BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

মদ্যপ সিআরপিএফ জওয়ানের হাতে ‘আক্রান্ত’ প্রসূন, থানায় অভিযোগ দায়ের

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: May 6, 2019 2:34 pm|    Updated: May 6, 2019 2:39 pm

An Images

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়, হাওড়া: সকাল থেকে মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট চলছিল হাওড়া লোকসভা কেন্দ্রে৷ তেমন অশান্তির খবর পাওয়া যায়নি৷ কিন্তু দুপুর গড়াতেই ঘটে গেল অপ্রীতিকর ঘটনা৷ কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে আক্রান্ত হলেন হাওড়ার হেভিওয়েট তৃণমূল প্রার্থী, বিদায়ী সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়৷ মার খেলেন তাঁর আপ্ত সহায়ক, নিরাপত্তা রক্ষীরাও৷ মদ্যপ অবস্থায় ভোটের ডিউটি করার অভিযোগ উঠল কর্তব্যরত সিআরপিএফ জওয়ানের বিরুদ্ধে৷

[আরও পড়ুন : লাগাতার হিংসার অভিযোগ, ভোটের মাঝেই বারাকপুরে পুনর্নির্বাচনের দাবি বিজেপির]

ঘড়ির কাঁটায় দুপুর ১টা৷ এলাকার ভোট পরিস্থিতি পরিদর্শনে বেরিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়৷ দাশনগর এলাকার বালটিকুরি মুক্তরাম হাইস্কুলের বুথে পৌঁছে তিনি দেখেন, সেখানে বেশ ভিড়৷ তা যে ভোটারদের ভিড় নয়, তেমনই কিছু আঁচ করছিলেন তিনি৷ কর্তব্যরত কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ডেকে জানতে চান, বুথে এত ভিড় কেন? তাতে ওই জওয়ান তাঁর পরিচয় নিয়ে পালটা প্রশ্ন করেন বলে অভিযোগ৷ উত্তরে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তিনি হাওড়া লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী৷ পরিস্থিতি পরিদর্শনে বেরিয়েছেন৷ অভিযোগ, তা মানতে নারাজ ওই সিআরপিএফ জওয়ান৷ প্রসূনবাবুর কাছে তাঁর প্রার্থী সম্বলিত সমস্ত কাগজপত্র দেখতে চান বলে অভিযোগ৷ প্রার্থী নিজের সঙ্গে থাকা আই কার্ড দেখালেও কাজ হয়নি৷ অভিযোগ, তখনই ক্ষেপে যান ওই সিআরপিএফ জওয়ান৷ ধাক্কা মেরে বুথ থেকে বের করে দেওয়া হয় হেভিওয়েট প্রার্থীকে৷ তাঁর হাতে, মুখে আঘাত লাগে৷

prasun-PA

শুধু প্রার্থীই নন, গণ্ডগোলের সময় পরিস্থিতি সামলাতে গেলে আক্রান্ত হয়েছেন প্রসূনের আপ্ত সহায়ক ইন্দ্রনীল বসুও৷ তাঁকে রীতিমত মাটিতে ফেলে বেধড়ক পেটানো হয় বলে অভিযোগ৷ ইন্দ্রনীল বেশ জখম হয়েছেন বলে খবর৷ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, মদ্যপ অবস্থায় ভোটের কাজ করছেন ওই সিআরপিএফ জওয়ান৷ তাই তাঁর এমন আচরণ৷ প্রার্থী আক্রান্ত হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান হাওড়ার জেলা তৃণমূল সভাপতি অরূপ রায়৷ পরে তাঁরা দাশনগর থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন৷ কমিশনেও অভিযোগ দায়ের করা হবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা৷ তবে স্বয়ং প্রার্থীর সঙ্গে কর্তব্যরত কেন্দ্রীয় বাহিনীর এমন আচরণ নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে সমালোচনা৷

[আরও পড়ুন : বুথে ঢুকে চামড়া গুটিয়ে নেওয়ার ‘হুমকি’ লকেটের, কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement