সম্যক খান, মেদিনীপুর: জমিতে থাকা কিছু গাছের ভাগ নিয়ে বচসা! দিদির ভাগের গাছ বিক্রি করতে গিয়েছিল ভাই। বাধা দেন বৃদ্ধা মা। তখনই লোহার শাবল দিয়ে মাকে আক্রমণ করে ছোট ছেলে। খুনের অভিযোগ দায়ের হয়। দুবছর আগের এই ঘটনায় মাকে খুনের চেষ্টায় দশ বছর কারাদণ্ড হল ছেলের। বৃহস্পতিবার মেদিনীপুর আদালতে তৃতীয় অতিরিক্ত জেলা দায়রা বিচারক কুশমিতা দে মিত্র এই রায় দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সরকারি আইনজীবি মৃণ্ময় ঘোষ।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুরের মোহনপুরে ৭২ বছরের বৃদ্ধা জয়ন্তী জানার কিছু জমি-জায়গা রয়েছে। বছর দুয়েক আগে সেখানে থাকা গাছগুলি নিজের তিন ছেলেমেয়ের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু ছোট ছেলে রতন তার দিদির ভাগের গাছও বিক্রি করতে চান। সেই সময় জয়ন্তীদেবী বাধা দিলে একটি লোহার শাবল দিয়ে বৃদ্ধাকে আঘাত করে রতন। বৃদ্ধার হাত ভেঙে যায়। এছাড়াও শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাত লাগে। প্রতিবেশীরা কোনওরকমে তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়।
বৃদ্ধার অভিযোগের ভিত্তিতে রতনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সেই মামলা চলছিল মেদিনীপুর আদালতে। গত বছর জানুয়ারি মাসে মামলার চার্জগঠন হয়। চার্জগঠনের এক বছরের মাথায় রায় ঘোষণা করল আদালত। প্রধান সাক্ষী তথা প্রত্যক্ষদর্শী জয়ন্তীদেবীর বড় ছেলে গৌতম জানা-সহ দশজনের সাক্ষীর ভিত্তিতে বুধবার অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। এদিন বিচারক দশ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি দশ হাজার টাকা জরিমানাও করেছেন। জরিমানার টাকা অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাস জেলে কাটাতে হবে।
সর্বশেষ খবর
-
‘হরমুজে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা ফিরুক’, ইরান-আমেরিকা শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানালেন মোদি
-
শিক্ষায় অনন্য নজির, ইউইএম কলকাতায় উদযাপিত ‘আচার্য অনার্স ২০২৬’
-
ম্যাচের ২৪ ঘণ্টা আগেও আমেরিকা ঢুকতে পারল না উরুগুয়ে, বিতর্কে ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি
-
জারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, আগাম জামিন চেয়ে হাই কোর্টে অভিষেকের ‘বেপাত্তা’ আপ্তসহায়ক
-
কাকলিদের ‘ভরসা’র এনসিপিআই প্রধান কুণ্ডু দম্পতি, জানেন দলের কত সম্পত্তি?