Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Jhargram Durga Puja

রাজনীতির পর দুর্গাপুজোতেও ঝালমুড়ি, অভিনব থিমে সাজছে বাংলার এই মণ্ডপ

রাজনীতির কথা মাথায় রেখে থিমভাবনা নাকি নেপথ্যে রয়েছে অন্য কোনও কারণ, কী বলছেন পুজো উদ্যোক্তারা?

সুনীপা চক্রবর্তী
সুনীপা চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬, ১৮:২৭

link
সুনীপা চক্রবর্তী
সুনীপা চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬, ১৮:২৭

options
link
রাজনীতির পর দুর্গাপুজোতেও ঝালমুড়ি, অভিনব থিমে সাজছে বাংলার এই মণ্ডপ zoom
ছবি: এআই দ্বারা নির্মিত
Advertisement

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটপ্রচারে ঝাড়গ্রাম সফরে গিয়ে ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। ঝালমুড়ি বিক্রেতা বিক্রমকুমার সাউ ওরফে ‘বিহারীবাবু’ যেন রাতারাতি ‘হিরো’ হয়ে যান। তারপর থেকেই রাজনীতির আঙিনায় চর্চায় ঝালমুড়ি। দুর্গাপুজোর সময়েও সমান প্রাসঙ্গিক সেই ঝালমুড়ি। ঝাড়গ্রামের গিধনি স্পোর্টিং ক্লাবের থিমভাবনা মুখরোচক বাঙালি স্ন্যাকস।

Jhargram Jhalmuri vendor celebrates PM Narendra Modi's birthday
ঝাড়গ্রামের বিক্রম কুমার সাউয়ের ঝালমুড়ির দোকানে প্রধানমন্ত্রী। ফাইল ছবি

চলতি বছর এই পুজো ৮২ বছরে পা দিল। এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে কমপক্ষে ৫০০ জন সদস্য। প্রতি বছর পুজোর মাধ্যমে কোনও বার্তা দেওয়া হয়। এবার মণ্ডপে ঝালমুড়ির জনপ্রিয়তা তুলে ধরা হবে। দেখানো হবে বিক্রেতাদের জীবনযাপনও। মণ্ডপের সামনে প্রায় ৬ ফুট উচ্চতার দু’টি ঠোঙা থাকবে। আর তার উপরে লঙ্কা ও লেবুও থাকবে। ট্রেনে যেভাবে ঝালমুড়ি বিক্রি করা হয় সেই আদলে তৈরি করা হচ্ছে মণ্ডপ। কমপক্ষে দু’হাজার টিন দিয়ে মুড়ির বিরাট পাত্র তৈরি করা হচ্ছে। শিল্পী সুমন দত্তের হাতের ছোঁয়ায় সাজছে মণ্ডপ। তিনি জানান, মণ্ডপের ভিতরে নানা ধরনের মডেল থাকবে। কেউ ট্রেনে কিংবা কেউ মেলা, দোকান কিংবা স্টেশনের বাইরে ঝালমুড়ি বিক্রি করার মডেলও থাকবে। এছাড়া মণ্ডপের ভিতরে দশ হাজার ঝালমুড়ির ঠোঙা ঝোলানো হবে। এই মণ্ডপ দেখে দর্শকরা ঝালমুড়ির লোভ সামলাতে পারবেন না বলেই আশা শিল্পীর।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পুজো উদ্যোক্তাদের দাবি, এই পুজোর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। বরং বাঙালির নস্টালজিয়াকে জাগিয়ে তুলতেই প্রিয় স্ন্যাকস ঝালমুড়িকে থিম হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছে। পুজো উদ্যোক্তাদের দাবি, একে তো মণ্ডপ সাজাতে কাগজ ব্যবহার করা হচ্ছে। যা পরিবেশবান্ধব। আবার ঝালমুড়ি বিক্রি করে নানা ধর্ম-বর্ণের মানুষ পেট চালান। তাই ঝালমুড়ি থিমের মাধ্যমে সম্প্রীতির বার্তাও দেওয়া সম্ভব। সে কারণেই ব্যতিক্রমী ভাবনা। এই পুজোয় দেবী আরাধনার পাশাপাশি রক্তদান, স্বাস্থ্যপরীক্ষা শিবির এবং বস্ত্র বিতরণও করা হয়। এবার তার কোনও ব্যতিক্রম হচ্ছে না। ঝালমুড়ি থিমের কথা শুনে বেজায় খুশি বিক্রমকুমার সাউ ওরফে বিহারীবাবু। পুজোয় এবার লক্ষ্মীলাভ অনেকটা বাড়বে বলেই আশা তাঁর।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.