Advertisement
Advertisement
West Bengal Assembly Election

‘তৃণমূলকেই ভোট দেব’, নির্বাচনের মুখে আনুগত্যের সুর বাম জমানার ত্রাস মজিদ মাস্টারের গলায়

একটা সময় ছিল, যখন শুধু মাস্টার মশাই বলতেন, বাকিরা বাধ্য ছাত্রের মতো শুনত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ১৬:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ১৬:৪৮

options
link
‘তৃণমূলকেই ভোট দেব’, নির্বাচনের মুখে আনুগত্যের সুর বাম জমানার ত্রাস মজিদ মাস্টারের গলায় zoom
মজিদ মাস্টার। ফাইল ছবি

“বাংলায় বিজেপিকে আটকাতে পারে একমাত্র তৃণমূল। সেই কারণেই তৃণমূলকে ভোট দিই, আগামী বিধানসভাতেও দেব”, এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করে নতুন করে চর্চায় বাম জমানার শাসনের ত্রাস মজিদ মাস্টার (Majid Master)। উল্লেখ্য, একটা সময় ছিল, যখন শুধু মাস্টার মশাই বলতেন, বাকিরা বাধ্য ছাত্রের মতো শুনত। বারাসত ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ-সহ সিপিএমের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ছিলেন এই মজিদ মাস্টার।

তখন বারাসত ২ নম্বর ব্লক-সহ শাসনের শেষ কথা ছিলেন তিনি। বরাবরই ভেড়ির রাশ হাতে রাখতে নানা রঙের কুখ্যাতদের দেখেছে শাসন। এদের সকলের মাথাতেও নাকি হাত ছিল মজিদের। সঙ্গে খুন, সন্ত্রাস, গুলি, বোমাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগে নাম জড়িয়েছিল তাঁর। এগারো সালের আগে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। ছাড়া পেয়েও তৃণমূলের বাধায় বাড়ি ফিরতে না পারছেন না বলে অভিযোগ তুলেছিলেন মজিদ মাস্টার। শেষে বাড়ি ফিরে ২০১৬ সাল নাগাদ সিপিএমের সদস্যপদ ছেড়ে রাজনীতি থেকে কার্যত অবসর নেন তিনি। এখন মাস্টারের বয়স আশি পেরিয়েছে। ব্যস্ত থাকেন পড়াশোনা ও চাষবাস নিয়ে। সামনেই বিধানসভা নিবার্চন (West Bengal Assembly Election)। তার আগে হঠাৎই আনুগত্য বদলানোর সুর মজিদের গলায়। বিজেপির আগ্রাসন ঠেকাতে তৃণমূলের হয়ে সওয়াল করলেন তিনি।

Advertisement

বারাসত ২ নম্বর ব্লক-সহ শাসনের শেষ কথা ছিলেন তিনি। বরাবরই ভেড়ির রাশ হাতে রাখতে নানা রঙের কুখ্যাতদের দেখেছে শাসন। এদের সকলের মাথাতেও নাকি হাত ছিল মজিদের। সঙ্গে খুন, সন্ত্রাস, গুলি, বোমাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগে নাম জড়িয়েছিল তাঁর। এগারো সালের আগে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। ছাড়া পেয়েও তৃণমূলের বাধায় বাড়ি ফিরতে না পারছেন না বলে অভিযোগ তুলেছিলেন মজিদ মাস্টার। শেষে বাড়ি ফিরে ২০১৬ সাল নাগাদ সিপিএমের সদস্যপদ ছেড়ে রাজনীতি থেকে কার্যত অবসর নেন তিনি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) লক্ষ্মীর ভাণ্ডার খুবই জনপ্রিয়, প্রকল্পটি খুবই ভালো জানিয়ে মাস্টার মশাই বললেন, “বিজেপিকে আটকাতে পশ্চিমবঙ্গে যে দলগুলি আছে, তারমধ্যে একমাত্র তৃণমূল ছাড়া আমার চোখে এখন আর কেউ নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর আদর্শ মতো বিজেপির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন, প্রতিহত করার চেষ্টা করছেন। আমি এটা সমর্থন করি। বলতে আমার কোনও দ্বিধা নেই, সেই কারণেই ‘২১ সাল থেকে তৃণমূলকে ভোট দিচ্ছি। আগামী বিধানসভায় বিজেপিকে ঠেকাতে তৃণমূলকে ভোট দেব।”

বাম-আইএসএফ-কংগ্রেস জোট যে তিনি ভালো চোখে দেখছেন না, তাও স্পষ্ট করেন মজিদ। বলেন, “আইএসএফকে আমি সাম্প্রদায়িক দল বলেই মনে করি। সেই দলের সঙ্গে সিপিএমের আঁতাঁত শোভা পায় না। আমার যতটুকু জ্ঞান তাতে মেলে না। কংগ্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করে ভারতবর্ষের রাজনীতিতে সিপিএম প্রতিষ্ঠা পেয়েছে, সেই কংগ্রেসের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয় কী করে!” ছেড়ে আসা দলের বামপন্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁর মন্তব্য, “ওদের আমি বামপন্থী বলে ভাবি না।” এনিয়ে সিপিএমের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সম্পাদক পলাশ দাস বলেন, “নিজে না শুনে কোনও মন্তব্য করব না। তবে, যদি উনি বলে থাকেন, সম্পূর্ণ বিরোধিতা করছি।” হাড়োয়ার তৃণমূল বিধায়ক রবিউল ইসলাম বলেন, “মজিদ মাস্টারের ইতিহাস শাসনের সকলে জানেন। মানুষ জানে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১১-র পরে এখানে শান্তি ফিরিয়েছেন।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.