Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
সন্দেশখালি

দুষ্কৃতী ধরতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ SI-সহ ৩ পুলিশকর্মী, রণক্ষেত্র সন্দেশখালি

নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন স্থানীয়রা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২, ২০১৯, ১০:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২, ২০১৯, ১০:৪৫

options
link
দুষ্কৃতী ধরতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ SI-সহ ৩  পুলিশকর্মী, রণক্ষেত্র সন্দেশখালি zoom
ছবি: প্রতীকী

নবেন্দু ঘোষ, বসিরহাট: দুষ্কৃতী ধরতে গিয়ে সন্দেশখালি গুলিবিদ্ধ হলেন এক সাব ইনস্পেক্টর-সহ তিন পুলিশকর্মী। শুক্রবার গভীর রাতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল সন্দেশখালির ফুল্লরা শ্মশানঘাট চত্বর। জখমদের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। প্রত্যেককেই কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। বাড়ানো হয়েছে এলাকার নিরাপত্তাও।

শুক্রবার গভীর রাতে দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে আচমকাই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয় সন্দেশখালির ফুল্লরা শ্মশানঘাট চত্বরে। গোপন সূত্রে সে খবর পায় পুলিশ। তড়িঘড়ি থানার সেকেন্ড অফিসার অরিন্দম হালদার-সহ বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী ঘটনাস্থলে পৌঁছান। দুষ্কৃতীদের পুলিশ আসছে বুঝতে পেরেই আক্রমণের পথে হাঁটে। প্রতিনিয়ত পুলিশকর্মীদের দিকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে থাকে দুষ্কৃতীরা। কিছু বুঝে ওঠার আগেই গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন সন্দেশখালি থানার সেকেন্ড অফিসার-সহ তিন পুলিশকর্মী। জখম হন বেশ কয়েকজন সিভিক ভলান্টিয়ারও।

Advertisement
SI-Arindam
সন্দেশখালি থানার সেকেন্ড অফিসার অরিন্দম হালদার

খবর পৌঁছয় সন্দেশখালি থানায়। বিশাল পুলিশবাহিনী আবারও ফুল্লরা শ্মশানঘাট চত্বরে যায়। তবে ততক্ষণে এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। গুলিবিদ্ধদের প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তিনজনকেই কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: ঘুমের ওষুধ স্প্রে করে দিঘার হোটেলে চুরি, সর্বস্ব খোয়া গেল পর্যটকের]

পুলিশ সূত্রে খবর, এই ঘটনায় কেদার বিধান নামে এক দুষ্কৃতীর নাম উঠে আসছে। সে এলাকার ত্রাস। প্রায়শই এলাকায় অশান্তি তৈরি করে কেদার। তার খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত বেশ কয়েকজনকে আটকও করা হয়েছে। তবে তারাই পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল কি না, সে বিষয়ে এখনও পুলিশের তরফে নিশ্চিতভাবে কিছুই জানানো হয়নি। গুলিতে পুলিশকর্মীদের জখম হওয়ার ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ। উর্দিধারী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এলাকার নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.