৩০ ভাদ্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: ময়নাতদন্তের নোটিস মৃতের বাড়িতে পৌঁছে দিতে গিয়ে আক্রান্ত দুই সিভিক ভলান্টিয়ার৷ ভাঙচুর করা হয় পুলিশের গাড়িও৷ আক্রান্ত সিভিক ভলান্টিয়ারের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক৷ এই ঘটনায় আবারও নতুন করে উত্তপ্ত গড়িয়া৷ নরেন্দ্রপুর থানায় ঘটনার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷ তবে এখনও গ্রেপ্তার হয়নি কেউ৷

[আরও পড়ুন: সন্তান প্রসব করতে ৪ ঘণ্টা কাঁধে চেপে সমতলে, আলিপুরদুয়ারের মেয়েকে কুর্নিশ নেটিজেনদের]

বেশ কয়েকদিন আগে বেআইনিভাবে মদ বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় কাজল দে নামে ওই ব্যক্তিকে৷  বারুইপুর সংশোধনাগারে বন্দি ছিল সে৷ গত বুধবার সন্ধেয় আচমকাই সংশোধনাগারের মধ্যেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে কাজল৷ তাকে উদ্ধার করে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায় কারা কর্তৃপক্ষ। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

অসুস্থতার তত্ত্ব যদিও মানতে নারাজ নিহতের আত্মীয়রা৷ তাঁদের দাবি, সংশোধনাগারে অত্যাচারেই মৃত্যু হয় কাজলের৷ এই অভিযোগে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই গড়িয়া নবগ্রাম রোড অবরোধ করে নিহতের পরিজনেরা৷ 

[আরও পড়ুন: ১১ বছর নিখোঁজ, তামিল যুবককে বাড়ি ফেরালেন হ্যাম রেডিও অপারেটররা]

শুক্রবার মিন্টু গাজি এবং নাসির আলি গাজি নামে দু’জন সিভিক ভলান্টিয়ার ওই নিহত বন্দির বাড়িতে যায়৷ ময়নাতদন্তের নোটিস তার পরিজনদের হাতে তুলে দেওয়াই লক্ষ্য ছিল সিভিক ভলান্টিয়ারদের৷ বন্দি কাজলকে সংশোধনাগারে অত্যাচার করে মেরে ফেলা হয়েছে এই অভিযোগে সুর চড়াতে থাকে তারা৷ দুই সিভিক ভলান্টিয়ারকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন৷ মারধর করা হয় তাঁদের৷ পুলিশের গাড়িও ভাঙচুর করা হয়৷ নিহত বন্দির পরিজনদের বিক্ষোভে ভেঙে যায় গাড়ির কাচও৷ আশঙ্কাজনক অবস্থায় দু’জনকে শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হয়৷ আপাতত সেখানেই চিকিৎসা চলছে তাদের৷ এই ঘটনায় নরেন্দ্রপুর থানায় নিহত বন্দির পরিজনদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷ তবে এখনও কেউই গ্রেপ্তার হয়নি৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং