Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Poison in hotel and restaurant food

হোটেল রেস্তরাঁর খাবারে বিষ! দায় কে নেবে?

খাদ্য সুরক্ষা দফতরের অধীনে যে অভিযান চলছে, তার 'ফাইন্ডিংস' হল: সংরক্ষণ প্রক্রিয়ায় গরমিল। কী করে সংরক্ষণ করা হবে খাবার?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬, ১০:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬, ১০:৪৫

options
link
হোটেল রেস্তরাঁর খাবারে বিষ! দায় কে নেবে? zoom
এআই ছবি।
Advertisement

বিখ্যাত শেফ সঞ্জীব কাপুরকে জিজ্ঞেস করেছিলেন একজন সাংবাদিক- ফাইভ স্টার হোটেলে বেঁচে যাওয়া খাবার নিয়ে কী করা হয়? প্রশ্নটি শুনে হেসে ফেলেছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই ‘মাস্টার শেফ’। কারণ, এটি জামাই ঠকানো গোত্রের প্রশ্ন। যদি বলা হয়, বেঁচে যাওয়া খাবার সব ফেলে দেওয়া হয়, তাহলে গেল-গেল রব উঠবে। বলা হবে, দেশের এত মানুষ যেখানে খেতে পায় না, সেখানে খাবার নষ্ট করা হচ্ছে কীভাবে। আর যদি বলা হয় আমরা সব খাবার রেখে দিই, তাহলে বলা হবে, ফাইভ স্টারে ‘পুরনো’ খাবার সার্ভ করা হয়। উপভোক্তাগণ টাকা দিয়ে বাসি খাবার খাবে কেন? সাংবাদিককে তাই বলেন সঞ্জীব কাপুর- আপনি যে অ্যাঙ্গেলই দিতে চাইবেন, সেটি অসম্পূর্ণ। খণ্ডিত। বরং ভাবুন, বাড়িতে কী করেন। বাড়িতে কখনও লাগামছাড়া খাবার তৈরি করা হয় না। যতজন সদস্য, যেমন চাহিদা, সেই অনুযায়ী খাবার তৈরি করা হয় বাড়িতে। এরপরেও খাবার বেঁচে গেলে, তা ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয়। তবে ফ্রিজে রাখার ব্যাপারেও একটি ঊর্ধ্বসীমা মানতে হয়। ‘আনলিমিটেড’ সময় অবধি ফ্রিজে খাবার রাখা যায় না। ফাইভ স্টারও তাই করে। চাহিদা মতো খাবার তৈরি করা হয়। এরপরেও বেঁচে গেলে, সেই খাবার বাড়ির পদ্ধতি মেনে সংরক্ষণ করা হয় ফ্রিজে। অর্থাৎ সঞ্জীব যেটি বলতে চাইছেন, কোনও ‘রাসায়নিক উপাদান’ দেওয়া হয় না খাবার সংরক্ষণের জন্য।

কলকাতা পুরসভা ও খাদ্য সুরক্ষা দফতরের অধীনে যে খাদ্যাভিযান চলছে, তার ‘ফাইন্ডিংস’ হল: সংরক্ষণ প্রক্রিয়ায় গরমিল। বেঁচে যাওয়া খাবারকে কেমন করে সংরক্ষণ করা হবে, তাতে শরীরের পক্ষে বিপজ্জনক কোনও রাসায়নিক উপাদান ব্যবহৃত হয়েছে কি না- সে নিয়ে চুলচেরা অনুসন্ধান চলছে। এবং যে ফলাফল উঠে আসছে-তা হতাশাজনক। যে ধরনের রাসায়নিক উপাদান প্রযুক্ত হচ্ছে, তা মানব শরীরের জন্য আদৌ উপযোগী নয়। দ্বিতীয়ত, বহু ক্ষেত্রে নিয়মবিধির পরোয়া না করে খাবার সংরক্ষিত হচ্ছে। সেজন্য খাবারের ‘গুণমান’ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। খাবারে ছত্রাক পাওয়া যাচ্ছে। বা, ফ্রিজ থেকে উদ্ধার হচ্ছে বহু দিন ধরে রেখে দেওয়া কাঁচা মাছ-মাংস ইত্যাদি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ঘরের খাবারের স্বাদে একঘেয়েমি এলে আমরা বাইরের খাবার চেখে দেখি। কিন্তু সে-খাবার যদি বিষক্রিয়া তৈরি করে, বা শরীরে পক্ষে হানিকারক সাব্যস্ত হয়, তাহলে বাইরের খাবার কেন খাবে মানুষ? মানুষ বাইরের খাবার খায় অনেক সময় বাধ্য হয়েও। কিন্তু মনে সন্দেহ ও সংশয় ঢুকে পড়লে আস্তে আস্তে মানুষ হয়তো বাইরের খাবার কনজিউম করার পরিমাণ কমিয়ে দেবে। বা, বাইরের খাবার পারতপক্ষে খাবে না। তাতে কি বিপুল অংশের মানুষের ব্যবসায় টান পড়বে না? অর্থনীতির চাকায় মন্থরতার প্রলেপ পড়বে না? কিছু মানুষের বোধবুদ্ধিহীনতা ও অসাধু মানসিকতার কারণে খাদ্য মার্কেট বিপদাপন্ন। এর দায় কে নেবে? মানুষ সরল বিশ্বাসে বাইরের খাবার খায়। সেই বিশ্বাস নিয়ে ছিনিমিনি খেলা উচিত নয়। বিশ্বাসভঙ্গের অভিশাপ প্রত্যাঘাত করে দ্বিগুণ অভিঘাতে, ভুললে হবে না।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.