২০ শ্রাবণ  ১৪২৭  বুধবার ৫ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

মানবিক মিমি, নিজে কোয়ারেন্টাইনে থেকেও পথ কুকুরদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা সাংসদের

Published by: Sandipta Bhanja |    Posted: March 31, 2020 1:57 pm|    Updated: March 31, 2020 1:57 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর” স্বামী বিবেকানন্দের এই বাণী কিন্তু মনে-প্রাণে বিশ্বাস করেন সাংসদ-অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। এর আগেও একাধিকবার তার প্রমাণ দিয়েছেন। আর তাই নিজে হোম কোয়ারেন্টাইনে থেকেও রাস্তার চারপেয়েদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করলেন যাদবপুরের সাংসদ মিমি চক্রবর্তী।

এই কঠিন পরিস্থিতিতে কুকুরা যাতে অভুক্ত না থাকে, নিজের দলের সদস্যদের নিয়ে সে ব্যবস্থাও করেছেন মিমি। সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েকটি ছবি শেয়ার করে তিনি জানিয়েছেন, “আমাদের সবার পাশাপাশি ওদের জন্যও সময়টা খারাপ। তাই আমার লোকসভায় আমার দলের শুভম, তাঁর কয়েকজন বন্ধুদের নিয়ে কুকুরদের জন্য একটু খাবার নিয়ে ছোটাছুটি করছে গত কয়েকদিন ধরে।” “মানুষ যখন নিজেরাই নিজেদের জন্য সংরক্ষণ করতে ব্যস্ত তখন ওদের জন্য খাবার কই?” প্রশ্ন তুলেছেন সাংসদ। পাশাপাশি তিনি এও বলেন যে, “ওরা তো মুখ ফুটে কিছু চায়ও না আমাদের থেকে!  তাই আমার, আপনার যৌথ প্রচেষ্টায় একটু কিছু থাকুক না ওদের জন্য, ওরাই তো বিনা পারিশ্রমিকে পাহারা দিয়ে যাচ্ছে সবার এলাকায় এই দুর্দিনের মধ্যেও। আসুন না আমরাও একটু ‌এ‌গিয়ে আসি ওদের জন্য।”  

আগামী ৩ সপ্তাহের জন্য গোটা দেশ লকডাউন। ঠিক আমি, আপনি বা আমরা এসময়ে নিজেদের খাদ্যসংস্থানের কথা ভাবছি, যে বাড়ির চাল-ডাল ফুরলে হঠাৎ কোথায় কী পাব! যদিও অত্যাবশকীয় দ্রব্য পাওয়া যাচ্ছে, কিন্তু এই লকডাউন পরিস্থিতিতে বাড়ির বাইরে পা রাখার সাহস খুব কেউ একটা করছেন না! রেস্তরাঁ কিংবা ফুটপাতের খাবারের দোকানগুলোও বন্ধ। অতঃপর ওদের খাবার জুটবে কোথা থেকে? এখন তো অবহেলায় দু’টুকরো রুটি কিংবা বিস্কুট ছুঁড়ে দেওয়ারও কেউ নেই! সবাই হোম কোয়ারেন্টাইনে। তবে মানবতার খাতিরে ওদের জন্যই এগিয়ে এলেন মিমি চক্রবর্তী।

[আরও পড়ুন: লকডাউনে সব নিরাপত্তারক্ষীদের খাবারের দায়িত্ব নিলেন, সলমনের বাড়িতেই হচ্ছে রান্না]

উল্লেখ্য, এবছর শীতকালীন অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনেও ‘অ্যানিমেলস রাইটস’ নিয়ে বক্তব্য রেখেছিলেন সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। কেন তাঁর বক্তব্যে পশুদের কথা প্রাধান্য পেল? সেই প্রশ্ন ছুঁড়তেই উত্তরে তারকা সাংসদের জবাব, আমাদের দেশে পশুদের নিয়ে আইন এখনও ঢিলেঢালা। আমরা মানুষেরা নিজের সুবিধে-অসুবিধের কথা তুলে ধরতে পারি। কিন্তু, অবলা প্রাণীগুলো পারে না। কুকুর কিংবা বিভিন্ন জন্তুদের গায়ে অনেক সময়েই আগুন ধরিয়ে দেওয়া, তাদের উপর গরম জল ঢালার মতো বিভিন্ন অত্যাচার করার ঘটনাও দেখা গিয়েছে একাধিকবার। সেগুলোর বিরুদ্ধে আমাদেরই এগিয়ে আসা উচিত। বরং কড়া আইন প্রণয়ন হলে এরকম জঘন্য অপরাধগুলোর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো আরও সহজ হবে বলে করেন সাংসদ মিমি। প্রসঙ্গত, NRS-এ কুকুর নিধন কাণ্ডের সময়ও দৃঢ় কণ্ঠে প্রতিবাদ করেছিলেন মিমি চক্রবর্তী। সাংসদের যে পোস্ট ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠেছিল।  

[আরও পড়ুন: করোনা আতঙ্কের মাঝেই স্ত্রী টুইঙ্কলকে নিয়ে হাসপাতালে কেন ছুটলেন অক্ষয়? জানুন সত্যিটা]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement