Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Dengue

পুজোর আগে রাজ্যে থাবা বসাচ্ছে ডেঙ্গু, হটস্পট বেছে বেছে নজরদারি স্বাস্থ্যদপ্তরের

রাজ্যে ৫ হাজার ছাড়িয়েছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। রাজ্যের ৮৫টি ব্লক, ২৭৮টি গ্রাম পঞ্চায়েত ও ২৯ টি পুরসভাকে ডেঙ্গুর হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্যদপ্তর।

অভিরূপ দাস
অভিরূপ দাস

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ১৫:৪১

link
অভিরূপ দাস
অভিরূপ দাস

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ১৫:৪১

options
link
পুজোর আগে রাজ্যে থাবা বসাচ্ছে ডেঙ্গু, হটস্পট বেছে বেছে নজরদারি স্বাস্থ্যদপ্তরের zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

পুজোর মুখে ডেঙ্গু নিয়ে চিন্তায় স্বাস্থ্য দপ্তর। রাজ্যজুড়ে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। হটস্পট বেছে বেছে ডেঙ্গু পরীক্ষা বাড়ানো হয়েছে। ডেঙ্গু রুখতে সচেতনতা বৃদ্ধিতেও দেওয়া হচ্ছে জোর। রাজ্যের ৮৫টি ব্লক, ২৭৮টি গ্রাম পঞ্চায়েত ও ২৯ টি পুরসভাকে ডেঙ্গুর হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্যদপ্তর। এসব এলাকায় বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও পুজোর প্যান্ডেলেও নজরদারি চালানো হচ্ছে। এর জন্য পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে আলোচনা করছে স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকরা। 

মূলত শুকনো ফেলে দেওয়া পাত্র, আইসক্রিমের ফাঁকা কাপ, চায়ের ভাঁড়, ডাবের খোলাতে যাতে জল না জমে সেদিকে নজরদারি চালাতে হবে। আবর্জনার স্তূপ থেকে যাতে মশার উৎপত্তি হতে না পারে তা-ও দেখা হচ্ছে। ডেঙ্গু রুখতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নজরদারি চালাচ্ছে স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকরা। বাড়ির চৌবাচ্চা, ট্য়াঙ্কে ঢাকনা দিয়ে রাখতে বলা হচ্ছে। ঢাকনার ব্যবস্থা করা না গেলে মশারি বা জাল দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। ছাদে থাকা ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্রে যাতে জল জমতে না পারে এই নিয়ে সচেতন করা হচ্ছে। প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র, মেডিক্যাল কলেজ এমনকী আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দিরে নিয়মিতভাবে ডেঙ্গুর পরীক্ষা শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুকুর, নালা, ডোবা, শুকনো খাল, নিয়মিত ব্যবহার হয় না এমন কুয়ো, কলকারখানাতেও নজরদারি চালাচ্ছে স্বাস্থ্য দপ্তর। গাইডলাইন মেনে ব্যবহার করতে হবে লার্ভিসাইড।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কীভাবে ডেঙ্গুর হটস্পট নির্ধারণ করছে স্বাস্থ্যদপ্তর? কোনও গ্রামে ৫ জনের বেশি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে, কোনও গ্রাম পঞ্চায়েতে ১০ জন বা তার বেশি মানুষের ডেঙ্গু রোগী থাকলে তা হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। কোনও ব্লকে ৩০ জনের বেশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে তা হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত হবে। অন্যদিকে শহরাঞ্চলের ক্ষেত্রে কোনও ওয়ার্ডে ৫ জনের বেশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে ওয়ার্ডটি হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত হবে।

বর্তমানে রাজ্যে ৫ হাজার ছাড়িয়েছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। সবথেকে বেশি আক্রান্ত মুর্শিদাবাদে। আক্রান্তের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতার নাম। কলকাতার শিয়ালদহ, বড়বাজার, টালিগঞ্জ, কসবা, ঢাকুরিয়া, সিঁথি, পাইকপাড়া এলাকায় একাধিক ডেঙ্গু আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। এছাড়াও দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়-১ ও ২ ব্লকেও বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.