Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

রাজনৈতিক রং না দেখে পুলিশকে চলার বার্তা মমতার

রাজনৈতিক রং না দেখে চলার বার্তা দিয়ে পুলিশের মনোবল বাড়ালেন মমতা...

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১০, ২০১৯, ১২:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১০, ২০১৯, ১২:৫৮

options
link
রাজনৈতিক রং না দেখে পুলিশকে চলার বার্তা মমতার zoom

কিংশুক প্রামাণিক: দুষ্কৃতী দেখলেই গ্রেফতার করতে হবে৷ তাঁর জাত কী, ধর্ম কী তা কোনওভাবেই বিবেচ্য নয়৷ এমনকী অভিযুক্ত কোন রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ার রয়েছে, তাও দেখার দরকার নেই৷ তাঁর জমানায় অপরাধ ও অপরাধী, কাউকে রেয়াত করা যাবে না৷ বৃহস্পতিবার প্রশাসনে এই কঠোর বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ মুখ্যসচিব বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায়, ডিজি সুরজিৎ কর পুরকায়স্থের উপস্থিতিতে এদিন বোলপুরে বীরভুম জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে বলেছেন মমতা৷

জানা গিয়েছে, নানুর, পাড়ুই, ইলমবাজার, মহম্মদবাজার ইত্যাদি এলাকায় শান্তি বজায় রাখার কথা বলতে গিয়েই মুখ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার এই বার্তা দেন৷ যা শুধু বীরভূম জেলা নয়, সার্বিকভাবে গোটা রাজ্যের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য৷ রাজনৈতিক রং না দেখে চলার বার্তা দিয়ে পুলিশের মনোবল মমতা এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়িয়ে দিলেন বলেই মনে করা হচ্ছে৷ মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেছেন, “পুলিশ তার কাজ করুক৷ পুলিশকে কেউ ভয় দেখাতে পারে এটা আমি বিশ্বাস করি না৷” মনে রাখতে হবে, ইতিপূর্বে দলীয় সভায় মমতা বলেছিলেন, “পুলিশ পুলিশের কাজ করবে৷ আমি সেটা দেখে নেব৷ তৃণমূলের কেউ যেন পুলিশের কাজে নাক না গলায়৷ সরকারি অফিসারদের পাশাপাশি গতকালের সভায় সুব্রত মুখোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রনাথ সিংহ, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো মন্ত্রীরাও ছিলেন৷

Advertisement

বস্তুত, দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে দল ও প্রশাসনে কড়া মনোভাব নিতে দেখা যাচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীকে৷ মুখ্যমন্ত্রী পদে বসে রাজধর্ম পালন যে তাঁর লক্ষ্য, তা তোলাবাজির অভিযোগে দলের কাউন্সিলরকে গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন৷ এদিন তিনি যেভাবে ‘ধর্ম’, ‘জাতি’ না দেখেই দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের কথা বললেন তাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ নানুর, পাড়ুইয়ের সাম্প্রতিক ঘটনাক্রম যে পুরোটাই রাজনৈতিক, সে কথা তুলে ধরে মমতা স্থানীয় প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে বলেন৷ তিনি বলেন, “কেউ যাতে শান্তি নষ্ট করতে না পারে, তা দেখতে হবে৷ বাইরে থেকে লোক ঢুকে বদমায়েশি করে৷ এসব চলবে না৷” একই সঙ্গে জেলায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি বজায় রাখতে প্রশাসনকে সক্রিয় থাকতে বলেন৷

জানা গিয়েছে, সব চেয়ে নস্টালজিক পর্ব বৈঠকের মাঝেই৷ এক সময় হঠাত্‍ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, খয়রাসোলের বিডিও কে? পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কে? দু’জনেই উঠে দাঁড়ান৷ এরপর একে একে সব গ্রামের নাম, কোথায় পুকুর আছে, সেটা কাটা হয়েছে কী না সবই বলতে থাকেন মমতা৷ সভায় উপস্থিত সচিবরা, প্রশাসনিক কর্তারা তো অবাক৷ উনি এত সব জানেন? তখনই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আরে আমি কেন জানব না৷ ওটা তো আমার গ্রাম৷ আমি জানব না তো কে জানবে?” ঠিকই তো৷ এই খয়রাসোলের কুসুম্বা গ্রাম মমতার মামার বাড়ি৷ ছোটবেলায় ছুটি মানে গ্রামের আলপথে ছিল ছুট৷ সেই মেয়েই তো এখন মুখ্যমন্ত্রী৷ মাটিকে তিনি ভুলবেন কেমন করে৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.