Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Elvish Yadav

‘ফ্রিতে গাজর দেব’, ‘খরগোশ জনতা পার্টি’ খুলে নিজেকে ‘প্রধানমন্ত্রী’ ঘোষণা এলভিশ যাদবের

'আরশোলা'র পর এবার ট্রেন্ডিং 'খরগোশ জনতা পার্টি'। বিতর্কিত ইউটিউবারের কর্মকাণ্ডে সরগরম সোশাল পাড়া।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২৬, ১৫:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২৬, ১৫:২৪

options
link
‘ফ্রিতে গাজর দেব’, ‘খরগোশ জনতা পার্টি’ খুলে নিজেকে ‘প্রধানমন্ত্রী’ ঘোষণা এলভিশ যাদবের zoom
'খরগোশ জনতা পার্টি' খুলে নিজেকে 'প্রধানমন্ত্রী' ঘোষণা এলভিশ যাদবের
Advertisement

ককরোচ জনতা পার্টির তুমুল জনপ্রিয়তার মাঝেই নতুন দলের ঘোষণা ইউটিউবার এলভিশ যাদবের (Elvish Yadav)। বছর দুয়েক আগে প্রমোদ পার্টিতে সাপের বিষ জোগান দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তার পর জামিন। কিছুটা স্বস্তি নিঃশ্বাস ফেলে পঁচিশ সালেই কেরিয়ারের মোড় ঘুরিয়েছেন গুরুগ্রামের বিতর্কিত ইউটিউবার। এবার দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি নিয়ে ব্যাঙ্গাত্মক খোঁচা দিয়ে ফের চর্চার শিরোনামে এলভিশ।

ক্ষোভের আগুনে জন্ম নেওয়া এই সরকার বিরোধী ‘আরশোলা’ পার্টিতে রীতিমতো বুঁদ আট থেকে আশির প্রজন্ম। এমনকী নাম লিখিয়েছেন বিজেপির বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরগুলির নেতা-মন্ত্রীরাও! সেলেবরাও ককরোচের স্রোতে ভেসেছেন। এমন আবহে সংশ্লিষ্ট দলকে বিঁধতে ব্যাঙ্গাত্মক স্ট্র্যাটেজি এলভিশ যাদবের।

ককরোচ জনতা পার্টিকে পালটা জবাব ছুড়তে বুধবার নিজস্ব দল ঘোষণা করেছেন ইউটিউবার তথা ‘বিগ বস ওটিটি’ বিজয়ী এলভিশ যাদব। সদ্য সোশাল পাড়ায় ‘ব্যাঙের ছাতা’র মতো গজিয়ে ওঠা ‘সিজেপি’ দলের জনপ্রিয়তা ক্রমশ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। ক্ষোভের আগুনে জন্ম নেওয়া এই সরকার বিরোধী ‘আরশোলা’ পার্টিতে রীতিমতো বুঁদ আট থেকে আশির প্রজন্ম। এমনকী নাম লিখিয়েছেন বিজেপির বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরগুলির নেতা-মন্ত্রীরাও! সেলেবরাও ককরোচের স্রোতে ভেসেছেন। এমন আবহে সংশ্লিষ্ট দলকে বিঁধতে ব্যাঙ্গাত্মক স্ট্র্যাটেজি এলভিশ যাদবের। ১০ জুন, বুধবার, খরগোশ জনতা পার্টির (Khargosh Janata Party) সূচনা করলেন তিনি। আর দলের প্রথম প্রতীক, পোস্টার থেকে স্লোগান প্রকাশ্যে এনেই সাড়া ফেলে দিয়েছেন ইউটিউবার।

Advertisement

খরগোশদের সমাবেশ নিয়ে তৈরি পোস্টারে কৌতুকপূর্ণ ইস্তাহারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দলের সূচনা করেছেন এলভিশ। ‘খরগোশ জনতা পার্টি’র স্লোগানও কেতাদুরস্থ। পোস্টারে উল্লেখ- ‘তীক্ষ্ণ বুদ্ধি, লম্বা কান এবং গাজর-চালিত উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।’ পাশাপাশি, তাদের তিন দফা কর্মসূচিতে ‘গাজর’কে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এবং সব খরগোশদের ঐক হওয়ার ডাক দিয়েছেন এলভিশ। শুধু তাই নয়, এলভিশের প্রতিশ্রুতি, দিল্লির যন্তর মন্তরের সমানে জমায়েত করলে, প্রত্যেকের হাতে বিনামূল্যে গাজর তুলে দেওয়া হবে। এহেন ইস্তেহারে যে সরকারি ‘ফাঁকা’ প্রতিশ্রুতিকেই বিঁধেছেন, তা বলাই বাহুল্য। এখানেই শেষ নয়! ‘খরগোশ জনতা পার্টি’র নামে একটি আলাদা সোশাল মিডিয়া পেজ খুলে কৌতুকচ্ছলে নিজেকে দলের প্রতিষ্ঠাতা এবং ‘প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবেও ঘোষণা করেছেন তিনি। এহেন পোস্টার কিংবা স্লোগানেই স্পষ্ট যে, ইউটিউবার আদতে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক আবহকে বিঁধেই এহেন কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছেন। যে পার্টি কিনা ইতিমধ্যেই সোশাল পাড়ায় চর্চার শিরোনামে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.