নিরুফা খাতুন: ঘূর্ণাবর্ত ও মৌসুমী অক্ষরেখার জোড়া ফলা। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভবনা দক্ষিণবঙ্গে। বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টি বাড়বে উত্তরবঙ্গেও।
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, মৌসুমী অক্ষরেখা ফের বাংলায় সক্রিয়। এই অক্ষরেখা শ্রীগঙ্গানগর, দিল্লি, হামিরপুর, চুর্ক, বাঁকুড়া, দিঘার পর পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে এগিয়ে মধ্য বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। এদিকে রাজস্থানের থেকে ঘূর্ণাবর্ত বাংলাদেশ পর্যন্ত রয়েছে। যেটি উত্তরপ্রদেশ, বিহার এবং উত্তরবঙ্গের উপর দিয়ে গিয়েছে। এর প্রভাবেই আজ বুধবার দক্ষিণবঙ্গের তিনজেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। সব জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। বৃহস্পতিবারও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা। ভারী বৃষ্টি হতে পারে অন্তত পাঁচ জেলায়। তালিকায় হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা। অন্যান্য জেলাতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। শুক্রবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। ছয় জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। শনিবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুরে।
[আরও পড়ুন: নবান্নে কুড়মি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক, ‘কেন্দ্রের জন্যই আটকে উপজাতি স্বীকৃতি’, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী]
আজ অর্থাৎ বুধবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে। বৃহস্পতিবার বৃষ্টির কিছুটা বাড়তে পারে উত্তরবঙ্গে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ির সঙ্গে মালদহ ও দুই দিনাজপুরেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সতর্কতা। প্রসঙ্গত, আগামী দু-তিনদিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রাজস্থান, কর্ণাটক, কেরল ও মাহেতে। আগামী দু’দিনে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা বিহার, অসম, মেঘালয়, মণিপুর-সহ একাধিক রাজ্যে।
[আরও পড়ুন: ফের প্যারোলে মুক্ত! বন্দিদশা এড়িয়ে ২১ দিনের জন্য ‘ছুটি’তে ধর্ষক রাম রহিম]
সর্বশেষ খবর
-
‘তোমার কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ শুভ…’, শুভশ্রীকে মন কেমনের চিঠি ‘ডিরেক্টর’ দেবের
-
রান্নাঘর ভর্তি আরশোলা, ক্রিকেটারদের আমিষ চা! মুম্বই ক্রিকেট সংস্থার রেস্তরাঁ দেখে অগ্নিশর্মা তুকারাম
-
পাহাড় ডাকছে? পিঠে ব্যাগ তোলার আগে শরীরের এই পরীক্ষাগুলি করিয়ে নিন
-
ব্রহ্মপুত্রে ‘টাইমবোমা’ চিনের, নেপাল বিপর্যয়ে বিপদঘণ্টা ভারতের! কী করবে দিল্লি?
-
ইপিএফও এবং আয়করের তথ্যও বেসরকারি হাতে! ‘উদ্বেগজনক, ব্যবস্থা নিন’, কেন্দ্রকে বলল সুপ্রিম কোর্ট