Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
MLA Sourav Chakraborty corona vaccine

আলিপুরদুয়ারে প্রথম করোনা টিকা প্রাপকদের তালিকায় বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী! তুমুল বিতর্ক

টিকা নিচ্ছেন না বলেই জানিয়েছেন বিধায়ক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২১, ১০:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২১, ১০:২৩

options
link
আলিপুরদুয়ারে প্রথম করোনা টিকা প্রাপকদের তালিকায় বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী! তুমুল বিতর্ক zoom

রাজ কুমার, আলিপুরদুয়ার: করোনা (Coronavirus) টিকাকরণে পদাধিকারীদের অগ্রাধিকার থাকছে না। চিকিৎসক থেকে সাফাইকর্মী প্রত্যেককে সমান মর্যাদা দিয়ে তালিকা দেখে শনিবার দার্জিলিং জেলার পাঁচটি কেন্দ্রে প্রতিষেধক দেওয়ার কাজ শুরু হবে। তবে আলিপুরদুয়ারে করোনা টিকা প্রাপকদের তালিকায় এক নম্বরে বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তীর (Sourav Chakraborty) নাম। এক নম্বরে বিধায়কের নাম থাকায় তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সুমন কাঞ্জিলাল বলেন, “কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যবিধির নিয়ম ভেঙে বিধায়ককে প্রথমে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এটা মানা যায় না।” আলিপুরদুয়ার জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডা গিরিশচন্দ্র বেরা বলেন, “আলিপুরদুয়ার জেলা সদর হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান হিসেবে বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তীর নাম টিকা দেওয়ার তালিকায় উঠেছে।” তিনি করোনা যোদ্ধা হিসাবে প্রথমে টিকা পেতেই পারেন বলে দাবি। যদিও এই বিতর্কের পর টিকা নিচ্ছেন না বলেই জানিয়েছেন বিধায়ক। দার্জিলিং জেলার জন্য যে ১৮ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন এসেছিল তাঁর মধ্যে প্রায় এক হাজার ডোজ সেনাবাহিনীর জন্য আলাদা রাখা হয়েছে। সেনার তরফ থেকে প্রতিষেধক চাওয়া হলে দেওয়া হবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: টিকাকরণ কর্মসূচির আগে রাজ্যে আরও কমল করোনা সংক্রমণ, মৃত্যুহারও নিম্নমুখী]

উল্লেখ্য, গত মার্চ থেকে চোখ রাঙাচ্ছে করোনা ভাইরাস। যার দাপটে গোটা বিশ্ব ত্রস্ত। লকডাউনের (Lockdown) মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণ রোধ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে তার প্রভাবে প্রায় তলানিতে ঢেকেছিল অর্থনীতি। যার ফলে ধীরে ধীরে আনলক পর্যায়ের দিকে হাঁটে গোটা দেশ। সেই পর্যায়ে একটু একটু করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হয়। একাধিক সরকারি, বেসরকারি অফিস কিংবা ব্যবসাক্ষেত্র খুলেছে। তবে এখনও বন্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। করোনাকে কীভাবে প্রতিহত করা সম্ভব, সে বিষয়ে দিশাহীন চিকিৎসকরাও। তাই মাস্ক, স্যানিটাইজারের ব্যবহার এবং দূরত্ববিধি মেনে চলার কথাই বলা হচ্ছিল বারবার। তার সঙ্গে টেস্টের উপরেও জোর দেওয়া হয়েছিল। আর ভ্যাকসিনের অপেক্ষায় দিন গুনছিলেন প্রায় সকলেই। শনিবারই শুরু হবে টিকাকরণ। প্রথম দফায় স্বাস্থ্যকর্মীদের (Health Worker) টিকা দেওয়া হবে। ২৮ দিন পর আরও একবার তাঁদের টিকা দেওয়া হবে। দ্বিতীয় দফায় প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের টিকাকরণের কথা।

[আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরে জানিয়েও রাস্তা সংস্কার হয়নি! রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে নিশানা মন্ত্রী গৌতমের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.