Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৪ জুন ২০২৬
Asansol

জন্ম থেকেই অসুস্থ সন্তান, ছেলে কোলে নিয়ে আত্মহত্যা মায়ের!

জন্মের পর থেকেই স্নায়ুরোগে ভুগছিল ওই মহিলার সন্তান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২৪, ১৬:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২৪, ১৬:২৪

options
link
জন্ম থেকেই অসুস্থ সন্তান, ছেলে কোলে নিয়ে আত্মহত্যা মায়ের! zoom
ছবি: প্রতীকী

সুব্রত বিশ্বাস: চার মাসের পুত্রসন্তান অসুস্থ। অনিশ্চিত ছিল তার সুস্থতা। আর সেই বিষয়টি মা নিকি কুমারীকে তিল তিল করে ভাবিয়ে তুলছিল। মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছিলেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তার মধ্যে ছিলেন দক্ষিণ পূর্ব রেলের গার্ড সঞ্জয় পঙ্কজ কুমার সুধাঙ্গিও। নিকিকে বাপের বাড়িতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

সেই মতো শনিবার পুরী-পাটনা এক্সপ্রেসে ট্রেন ধরে রওনা দেয় বিহারের বাঁকার উদ্দেশ্যে। সঙ্গে ছিলেন নিকির বাবা সুরেশ প্রতাপ ও বড় নাতি। নিকি ও ছোট ছেলের সুস্থতার জন্য দেশে পাঠানোর এই ব্যবস্থা যে দুজনের জীবনের যবনিকা টেনে আনবে তা ঘুণাক্ষরে টের পাননি সঞ্জয় ও তার শ্বশুর। ভোর রাতে ছোট ছেলেকে কোলে নিয়ে বাথরুমে যাওয়ার নাম করে সিট ছেড়ে যায় নিকি। সবার অলক্ষ্যে নেমে পড়ে সীতারামপুর স্টেশনে। এর পর অন্য ট্রেনের অপেক্ষা করতে থাকে। দূর থেকে ছুটন্ত ট্রেন আসতে দেখে লাইনের উপর চার মাসের সন্তানকে নিয়ে শুয়ে পড়েন। গার্ড হর্ন দিলেও কর্ণপাত করেননি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত সেই মহিলা। ঘটনাস্থলে দুজনে মারা যান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: নিঃসন্তান মহিলাকে দিনরাত গঞ্জনা! শাশুড়িকে ‘খুন’ করে আত্মসমর্পণ গৃহবধূর

এদিকে, চলন্ত ট্রেনের মধ্যে স্ত্রী ও ছোট ছেলেকে না দেখে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন পঙ্কজ ও তার শ্বশুর। খবর যায় সিকিউরিটি কন্ট্রোল রুমে। এর পর সীতারামপুর স্টেশনের মাস্টারের রিপোর্টে সন্দেহ হওয়ায় সুরক্ষা বিভাগ ট্রেনে উপিস্থিত রেলকর্মীদের বিষয়টি জানান। ট্রেন থেকে নেমে পড়েন পঙ্কজরা। তারাই মৃত নিকি ও তার সন্তানকে শনাক্ত করেন। মেয়ে ও নাতিকে এভাবে হারিয়ে শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েন বৃদ্ধ সুরেশ প্রতাপ।

পঙ্কজ পুলিশকে জানিয়েছে, ছোট ছেলে জন্মের পর থেকেই নার্ভের রোগে আক্রান্ত। সেই নিয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিল মা নিকিও। তাদের সুস্থতার জন্য দেশে পাঠানো হচ্ছিল। কিন্তু ভাবতেই পারিনি এমন অঘটন ঘটে যাবে। হাওড়ার রেল পুলিশ সুপার পঙ্কজ কুমার দ্বিবেদী জানিয়েছেন, সন্তানের অসুস্থতায় দুশ্চিন্তায় ছিলেন মা। তাই এই আত্মহত্যার ঘটনা। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: প্রার্থী হয়েই প্রচারে ঝড় তুললেন সায়ন্তিকা, চ্যালেঞ্জ বিজেপিকে]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.