BREAKING NEWS

১৫ মাঘ  ১৪২৯  সোমবার ৩০ জানুয়ারি ২০২৩ 

READ IN APP

Advertisement

লকডাউনে গর্ভবতী ও সদ্যোজাতদের জন্য বিশেষ অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করলেন সাংসদ মিমি

Published by: Sandipta Bhanja |    Posted: April 8, 2020 1:18 pm|    Updated: April 8, 2020 1:19 pm

MP Mimi Chakraborty's new initiative for pregnant women and newborns

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নিজের সংসদীয় এলাকায় চিকিৎসা পরিষেবায় উন্নতি আনতে ফের সাংসদ মিমি চক্রবর্তীর এক অভিনব প্রয়াস। লকডাউনের মাঝে প্রসূতি কিংবা সদ্যোজাতদের যাতে চিকিৎসা পরিষেবা পেতে কোনওরকম অসুবিধে না হয়, তার ব্যবস্থা করলেন সাংসদ। যানচলাচল বন্ধ থাকায় এইসময়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলের গর্ভবতী মহিলাদের কিংবা সদ্যোজাত শিশুদের নিয়ে হাসপাতালে আসা-যাওয়া করতে অসুবিধের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। সেই ভাবনা থেকেই তাঁদের জন্য শীততাপ নিয়ন্ত্রিত গাড়ির ব্যবস্থা করে দিলেন সাংসদ মিমি চক্রবর্তী।  

করোনা মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই নিজের সাংসদ তহবিল থেকে ৫০ লক্ষ এবং ব্যক্তিগতভাবে ১ লক্ষ টাকা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দান করেছেন যাদবপুরের তারকা সাংসদ। COVID-19-এর সঙ্গে লড়াই করতে নিজের এলাকায় একটি টিম গঠন করেছেন সাংসদ মিমি। যাঁরা প্রত্যহ প্রতিটা মুহূর্তে এলাকাবাসীর সুবিধে-অসুবিধের দিকে নজর রাখছেন। দুস্থদের হাতে রেশন বিলি থেকে পথ কুকুরদের খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা, হোয়াটসঅ্যাপে প্রেসক্রিপশন পাঠালেই বাড়িতে ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার মতো একাধিক অভিনব ব্যবস্থা করেছেন সাংসদ। এবার করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলায় গর্ভবতী মা এবং সদ্যোজাত শিশুদের পাশে সাংসদ মিমি চক্রবর্তী।  

এই প্রসঙ্গে মিমি চক্রবর্তী বলেছেন, “এই কঠিন সময়ে সদ্যোজাত শিশু ও তার মা যাতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে দূরে থাকতে পারে, সেই জন্যই একটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত গাড়ি এবং অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গতকাল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস থেকেই শুরু হয়েছে এই পরিষেবা। যা মঙ্গলবার ৩জন শিশু-সহ তাদের মা-দের নিরাপদে বাড়ি পৌঁছেও দিয়েছে। পাশাপাশি এই পরিষেবার মাধ্যমে আমরা এটাও লক্ষ্য রাখব যাতে কোনও গর্ভবতী বা সদ্যোজাতদের পরবর্তীকালে হাসপাতালে কিংবা বাড়িতে যাওয়া-আসা করতে কোনও অসুবিধা না হয়!”

[আরও পড়ুন: করোনাই মেটাল দূরত্ব! WHO’র ত্রাণ তহবিলে টাকা জোগাড়ের জন্য একজোট শাহরুখ-প্রিয়াঙ্কা]

পাশাপাশি নিজের সংসদীয় এলাকার মানুষদের কাছে মিমি আরজি জানিয়েছেন, সোনারপুরের সুভাষ গ্রামে সোনারপুর গ্রামীণ হাসপাতালের সঙ্গে সবসময়ে যোগাযোগ রাখতে। কোনও আপৎকালীন পরিষেবা প্রয়োজন হলেই সেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এই গাড়িগুলি পৌঁছে যাবে তাদের বাড়িতে কিংবা প্রয়োজন অনুযায়ী যে কোনও স্থানে।

প্রসঙ্গত, লকডাউন পরিস্থিতিতে তাঁর লোকসভা কেন্দ্রের কোনও বাসিন্দার যেন প্রয়োজনীয় ওষুধ পেতে সমস্যা না হয়, সেই পরিষেবাও চালু করেছেন মিমি। পাটুলি, গড়িয়া, সোনারপুর, নরেন্দ্রপুর এলাকায় যাঁরা থাকেন তাঁদের ওষুধের প্রয়োজন হলে ৮৯৬৭৪৬৬৪৫৫ এই নম্বরে প্রেসক্রিপশন হোয়্যাটস অ্যাপ করলেই সাংসদ মিমি চক্রবর্তীর টিম বাড়িতেই পৌঁছে দেবে ওষুধ। আর এই পরিষেবা পাওয়া যাবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। এছাড়াও যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত যে কোনও ব্যক্তির বাইক থাকলে তিনিও মিমির এই উদ্যোগে শামিল হতে পারেন বলে জানিয়েছিলেন সাংসদ মিমি চক্রবর্তী।

[আরও পড়ুন: আত্মপ্রচারবিমুখ আমির, নিঃশব্দেই PM CARES-সহ একাধিক ত্রাণ তহবিলে দান অভিনেতার]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে