Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Suvendu Adhikari

‘এখানকার সাংসদ সর্বভূক, কয়লা, বালি, মদের বোতল খায়’, অভিষেককে কুকথা শুভেন্দুর

সভার আগে অশান্তির জন্য সোমবার আদালতের দ্বারস্থ হবেন বিরোধী দলনেতা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩, ২০২২, ১৮:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩, ২০২২, ১৮:২৭

options
link
‘এখানকার সাংসদ সর্বভূক, কয়লা, বালি, মদের বোতল খায়’, অভিষেককে কুকথা শুভেন্দুর zoom

সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দু’জনেরই পাল্লা ভারী। তার উপর আবার একে অন্যের গড়ে গিয়ে সভা করছেন। শনিবারের শুভেন্দু অধিকারী-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) হাই ভোল্টেজ জোড়া সভা নিয়ে এই শীতেও রাজনীতি পারদ ঊর্ধ্বমুখী ছিল। দুই সভায় তার প্রতিফলনও ঘটল। ডায়মন্ড হারবারের সভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কুকথায় ভরিয়ে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বললেন, ”এখানকার সাংসদ সর্বভূক। কয়লা, বালি, মদের বোতল, স্কুল ইউনিফর্মের টাকা, চাকরি – সব খান। কেউ খেয়ে পালাতে পারবে না। মোদিজি বলেছেন, না খাউঙ্গা, না খানে দুঙ্গা।”

Advertisement

ডায়মন্ড হারবারের (Diamond Harbour) লাইটহাউস মাঠে শুভেন্দুর সভার আগে সকাল থেকেই জেলাজুড়ে অশান্তির বাতাবরণ তৈরি হয়েছিল। বেলা বাড়তে তা রাস্তা অবরোধ, দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, বাস ভাঙচুর, টায়ার জ্বালানোর মতো ঘটনা বাড়তেই থাকে। বিজেপির অভিযোগ, শুভেন্দুর সভা বানচাল করতে তৃণমূল কর্মীরা এমন অশান্তি বাঁধিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েই লাইটহাউসের মাঠে সভা করতে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা। সঙ্গে ছিলেন বিধায়ক অসীম সরকার, অগ্নিমিত্রা পল, বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষরা। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে উঠে প্রথমেই তিনি জানান, অশান্তি নিয়ে সোমবার আদালতের দ্বারস্থ হবেন। সেই মামলায় রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্যর নামও তিনি জানান। তারপর নাম না করেই ছত্রে ছত্রে স্থানীয় সাংসদ তথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কুকথায় আক্রমণ করতে শুরু করেন তিনি।

[আরও পড়ুন: কাঁথির সভার আগে মাঝরাস্তায় গাড়ি থেকে নামলেন অভিষেক, গ্রামে ঘুরে শুনলেন অভিযোগ]

শুভেন্দুর কথায়, ”ভাইপোর বাহিনী ভেবেছিল, এভাবে রাস্তা আটকাবে। আমি সভা করতে পারব না। সভাটা বানচাল করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু ভাইপো, সভাটা হল তো?  লোক কমিয়ে দিয়েছো, কিন্তু সভাটা তো হলই। আমি স্টার্টিংয়ে নয়, ফিনিশিংয়ে বিশ্বাসী। এবার ফিনিশিংয়ের দায়িত্বটা নিলাম। মমতাকে ওখানে হারিয়েছি, এবার তাড়াব।” এদিকে, সভা নিয়ে অশান্তির পরিপ্রেক্ষিতে কাঁথি থেকেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পালটা, ”এক ডাকে অভিষেকে ফোন করুন, আমি ব্যবস্থা করে দেব। আমার নাম ব্যবহার করুন, ধার দিলাম। যতবার ব্যবহার করবেন অক্সিজেন পাবেন। শালীনতার সীমা বজায় রাখুন। আমাকে আক্রমণ করুন যত ইচ্ছে।”

[আরও পড়ুন: মোবাইল ফোন নিয়ে ঢোকা যাবে না রাজ্যের কোনও মন্দিরে, কড়া নির্দেশ মাদ্রাজ হাই কোর্টের]

এর আগে একাধিকবার বিজেপি নেতাদের গলায় ‘ডিসেম্বর’ হুমকি শোনা গিয়েছে। এদিন সরাসরি সেই প্রসঙ্গ উত্থাপন না করলেও শুভেন্দু বলেন, ”আমি আবার এই মাসে আসব। আপনাদের জন্য গাড়ি করে লাড্ডু নিয়ে আসব। কারণটা কিন্তু এখন বলব না।” অর্থাৎ ‘ডিসেম্বর’ জল্পনাও জিইয়ে রাখলেন বিরোধী দলনেতা। 

সভার আগে অশান্তির ছবি দেখে সমর্থকদের নিয়ে উদ্বিগ্ন শুভেন্দু বলেন, ”আমি সভা শেষে এখানে বসে থাকব। আগে আপনারা বাড়ি ফিরবেন। তারপর আমি রওনা হব। আপনাদের ভাল থাকতে হবে, সুস্থ থাকতে হবে। আমার সঙ্গে দেহরক্ষী আছে, আমার কিছু হবে না।” 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.