Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
সাগরদত্ত

নিত্য অশান্তি হাসপাতালে, ব্যর্থতার অভিযোগে সরানো হল সাগরদত্ত মেডিক্যাল কলেজের সুপারকে

সাগরদত্ত হাসপাতালের দায়িত্ব নেবেন রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজের সুপার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০২০, ২২:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০২০, ২২:৪৯

options
link
নিত্য অশান্তি হাসপাতালে, ব্যর্থতার অভিযোগে সরানো হল সাগরদত্ত মেডিক্যাল কলেজের সুপারকে zoom
Advertisement

অভিরূপ দাস: সরানো হল সাগরদত্ত মেডিক্যাল কলেজের (College of Medicine & Sagore Dutta Hospital) সুপার পলাশ দাসকে (Palash Das)। বুধবার রাতে তাঁকে বদলির নির্দেশ দেয় স্বাস্থ্যদপ্তর। জানা গিয়েছে, তাঁর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন সুজয় মিস্ত্রি। তিনি রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজের (Rampurhat Government Medical College & Hospital) সুপারের দায়িত্বে ছিলেন। আর রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজের মেডিক্যাল সুপারিন্টেন্ডেন্ট এবং ভাইস প্রিন্সিপাল হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে পলাশ দাসকে।

কিন্তু কেন অপসারিত হলেন সুপার? বেশ কিছুদিন ধরেই সাগরদত্ত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে কিছু না কিছু সমস্যা লেগেই রয়েছে। জুন মাস জুড়ে বিক্ষোভ দেখান ইন্টার্নরা। তাঁদের দাবি ছিল, গোটা হাসপাতালকে কোভিড হাসপাতাল করা যাবে না। সেই আন্দোলন মিটতে না মিটতেই জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে সাগরদত্ত মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে আচমকা বিক্ষোভ শুরু করেন নার্সরা। তাঁদের অভিযোগ ছিল, কোভিড ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত নার্স নেই৷ ফলে একেকজন নার্সকে পিপিই পড়ে ১০-১২ ঘন্টা ডিউটি করতে হচ্ছে৷ এছাড়া গ্রুপ ডি স্টাফও কম৷ ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত সাফাই কর্মীও নেই৷ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কাজ করতে হচ্ছে বলে কর্মবিরতির ডাক দেন নার্সরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহস জোগাচ্ছেন করোনাজয়ীরা, রাজ্যে সুস্থতার হার প্রায় ৬৮%]

টানা ৬ ঘন্টা সেই বিক্ষোভ চলে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নার্সদের জানান হাসপাতালে আসবেন স্বাস্থ্যভবনের প্রতিনিধি। তাঁর কাছে যাবতীয় অভিযোগ করতে পারবেন নার্সরা। লাগাতার এই অশান্তিতে হাসপাতালের সুপারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। পরবর্তীতে স্বাস্থ্যভবনের প্রতিনিধিরা গিয়েছিলেন হাসপাতালে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তাঁরা। তাঁদেরও মনে হয়েছে যে, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ‘ব্যর্থ’ সুপার। সেই কারণেই এই বদলি।

[আরও পড়ুন: টিনের চালে মাথার খুলি, ঘরের ভিতর হাড়গোড়, হাড়হিম করা কাণ্ড শিলিগুড়িতে]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.