Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬

‘সরকারি সম্পত্তি নষ্ট আন্দোলনের পদ্ধতি নয়’, প্রতিবাদের ধরন বদলানোর আবেদন দেবের

গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আন্দোলনের আবেদন দেবের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০১৯, ২১:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০১৯, ২১:১৩

options
link
‘সরকারি সম্পত্তি নষ্ট আন্দোলনের পদ্ধতি নয়’, প্রতিবাদের ধরন বদলানোর আবেদন দেবের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি রাজ্যের বিভিন্ন অংশে। রোজ নিত্যনতুন জায়গায় শুরু হচ্ছে বিক্ষোভ। টায়ার জ্বালিয়ে, কুশপুতুল পুড়িয়ে, ট্রেনে ভাঙচুর, রাস্তা অবরোধের মধ্যে দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছে মানুষ। বিক্ষুব্ধ বিদ্বজ্জনেরাও। কিন্তু বিক্ষোভের পথে না গিয়ে শান্ত প্রতিবাদের পথ বেছে নেওয়ার আবেদন জানান তাঁরা। ব্যতিক্রম নন অভিনেতা দেবও। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করেছেন অভিনেতা। সেখানে তিনি জনগণকে আইনি হাতে তুলে না নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।

ইনস্টাগ্রামে একটি জাতীয় পতাকার ছবি পোস্ট করেছেন দেব। তার ক্যাপশনে তিনি জনগণের জন্য বার্তা দিয়েছেন। অভিনেতা লিখেছেন, “দেশে সরকার থাকবে, সরকার আইন কানুন তৈরি করবে। পছন্দ না হলে তার প্রতিবাদ করাটাই স্বাভাবিক। প্রতিবাদ করুন, আন্দোলন হোক কিন্তু আইন হাতে নেওয়া বা সরকারি সম্পত্তিতে আগুন লাগানো গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পদ্ধতি নয়। এগুলো করবেন না! বিনম্র অনুরোধ।”

Advertisement

[ আরও পড়ুন: CAA’র প্রতিবাদ, মোদি-শাহকে ‘শকুনি ও দুর্যোধন’ বলে কটাক্ষ সিদ্ধার্থের ]

CAA’র বিরোধিতায় প্রথম দিন থেকে ফুঁসতে শুরু করে অসম। আঁচ পড়ে বাংলাতেও। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা ও হাওড়ার উলুবেড়িয়াতেও শুরু হয় বিক্ষোভ। উলুবেড়িয়ায় বিক্ষোভকারীরা ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়ে। তাতে ট্রেনের চালক গুরুতর জখম হন। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা স্টেশনেও। রেল অবরোধে বাধা দিতে গেলে বেধড়ক মারধর করা হয় আরপিএফ কর্মীদের। স্টেশনে ভাঙচুর এবং আগুনও লাগিয়ে দেওয়া হয়। আগুন এতটাই ভয়াবহ ছিল যে পরের দিনও স্টেশন চত্বর নিরাপদ ছিল না। অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় কোনা এক্সপ্রেসওয়েতেও। সাঁকরাইল স্টেশনে কল্ট্রোল রুম তথনছ করে দেয় বিক্ষোভকারীরা। এছাড়া উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও ছড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভ। অবরোধ করা হয় কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে। কলকাতার ওয়েলিংটন মোড় এবং পার্ক সার্কাসের সেভেন পয়েন্টে পথ অবরোধ করা হয়।

এমন পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যবাসীর কাছে আবেদন জানান, সাধারণ মানুষের অসুবিধা না করে যেন প্রতিবাদ চালানো হয়। বলেন, “গণতান্ত্রিক পথে আন্দোলন করুন, কিন্তু আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না।” একই সুর রাজ্যের বিদ্বজ্জনদের গলাতেও। অপর্ণা সেন, বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত, আবুল বাশার, রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত-সহ অনেকেই হিংসার পথ ছেড়ে শান্তির প্রতিবাদে শামিল হওয়ার আবেদন জানান। বলেন, আন্দোলন করা হোক গণতান্ত্রিক পথে। শান্তি বজায় রেখে। প্রতিবাদ হোক সংযত। এবার অভিনেতা দেবও তাঁদের পথে হাঁটলেন।

[ আরও পড়ুন: গান্ধী পরিবার নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জের, জেল হেফাজত অভিনেত্রী পায়েল রোহাতগির ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.