ইদ মানেই উৎসবের আমেজ। খুশির রোশনাই। অতিথি আপ্যায়ন, খাওয়াদাওয়ার বিশেষ আয়োজন। ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকেই কাজ সেরে কলকাতা থেকে স্বভূমে বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছেন জয়া আহসান। গোটা রমজান মাসজুড়ে রোজা রেখে রান্নাবান্না করেছেন। রমদান স্পেশাল সেসব রঙিন মুহূর্তও অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী। যদিও চলতিবারে ভাই দুবাইয়ে আটকে থাকায় জয়ার ইদ উদযাপনের আনন্দে খানিক ভাঁটা পড়েছে, তবে মনখারাপকে সঙ্গী করেই আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে এই বিশেষ দিন উদযাপনের আয়োজন করেছেন তিনি। শনিবার, ইদের দিনটা কেমনভাবে কাটাচ্ছেন জয়া আহসান? জানালেন সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল-কে।
“ইদের সকালে প্রথমকাজ হচ্ছে স্নান করে মা এবং বাড়ির গুরুজনদের সালাম করা। এটাই রীতি। আমিও সেভাবেই দিন শুরু করলাম। মনখারাপের মাঝেও বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেছি। দুপুরে আমার বোন এবং পরিবারের বাকি সদস্যরা এসেছেন।…”
আরও পড়ুন:
কলকাতায় দুর্গাপুজোর মরশুমে যেমন আলোয় মুড়ে থাকে শহর, তেমন ইদের মরশুমে সেজে ওঠে ঢাকাও। জানা গেল, চাঁদ রাত থেকেই অভিনেত্রীর বাড়িতে অতিথি আপ্যায়নের তোড়জোড় শুরু হয়েছে। জয়া বললেন, “আমাদের কাছে চাঁদ রাত ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। এদিন রকমারি রান্নাবান্না হয়। আমরা হাতে মেহেন্দি পরি। আমি এবার কাচের চুরিতেও হাত সাজিয়েছি। সব তুতো ভাইবোনেরা একসঙ্গে হয়েছিলাম।” শনিবার সকালেও নিয়মমাফিক গুরুজনের আশীর্বাদ নিয়ে দিন শুরু করেছেন অভিনেত্রী। জয়া জানালেন, “ইদের সকালে প্রথমকাজ হচ্ছে স্নান করে মা এবং বাড়ির সব গুরুজনদের সালাম করা। এটাই রীতি। আমিও সেভাবেই দিন শুরু করেছি। মনখারাপের মাঝেও বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেছি। দুপুরে আমার বোন এবং পরিবারের বাকি সদস্যরা এসেছেন। ভাই যেহেতু দুবাইতে থাকে, ও ওখানেই আটকে পড়েছে। এবারে ওদের ইদ উদযাপনটা অন্যরকম হবে বলে মায়ের মন খুব খারাপ। তারপরও আমরা আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে সময় কাটানোর চেষ্টা করছি। সবাই আসবে। আড্ডা, খাওয়াদাওয়া এটুকুই।”

কথায় কথায় মধ্যহ্নভোজের মেনুর প্রসঙ্গও উঠে এল। জয়া আহসান বললেন, “প্রতিবারের মতো এবারের ইদেও আমার বাড়ির মধ্যাহ্নভোজে বিশেষ আকর্ষণ মায়ের হাতের রান্না। এদিনের মেনু একটু অন্যরকম হয়। এই এখন যেমন পায়েস, দুধ সেমাই, ফ্রুট কাস্টার্ড হচ্ছে।” এছাড়াও পোলাও, কাচ্চি বিরিয়ানি এসব তো থাকেই। আর কেনাকাটি? “এবার প্রচুর ‘ইদি’ (উপহার) পেয়েছি। তাই আমার নিজের আর কিছু কিনতে হয়নি। শুধু মায়ের জন্য একটা শাড়ি কিনেছি। তবে আমাদের বাড়িতে নতুন একটি বাচ্চা (পোষ্য) এসেছে। নতুন বাড়ি খুঁজছিল। তাই আমরা ওকে নিয়ে এলাম। ও আমার আর মায়ের বড় ন্যাওটা। সারাক্ষণ কাঁধে, হাতে, কোলে থাকছে। হাত মোটামুটি ব্যথা হয়ে যাচ্ছে! আমাদের মতো ওদের জন্যেও ইদের পোশাক নেওয়া হয়েছে। দু’বেলা দু’রকম পোশাক পরা হবে”, জানালেন জয়া। সন্ধেবেলায় তুতো ভাইবোনদের সঙ্গে সিনেমা কিংবা কোনও অনুষ্ঠান উপভোগের পরিকল্পনা রয়েছে। অভিনেত্রী বললেন, “ইদের রাতে ঢাকায় অনেক অনুষ্ঠান হয়। তাছাড়া এবার বেশ কিছু সিনেমাও রিলিজ করেছে ইদ উপলক্ষে। তার মধ্যে কোনওটা দেখার ইচ্ছে রয়েছে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সমুদ্রতটে ৭০০ ডলফিন ও তিমির লাশ! উৎসবের নামে নৃশংস হত্যালীলা, নিন্দায় সরব বিশ্ব
-
বিশ্বকাপ রুখতে ফুটবলারদের মূর্তি বিবস্ত্র করে প্রতিবাদ! শিক্ষকদের মার পুলিশের, উত্তপ্ত মেক্সিকো
-
বর্ষায় কীভাবে বাড়ি রক্ষা করবেন, জেনে নিন সহজ কৌশল
-
রোমারিওর ফেভারিট তালিকায় নেই ব্রাজিলই, কেন এমন মনে করেন কিংবদন্তি তারকা
-
শুধু শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নয়, দুর্নীতিমুক্ত দেশ গঠনে এই ৫ দাবি ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র, মানবে কেন্দ্র?