Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Oil diplomacy

রুশ তেল কিনতে আমেরিকার ‘অনুমতি’র তোয়াক্কা করে না ভারত

ভারত তাদের মোট তেলের প্রয়োজনের ৮৫ শতাংশই মেটায় আমদানি মারফত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২৬, ১১:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২৬, ১১:২৬

options
link
রুশ তেল কিনতে আমেরিকার ‘অনুমতি’র তোয়াক্কা করে না ভারত zoom
ফাইল ছবি।

৩০ দিনের জন্য রাশিয়া থেকে তেল কিনতে পারবে ভারত। সম্প্রতি এই ‘অনুমতি’ দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর থেকেই বিরোধীদের খোঁচার মুখে পড়তে হয়েছে মোদি সরকারকে। প্রশ্ন উঠেছে, আমেরিকা কী করে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য ভারতকে ‘অনুমতি’ দিতে পারে? কিন্তু সত্যিই কি এমন ‘অনুমতি’ দিয়েছে ওয়াশিংটন? নাকি এই ধারণাটায় রয়ে যাচ্ছে এক ধরনের ভ্রান্তি? বাস্তবটা ঠিক কী?

ভারত তাদের মোট তেলের প্রয়োজনের ৮৫ শতাংশই মেটায় আমদানি মারফত। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির হিসেব বলছে, রাশিয়া এখনও ভারতের সবচেয়ে বড় অপরিশোধিত তেলের সরবরাহকারী। দৈনিক ১০ লক্ষ ব্যারেল মস্কো থেকে আমদানি করে নয়াদিল্লি। অর্থাৎ দেশের তেল আমদানির ২৫ থেকে ৩০ শতাংশই আসছে রাশিয়া থেকে। এই ফেব্রুয়ারিতেও। কেবল এই পরিসংখ্যানই ‘অনুমতি’র ধারণাকে নস্যাৎ করে দিতে পারে।

Advertisement

ভারত তাদের মোট তেলের প্রয়োজনের ৮৫ শতাংশই মেটায় আমদানি মারফত। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির হিসেব বলছে, রাশিয়া এখনও ভারতের সবচেয়ে বড় অপরিশোধিত তেলের সরবরাহকারী।

যদি সত্যিই রাশিয়া থেকে তেল কিনতে আমেরিকার ‘অনুমতি’ নিতে হত, তাহলে এই বিপুল পরিমাণে রুশ তেল আমদানি সম্ভব হত না! এর কারণ ভারতের তেল কেনার নেপথ্যে রয়েছে একটাই নীতি- দেশের ১৪০ কোটি মানুষের শক্তি সুরক্ষা নিশ্চিত করা। তেল কোনও কূটনৈতিক বিষয় মাত্র নয়। বলা যায়, তা হল এক ধরনের কৌশলগত প্রয়োজনীয়তা।

২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ভারতের কাছে রুশ তেলের আকর্ষণ আরও বেড়ে যায়। কেননা তা পাওয়া যাচ্ছিল আকর্ষণীয় ছাড়ে। এই পরিস্থিতিতেও আমেরিকার সঙ্গে এই নিয়ে কথা চালিয়ে গিয়েছে ভারত। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলির সঙ্গেও চালিয়েছে আলোচনা। আসলে বৃহত্তর অর্থনীতির দেশগুলির মধ্যে কূটনীতির অন্যতম বিষয়ই হল এই ধরনের বাণিজ্য-দরাদরি। ফলে এক্ষেত্রে ‘অনুমতি’ শব্দটি একেবারেই ভ্রান্তির। ভারত নিজেদের অবস্থান বারবার পরিষ্কার করে দিয়েছে। সেক্ষেত্রে এমন ভ্রান্তির কোনও জায়গা নেই। এমনই মনে করে ওয়াকিবহাল মহল।

প্রশ্ন উঠেছে, আমেরিকা কী করে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য ভারতকে ‘অনুমতি’ দিতে পারে? কিন্তু সত্যিই কি এমন ‘অনুমতি’ দিয়েছে ওয়াশিংটন? নাকি এই ধারণাটায় রয়ে যাচ্ছে এক ধরনের ভ্রান্তি?

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.