ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: দলের কড়া হুইপ সত্ত্বেও কোন কোন বিধায়ক বিধানসভার শেষ দিন অধিবেশনে যোগ দেননি, তার খোঁজখবর শুরু করে দিল তৃণমূল পরিষদীয় দল। ১৯ ও ২০ মার্চ তৃণমূল পরিষদীয় দলের তরফে বিধায়কদের সকলকে বিধানসভার অধিবেশনে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়ে তিন লাইন হুইপ জারি করা হয়েছিল। ১৯ তারিখ ২১৫ জনের উপস্থিতির খোঁজ মিললেও মুখে মুখে রটে গিয়েছিল, প্রায় নব্বই জন মন্ত্রী-বিধায়ক শেষ দিন অধিবেশনে আসেননি, অর্থাৎ হুইপ অমান্য করেছেন।
তবে প্রাথমিক রিপোর্টে উঠে এসেছে, ৩৫-৪০ জন বিধায়ক মূলত ওইদিন অনুপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন মন্ত্রীরও নাম ছিল। হুইপ অমান্য করে তাঁরা কেন আসেননি? তার খোঁজখবর নিতে গিয়ে জানা গিয়েছে, অনেকেরই অসুস্থতা জনিত সমস্যা ছিল। চিকিৎসা করাতে কোনও বিধায়ক বা মন্ত্রী নিজে, কোনও ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ওই মন্ত্রী বা বিধায়কের আত্মীয়ের ভিনরাজ্যের কোনও হাসপাতালের অ্যাপয়েন্টমেন্ট আগে থেকেই নেওয়া ছিল।
আবার অনেকের কাছে খোঁজ করে জানা গিয়েছে, শেষ দিন দ্রুত বাড়ি ফেরার তাড়ায় অথবা নিজের নিজের এলাকায় কিছু সাংগঠনিক জরুরি পরিস্থিতির কারণে হাজিরা খাতায় সই না করেই বেরিয়ে যান কয়েকজন বিধায়ক। তার জেরে গরহাজির বলে প্রাথমিকভাবে ধরে নেওয়া হয়েছিল। তৃণমূল পরিষদীয় দল যে এই ইস্যুতে যথেষ্ট কড়া, তাদের সেই মনোভাব বুঝিয়ে দিতেই এ নিয়ে ‘সিরিয়াস’ পথে এগোচ্ছে। দলের হুইপ না মানাকে ইতিমধ্যেই পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ‘দলবিরোধী কাজ’ বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন। অর্থাৎ এই দলবিরোধী কাজের শাস্তি যে কড়া হবেই, একপ্রকার তার ইঙ্গিত মিলেছে পরিষদীয় দলের নেতৃত্বের তরফে।
সর্বশেষ খবর
-
সোশাল মিডিয়ায় আলাপ, ভিনরাজ্যে ‘ধর্ষণে’র শিকার বঙ্গকন্যা, প্রভাব খাটিয়ে জেলমুক্ত যুবক!
-
কঠিন সময়ে অলকাকে বিশেষ বার্তা শানু ও শানের, কী বললেন তাঁরা?
-
ভারতে ঢুকেছিল তিনটি পাকিস্তানি বিমান, এয়ার ইন্ডিয়া বিপত্তির এক সপ্তাহ আগে
-
সারান্ডায় তাড়া খেয়ে বাংলামুখী, ১৪ বছর পর ‘ঘরে’ই আশ্রয় নাকি আত্মসমর্পণ মাওবাদী আকাশের?
-
তারাতলার গুদাম নির্মাণে ‘কুখ্যাত’ আসগর, বিপর্যয়ের বহু আগেই বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিল বাম কর্মী ইউনিয়ন