৪ শ্রাবণ  ১৪২৬  শনিবার ২০ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কাটমানি ও আর্থিক দুর্নীতি বন্ধে তিনি যে নির্দেশ দিয়েছিলেন, সেটা যে নিতান্তই কথার কথা নয়, আবারও তা প্রমাণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ কাটমানি বন্ধে এবার আরও বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য প্রশাসন৷ রাজ্যের তৈরি করা ইকনমিক অফেন্স উইংয়ে নয়া পদ সৃষ্টি করল নবান্ন৷ এই উইংয়ের ডেপুটি ডিরেক্টর পদে বসানো হল বারাকপুরের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার তন্ময় রায়চৌধুরিকে৷

[ আরও পড়ুন: পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, বাম-কংগ্রেসের শান্তি মিছিলকে ঘিরে অশান্ত ভাটপাড়া]

এই উইংয়ের ডিরেক্টর পদে ইতিমধ্যেই নিয়োগ করা হয়েছে আইপিএস কে জয়রমণকে৷ এবার তাঁর সঙ্গেই সহকারী হিসাবে কাজ করবেন আইপিএস তন্ময় রায়চৌধুরি৷ যিনি আগে বারাকপুরের সিপি পদে নিযুক্ত ছিলেন৷ কিন্তু ভাটপাড়া কাণ্ডের পর তাঁকে সেই পদ থেকে সরিয়ে দেয় রাজ্য সরকার৷ এরপর তাঁকে নিয়োগ করা হয় ডিআইজি সিআইডি পদে৷ সূত্রের খবর, যবে থেকে দলীয় নেতাদের কাটমানি ফেরতের নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তবে থেকেই ভুরিভুরি অভিযোগ আসতে শুরু করেছে৷ এই সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখে দলমত নির্বিশেষে অভিযুক্তদের শাস্তি দেওয়ার জন্যই, মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপ বলে নবান্ন সূত্রে খবর৷ যেকোনও ধরনের আর্থিক দুর্নীতিরও তদন্ত করবে এই শাখা৷

[ আরও পড়ুন: জনরোষের মুখে পড়ে কাটমানি ফেরত দিলেন সিউড়ির তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি ]

উল্লেখ্য, কাটমানি ইস্যুতে সোমবারই একটা বড়সড় পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার৷ কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে ইতিমধ্যে ৪০৯ ধারা প্রয়োগের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন৷ দোষীদের যাবজ্জীবন কারাবাসে পাঠানোরও এবং কঠোর শাস্তির নিদান দিয়েছে নবান্ন। জনপ্রতিনিধি হোক বা সরকারি কর্মচারী, কাটমানি নিয়ে থানায় অভিযোগ জমা পড়লে আর যে রেহাই নেই, সে কথা আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কাটমানি নিয়ে অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। সোমবার নবান্ন থেকে রাজ্যের এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) জ্ঞানবন্ত সিং জানিয়ে দিয়েছেন কারও বিরুদ্ধে কাটমানির নালিশ জমা পড়লে ৪০৯ ধারায় মামলা হবে। দোষ প্রমাণিত হলে যার সাজা ১০ বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাবাস। রাজ্যের সমস্ত পুলিশ সুপারের কাছে এই মর্মে নির্দেশ জারি হয়ে গিয়েছে। জ্ঞানবন্তর কথায়, “সরকারি সম্পত্তি ও অর্থ তছরুপের মামলা দায়ের হবে। জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কাটমানি সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্ত করা হবে দ্রুত।” এরপরই মঙ্গলবার আরও একটি পদক্ষেপ নিল রাজ্য৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং