Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
তৃণমূল

‘সোজা বাংলায় বলছি’, জনতার মন পেতে নয়া প্রচারাভিযানে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস

বিজেপিকে ঠেকাতে বাংলা ভাষা ও বাঙালির আবেগকে হাতিয়ার করেই এই অভিযান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০২০, ২১:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০২০, ২১:৫৯

options
link
‘সোজা বাংলায় বলছি’, জনতার মন পেতে নয়া প্রচারাভিযানে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছে ‘দিদিকে বলো’। সাধারণের কাছে পৌঁছেছে ‘বাংলার গর্ব মমতা’ ক্যাম্পেন। সেই পথে হেঁটে এবার ‘সোজা বাংলায় বলছি’ প্রচারাভিযান শুরু করছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস।

[আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত ও মৃতের নিরিখে রেকর্ড গড়ল রাজ্য, বাড়ছে সুস্থতার হারও]

জানা গিয়েছে, রবিবার, ২৬ জুলাই থেকেই বাংলার মন পেতে শুরু হচ্ছে ‘সোজা বাংলায় বলছি’ অভিযান। বিজেপিকে ঠেকাতে বাংলা ভাষা ও বাঙালির আবেগকে হাতিয়ার করেই এই অভিযান। বাংলার বুকে ‘ভাষা-সন্ত্রাসের’ অভিযোগ তুলে বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হবে শাসকদল। এই অভিযান চালিয়ে ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে কোনওভাবে গেরুয়া শিবিরকে জায়গা ছাড়তে রাজি নয় তৃণমূল। তাই এখন থেকেই রাজ্যে প্রচারের ঝড় তুলতে চাইছে শাসকদল।

Advertisement

সম্প্রতি, প্রত্যাশামতো একুশের বিধানসভা লড়াইয়ের আগে সাংগঠনিক স্তরে বড়সড় রদবদল ঘটিয়েছে রাজ্যের শাসক শিবিরে। কার্যত ঢেলে সাজানো হচ্ছে সংগঠনকে। মাওবাদী সন্দেহে দীর্ঘকাল জেলবন্দি থাকার পর গত বছর মুক্ত হওয়া ছত্রধর মাহাতোকে (Chhatradhar Mahato) সরাসরি নিয়ে আসা হল তৃণমূলের রাজ্য কমিটিতে। দেওয়া হল সম্পাদকের পদ। এই সংযোজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ। পাকাপোক্ত পরিকল্পনা করেই তাঁকে রাজনীতি মূল স্রোতে আনলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তেমনটাই মনে করা হচ্ছে। এছাড়া রাজ্য কমিটির নতুন সদস্য হলেন অমিত মিত্র, সৌগত রায়, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, সুকুমার হাঁসদা। ২১ জনের রাজ্য কমিটির অধিকাংশেই ঠাঁই পেয়েছেন নতুনরা।

উনিশের লোকসভায় জঙ্গলমহল এবং উত্তরবঙ্গে গেরুয়া শিবিরের কাছে তৃণমূলের শোচনীয় হার থেকে বেশ শিক্ষা নিয়েছে তৃণমূল। অথচ জঙ্গলমহল তৃণমূলের রীতিমতো শক্ত ঘাঁটি ছিল। মাওবাদী সমস্যা দমন করে সেখানে শান্তি ফেরানোর প্রতিদান স্বরূপই সেখানকার জনসমর্থন আদায় করতে সক্ষম হয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী। তবে বছর কয়েক আগে থেকে গেরুয়া শিবিরের আচমকা এসব জায়গায় ঘাঁটি গেড়ে বসে উনিশের ভোটে জঙ্গলমহলের মূল তিন জেলা – ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া থেকে তৃণমূলের সাফ হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনার সাক্ষী হতে হয়েছে। সেই জঙ্গলমহলে হৃত সমর্থন পুনরুদ্ধার করতে ফের সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন মমতা। তাই সেই জায়গার দায়িত্ব দিয়ে তিনি সরাসরি রাজ্য কমিটিতে নিয়ে এসেছেন ছত্রধর মাহাতোকে। সব মিলিয়ে আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত শাসকদল।  

[আরও পড়ুন: দেবেন মাহাতো সদর হাসপাতালে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল সিলিং, জখম ৫ রোগী]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.