ইমন চক্রবর্তীর বিশ্বাস, প্রভুর ইচ্ছে না থাকলে গাছের পাতাও নড়ে না! অর্থাৎ, ঈশ্বরের ইচ্ছা ব্যাতীত এই ব্রহ্মাণ্ডে কিছুই ঘটে না। সবটাই প্রভুর ইচ্ছে অনুসারে হয়। এবার জগন্নাথদেবের কৃপায় লিলুয়ার বাড়ি ছেড়ে নিজের বাড়িতে স্নানযাত্রার উৎসব পালন করলেন গায়িকা। সোমবার সোশাল মিডিয়ায় স্নান উৎসবের বেশ কয়েকটি মুহূর্ত ভাগ করে নিয়েছেন ইমন। পরনে লাল পেড়ে সাদা শাড়ি। কোলে মহাপ্রভুর বিগ্রহ। পুজোর রীতি পালনে ইমনের সঙ্গী স্বামী নীলাঞ্জন ঘোষ। শিল্পী দম্পতির এহেন আধ্যাত্মিক আবেশে মুগ্ধ অনুরাগীমহলও।

আরও পড়ুন:
১৪ আষাঢ়, সোমবার দেবস্নান পূর্ণিমা। এই তিথিতেই পালিত হয় মহাপ্রভু জগন্নাথদেবের স্নানের উৎসব অর্থাৎ স্নানযাত্রা। এই বিশেষ দিনটি আবার শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের জন্মতিথিও। সেই উপলক্ষেই জগন্নাথ, বলভদ্র, সুভদ্রাকে রীতি মেনে স্নান করালেন ইমন চক্রবর্তী। আয়োজনের কলেবর কেমন?
ইমন চক্রবর্তী যে জগন্নাথ ভক্ত, সেকথা কারও অজানা নয়। ২০১৪ সাল থেকে মহাসমারোহে লিলুয়ার বাড়িতে রথযাত্রার উৎসব পালন করে আসছেন। সেখানেই জগন্নাথ, বলভদ্র, সুভদ্রাকে প্রতিষ্ঠা করেছেন গায়িকা। ফি বছর স্নানযাত্রার দিন থেকেই রথের প্রস্তুতি শুরু করে দেন ইমন। তবে এবার বাবার অসুস্থতার কারণে নিজের ফ্ল্যাটেই মহাপ্রভুর স্নান-উৎসব পালন করেছেন শিল্পী। ১৪ আষাঢ়, সোমবার দেবস্নান পূর্ণিমা। এই তিথিতেই পালিত হয় মহাপ্রভু জগন্নাথদেবের স্নানের উৎসব অর্থাৎ স্নানযাত্রা। এই বিশেষ দিনটি আবার শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের জন্মতিথিও। সেই উপলক্ষেই জগন্নাথ, বলভদ্র, সুভদ্রাকে রীতি মেনে স্নান করালেন ইমন চক্রবর্তী। আয়োজনের কলেবর কেমন? খোঁজ নিল সংবাদ প্রতিদিন।

গায়িকা জানালেন, “স্নানযাত্রা উৎসবের মাহাত্ম্য বলতে এদিন জগন্নাথ, বলভদ্র এবং সুভদ্রা মাকে স্নান করানো হয়। এই দিনটিকে স্নান পূর্ণিমাও বলা হয়।” রীতি মেনে ঘি, চন্দন, মধু, দুধ, ডাবের জল, গঙ্গাজল দিয়ে তিন ভাইবোনকে ভাল করে স্নান করান ইমন। তিন বিগ্রহে পরানো হয় নতুন পোশাকও। ইমন যোগ করলেন, “এই দিনের পর জগন্নাথদেব ‘অনসর’-এ যান। প্রচলিত বিশ্বাস, অতিমাত্রায় স্নানের ফলে প্রভুর জ্বর আসে। এসময়ে প্রভুর দর্শন বন্ধ থাকে। স্নানযাত্রা মানে আমার কাছে উৎসবের শুরু। কারণ তারপরই রথ। আর রথযাত্রার উৎসব জগন্নাথদেবের কৃপায় আমরা খুব ধুমধাম করেই করি। এতদিন লিলুয়ার বাড়িতেই আমরা স্নানযাত্রার উৎসব পালন করেছি, কিন্তু এবছর আমার বাবা একটু অসুস্থ থাকার কারণে আমরা আর লিলুয়ার বাড়িতে করিনি, আমার বাড়িতে এই প্রথমবারের মতো ঈশ্বরের কৃপায় স্নানযাত্রা হচ্ছে।” নিয়মমাফিক ভোগ নিবেদন করেছেন গায়িকা। ইমনের মন্তব্য, “আমাদের পক্ষে যতটুকু সম্ভব সুন্দর করে সাজিয়েছি। সিন্নিও অর্পণ করা হয়েছে।”
ইমন একাধিকবার জানিয়েছেন যে, তাঁর মা চলে যাওয়ার পর একটা বড় শূন্যতা তৈরি হয়েছিল। সেটা যদিও পূরণ হওয়ার নয়, তবে জগন্নাথদেব যে ছাতার মতো তাঁর মাথার উপরে রয়েছেন, সেটা তিনি বুঝতে পারেন। তাই প্রায়শই ব্যস্ত শিডিউলের অবসরে নীলাচলের জগন্নাথধামেও যান গায়িকা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সাংসদ পদ থেকে ইস্তফার পরই বিদেশে রঙিন মেজাজে কোয়েল, টাইমস স্কোয়ারে কী করলেন?
-
‘সর্বভারতীয় নয়, এখন কালীঘাট তৃণমূল!’ বিধানসভায় কটাক্ষ শোভনদেবকে, পেলেন ‘পরামর্শ’
-
‘সংবাদের শিরোনামে থাকার চেষ্টা’, মহুয়ার আপত্তিকর মন্তব্যে বিঁধলেন জগন্নাথ
-
‘আমাদের দেশে বাঁচাও কঠিন,’ যুদ্ধবিধ্বস্ত কঙ্গোয় শান্তি ফেরাতে ফুটবলই অস্ত্র উইসাদের
-
পদ্মশ্রী গোকুলচন্দ্র দাসের উদ্যোগে ঢাকি অ্যাকাডেমির প্রস্তাব, বিধায়ক সুব্রত ঠাকুরের আশ্বাসে আশাবাদী শিল্পীরা