১১ মাঘ  ১৪২৮  মঙ্গলবার ২৫ জানুয়ারি ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

নামী বেসরকারি বিপণীর সঙ্গে গাঁটছড়া খাদ্য দপ্তরের, স্মার্ট কার্ড হাতে থাকলে মিলবে ছাড়

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: September 9, 2019 4:20 pm|    Updated: September 9, 2019 5:45 pm

West Bengal Govt. Food Department introduces smart card for all

সুমিত বিশ্বাস:  রাজ্যের রেশন দোকানগুলি থেকে খাদ্যদ্রব্য বণ্টনে চালু হচ্ছে স্মার্ট কার্ড। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সরকারি গণবণ্টন ব্যবস্থা নিয়ে ওঠা অনিয়ম ঠেকাতে আজ থেকে ব্লক, পুরসভায় শুরু হওয়া শিবির থেকেই এই স্মার্ট কার্ড দানের পদ্ধতি চালু হচ্ছে। যাঁরা সরাসরি রেশনের গ্রাহক নন, নতুন স্মার্ট কার্ডে তাঁদের জন্যও একাধিক সুবিধা থাকছে।  রেশন ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে এই নতুন পদ্ধতি বেশ কার্যকর হবে বলেই আশা সরকার এবং গ্রাহক – উভয়েরই।

[ আরও পড়ুন: বিল পাশের পরও অব্যাহত গণপিটুনি, আলিপুরদুয়ারে ফের মৃত্যু যুবকের]

শুধু গণবন্টনে পণ্য পেতে নয়। নিজের পরিচয়পত্র হিসেবে একটি নথি হাতে রাখার জন্য রেশন কার্ড নিতে হুড়োহুড়ি গ্রাহকদের মধ্যে। সে কথা উপলব্ধি করেই স্মার্ট কার্ড চালুর কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরের উপর দায়িত্ব পড়ে, নতুনভাবে স্মার্ট কার্ড বিলির মাধ্যমে সবটা সহজ করার। তাঁর নির্দেশ মেনেই সোমবার থেকে ফর্ম দেওয়া শুরু হয়েছে রাজ্যের ব্লক, পুরসভা এবং মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনগুলিতে। ৩৪৮ টি ব্লক, ১২৭ টি পুরসভা ও ২২টি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে ১৫দিনেরও বেশি সময় ধরে শিবির করছে খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর। ছুটির দিন ছাড়া ২৭ আগস্ট পর্যন্ত চলবে শিবির। রেশন কার্ড নিয়ে যাবতীয় সমস্যার সঙ্গে স্মার্ট কার্ড পেতে দশ নম্বর ফর্ম ফিল আপ হবে এই শিবিরে।
এই স্মার্ট কার্ডে থাকবে ‘নট ফর ফুড গ্রেন্স, ওনলি ফর নন পিডিএস’ লেখাটি। অর্থাৎ এই কার্ডটি হাতে থাকলে রেশন দোকান থেকে সাবান, টুথপেস্ট, ফিনাইল, মধু, ঘি-সহ গেরস্থালির যাবতীয় প্রয়োজনী জিনিস মিলবে। সূত্রের খবর, এই ফিউচার  গ্রুপের সঙ্গে রাজ্য সরকারের একটি চুক্তি হয়েছে। যে চুক্তি অনুযায়ী, নিত্যপ্রয়োজনীয় এসব সামগ্রী রেশন দোকানগুলিতে সরবরাহ করবে এই গ্রুপ। এবং রেশন দোকান থেকে তা কিনলে  ১০ থেকে ২৬ শতাংশ ছাড় মিলবে।

কীভাবে হাতে পাবেন এই স্মার্ট কার্ড? খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন রেশন কার্ড প্রদানের পাশাপাশি কার্ডে পরিবর্তন-সংশোধনের কাজও হবে এই ১৫দিনে। প্রতিটি ক্ষেত্রে আলাদা ফর্ম ফিল আপ করতে হবে।তিন নম্বর ফর্মে পরিবারকে ভরতুকিযুক্ত খাদ্য প্রাপকের তালিকায় অন্তর্ভুক্তি, চার নম্বরে পরিবারে নতুন সদস্য সংযোজন, পাঁচে নাম বা ঠিকানা ভুল সংশোধন, ছ’নম্বরে ডিলার পরিবর্তন, সাতে কার্ড বাতিল, আট নম্বরে রাষ্ট্রীয় খাদ্য সুরক্ষা যোজনা–টু থেকে ওয়ানে পরিবর্তনে করা ও ন’নম্বর ফর্মে কার্ড হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হয়ে গেলে পূরণ করতে হবে। যদিও রাজ্যের সমস্ত জায়গায় এখনও এই ফর্ম পৌঁছায়নি। ফলে কাজে খানিকটা বিলম্ব হচ্ছে। 

[ আরও পড়ুন: ছুটির বিকেলে চাপমুক্ত হতে পথে নেমে নাচ জুনিয়র ডাক্তারদের, ভাইরাল ভিডিও]

এছাড়া থাকছে দশ নম্বর ফর্ম। এর মাধ্যমে আগে রেশনের গ্রাহক ছিলেন, কিন্তু বর্তমানে আর রেশন পরিষেবা নিতে চান না, তেমন ব্যক্তিরাই স্মার্ট কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আর এই কার্ড হাতে পেলে ফিউচার গ্রুপের বিভিন্ন খাদ্যপণ্য নির্দিষ্ট ছাড়ে রেশন দোকান থেকে কেনার সুবিধা পাবেন গ্রাহকরা। এই সুবিধা প্রদানের ফলে একদিকে যেমন রাজ্যের সমস্ত মানুষকে সহজে সরকারি পরিষেবার আওতায় আনা যাবে, তেমনই পরিচয় পত্র হিসেবেও সকলের হাত থাকবে একটি নথি।

ছবি : অমিত সিং দেও।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে