Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Durga Puja

চোখের আঁধার ঠেলে পুজো আসে না স্টেশনের অন্ধ ভিখারিনীর জীবনে

দৃষ্টিশক্তি কোনওদিনই নেই, সঙ্গী বলতে কেবল হাতের পুরনো স্টিলের গ্লাসখানা। তাতে দিনে বড়জোর শ'খানেক টাকা জমে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬, ১৭:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬, ১৭:৩৪

options
link
চোখের আঁধার ঠেলে পুজো আসে না স্টেশনের অন্ধ ভিখারিনীর জীবনে zoom
জীবন কত দীর্ঘকাল যে ভিক্ষা করে কাটাচ্ছেন, তার হিসেব রাখেন না বৃদ্ধা।
Advertisement

পুজো কি সবার? পুজো যেমনভাবে আসে আমার আপনার জীবনে, তেমনভাবে কি সকলের জীবনেই আসে? পুজোর আলো কি কাটাতে পারে সকলের জীবনের আঁধার?

এ কাহিনী এমন এক অন্ধ ভিক্ষুকের, আলোর সঙ্গে যার পরিচয় হয়নি কোনওদিনই। রোজের ঠিকানা পাকাপাকিভাবে রেল স্টেশন। রেলগাড়ির কু-ঝিক-ঝিক শব্দের ঝংকারে প্রতিনিয়ত তাঁর বলে চলা, “বাবা, দুটো টাকা দেবে গো?” কে কী করেন, কাকে কেমন দেখতে, কে কী বলেন, ভ্রুক্ষেপ নেই তাঁর! কারণ, বহু শব্দ, কাহিনির ভিড়ে শুধুই অন্ধকারকে আপন করতে হয়েছে তাঁকে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Durga Puja 2026: Blind Elderly Woman’s Struggle for Survival at Railway Station

শিয়ালদহ ডিভিশনের দমদম স্টেশনের সাবওয়ে, কখনও প্লাটফর্মে, নোংরা ধরা তেল চিটচিটে লাঠি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন বৃদ্ধা। হাতে আদি অনন্তকালের এক স্টিলের গ্লাস! ঢন ঢন আওয়াজের মাঝখানেই তিনি বলে চলেন কষ্টকথা! কী নাম, কোথায় তাঁর বাড়ি, কেন এখানে, কেন এই পরিণতি! কিছুই তেমন মনে নেই! বৃদ্ধ, অসুস্থ শরীরের সঙ্গেই মাথা কাজ করে না আর! কেউ তাঁকে ‘রাগী বুড়ি’ বলেন, কেউ আবার ‘অন্ধ বুড়ি’! নদীর স্রোতের মতো তাঁর জীবন, যা আসে ভাসিয়ে নিয়ে চলে শুধু!

আমরা কে, কেন এত প্রশ্ন! জিজ্ঞাসা কম নেই তাঁর। তবুও বলতে শুরু করলেন স্টেশনের দিদা! তাঁর কথায়, “পুজো বলে এ জীবনে আমার কিছু জানা নেই (Durga Puja 2026)। চোখেই দেখি না আর পুজো! লোকজন বলে আজ দুর্গাপুজো, একটু আয় বেশি হয়!” চোখ শুষ্ক, জল আসার মতো জায়গাই নেই তাতে!

তাঁর দাবি, “বাড়ি যাই। কবে, কখন, কেউ দেখে না কেন, এসব বলব না। কিন্তু জ্ঞান হওয়া থেকে চোখে দেখি না, আমরা তো আর মানুষ না ভাই, নর্দমার মতো!” দিদা বড্ড রাগী গোছের! বেশি কথায় রেগে যান বারবার! আসলে একটু সময় না পেলে পেট চলবে কীভাবে? দিনে রোজগার মেরেকেটে শ’খানেক টাকা। ওষুধ জোটে না তেমন। পরিষ্কার শাড়ি না পরলে, ছুঁয়েও দেখেন না কেউ। স্টেশন ফাঁকা হয়েছে আগের চেয়ে। বেশিক্ষণ দাঁড়ালে পুলিশ তাড়ায়।

পুজোয় কী চান? উত্তর আসে, “মরতে চাই এবার, আমি তো বুড়ি, আর কতদিন?”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.