নন্দন দত্ত, সিউড়ি: রমরমিয়ে চলছে পোলট্রি ফার্ম। তার নিচে যে এমন রহস্য লুকিয়ে আছে তা কে জানত? পুলিশ অভিযান চালাতেই রহস্যের পর্দাফাঁস। পোলট্রি ফার্মের নিচে মিলল লম্বা সুড়ঙ্গ। আর সেই ‘পাতালঘর’ থেকে উদ্ধার হল লাখ-লাখ টাকার গাঁজা। গ্রেপ্তার করা হয়েছে পোলট্রি মালিককে। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের (Birbhum) সিউড়ি এলাকায়।
বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছেই ব্যস্ততম কচুজোড় বাজারের পিছনেই ছিল প্রদীপ গড়াইয়ের পোলট্রি ফার্ম। পুলিশ সূত্রে খবর, সকলের চোখে ধুলো দিতে সকালে রমরমিয়ে চলত পোলট্রির ব্যবসা। মাটির তলায় মজুত থাকত বিদেশি গাঁজা। বেলা গড়িয়ে ডিম-মুরগির বিকিকিনি থামতেই মাদক পাচারের কাজ শুরু হয়ে যেত। জাতীয় সড়কের পাশে সদাইপুর থানার কচুজোড় এলাকায় ভালই চলছিল এই ব্যবসা। কিন্তু কথায় আছে, ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। সূত্র মারফত এই ব্যবসার খবর পায় পুলিশ। তার পরই বুধবার রাতে ডিএসপির নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাটির নিচ থেকে ৪০ বস্তা গাঁজা উদ্ধার করে। যার বাজার মূল্য ২০ লক্ষ টাকার বেশি।
[আরও পড়ুন: ফের বাবা হলেন বরিস জনসন, স্ত্রী ক্যারি জন্ম দিলেন ফুটফুটে সন্তানের]
জেলা পুলিশ সুপার নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠি জানিয়েছেন, বাইরে থেকে পোলট্রি ফার্ম মনে হলেও তলায় ছিল সুড়ঙ্গ। মুরগি সঙ্গে কেনাবেচা চলত বিদেশী দামি গাঁজারও। ঘটনাস্থল থেকে পোলট্রির মালিক গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত হয়েছে গাঁজার বস্তা। জেলা পুলিশ সুপার আরও জানান, “মাটির তলায় একটা পাকা ঘর তৈরি করা হয়েছিল। যেখানে ৩০০-৪০০ কেজি গাঁজা অনায়াসে মজুত রাখা যেত। আমরা তদন্ত করে দেখছি, কারা এখানে গাঁজা জমা রাখত। কারা সেখান থেকে কিনে নিয়ে যেত।”
থানা সূত্রে খবর, প্রদীপ জানিয়েছে, গত একমাস থেকে পোলট্রির তলায় ঘর বানিয়ে এই ব্যবসা করছে। দিনেরবেলা মুরগি বিক্রি করত আর রাতের অন্ধকারে সেখান থেকে গাঁজা পাচার হত।
[আরও পড়ুন: কয়লা কাণ্ডে বড়সড় পদক্ষেপ, আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল CBI]
সর্বশেষ খবর
-
ভাঙড় বিস্ফোরণের ‘মূলচক্রী’, শওকতকে ১৪ দিনের এনআইএ হেফাজতে পাঠাল আদালত
-
সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিএএ বিক্ষোভে ভাঙচুরে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর
-
গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন? অস্ত্র মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ খান স্যরের
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি, হকারের পুনর্বাসনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিধায়ক কৌস্তভের
-
কেন ভাঙা হবে না পুরবোর্ড? ৭২ ঘণ্টায় জবাব চাইল রাজ্য, এবার কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক!