘাতী কলেজ পড়ুয়া]

আমবৌলা গ্রামের মা ও বাবার সঙ্গে থাকত প্রীতম সাহা। গ্রামেরই স্কুলের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র সে। ছোট থেকে পড়াশোনায় ভালই ছিল প্রীতম। মাধ্যমিক পরীক্ষাতেও ভালই ফল করেছিল ওই ছাত্র। কিন্তু মাধ্যমিকের পর থেকেই বদলে যেতে শুরু করে সে। পড়াশোনায় মন ছিল না প্রীতমের। দিনরাত ব্যস্ত থাকত নিজের মোবাইল ফোন নিয়ে। এছাড়া এলাকায় নানা দুষ্টুমি করেই দিন কাটাত সে।

Advertisement

[স্ত্রীকে খুনের পর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী স্বামী, চাঞ্চল্য কল্যাণীতে]

ছেলের দুষ্টুমির প্রতিবাদ করেন প্রীতমের বাবা লালন বিশ্বাস। বকাঝকাও করা হয় তার ছেলেকে। রবিবার রাতে ছেলেকে বকাঝকার পর ঘুমিয়ে পড়েন সকলে। কিন্তু ছেলেকে শাসনের পরিণতি যে এত কঠিন হবে তা স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেননি প্রীতমের বাবা। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন প্রীতমের ঘরের দরজা বন্ধ। পড়তে বসার জন্য বারবারই ছেলেকে ডাকতে থাকেন প্রীতমের বাবা। কিন্তু তাতেও কোনও সাড়া মেলেনি। জড়ো হয়ে যান প্রতিবেশীরা। দীর্ঘক্ষণ সাড়া না পেয়ে বাধ্য হয়ে ঘরের দরজা ভাঙেন প্রীতমের বাড়ির লোকজন। দরজা খুলতেই অবাক হয়ে যান তাঁরা। সকলেই দেখেন, ঘরের সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলছে প্রীতমের দেহ। চমকে ওঠেন ঘটনাস্থলে থাকা প্রত্যেকেই।

[বায়না শোনেনি বাবা-মা, অভিমানে গলায় গামছার ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী শিশু]

তড়িঘড়ি প্রীতমকে উদ্ধার করে হাবরা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়, গলায় ফাঁস লেগেই মারা গিয়েছে কিশোর। প্রীতমের মতো উচ্ছ্বল কিশোরের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা গ্রাম। বাকরুদ্ধ প্রীতমের বাবা ও মা। সামান্য কারণেই ছেলের এই আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না তাঁরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.