Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

ছেলের নেশা নিয়ে আপত্তি! ‘শাসন’ করতেই মাকে খুন বীরভূমে

বচসার জেরে ছেলে ভারী অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করতেই মৃত্যু হয় মায়ের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২৪, ১৩:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২৪, ১৩:৪৩

options
link
ছেলের নেশা নিয়ে আপত্তি! ‘শাসন’ করতেই মাকে খুন বীরভূমে zoom
প্রতীকী ছবি।

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: ছেলের নেশা নিয়ে মায়ের আপত্তি! বচসার জেরে ছেলে ভারী অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করতেই মৃত্যু হয় মায়ের। খুনের অভিযোগ উঠল ছেলের বিরুদ্ধে। বুধবার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য বীরভূমের চন্দ্রপুর থানা এলাকার পাতাডাঙা গ্রামে। ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতার নাম বাসন্তী কুণ্ডু (৫৭)। খুনের অভিযোগ উঠেছে তাঁর ছেলে লোটন কুন্ডুর বিরুদ্ধে। তবে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ হয়নি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ফের র‌্যানসামওয়্যারের তাণ্ডব! বিপর্যস্ত ৩০০ ব্যাঙ্কের পরিষেবা, বন্ধ UPI লেনদেনও]

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাসন্তীদেবী এবং তাঁর ছেলে লোটন কুণ্ডু পাতাডাঙা গ্রামে থাকতেন। লোটন বিভিন্ন ধরনের নেশা করতেন বলে অভিযোগ। সেই নিয়ে প্রায়শই বাড়িতে মা-ছেলের অশান্তি হত। বুধবার রাতে সেই নিয়ে মায়ের সঙ্গে বচসা বাঁধে বলে এলাকা সূত্রে খবর। এর পরেই লোটন লোহার শাবল দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত করে। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বাসন্তী। তাঁর চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসে।

এলাকাবাসীরা জানান, বাসন্তীদেবী মাটিতে পড়েছিলেন। রক্তে চারিদিক ভেসে যাচ্ছিল। সেই সময় রক্তাক্ত মায়ের মাথায় জল ঢালছিল লোটন। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়রা তাঁকে সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করে। এর পরেই পুলিশ লোটনকে আটক করে। পুলিশ সূত্রে খবর, থানায় এখনও কোনও লিখিত অভিযোগ হয়নি। তাই পুলিশ অস্বাভাবিক মৃতদেহ উদ্ধারের মামলা করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

[আরও পড়ুন: বৃহস্পতিতে লক্ষ্মীর কৃপা শেয়ার বাজারে, ২৫ হাজারে উঠে ইতিহাস নিফটির]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.