Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Neena Gupta

যৌবনের ভুল সিদ্ধান্তে আক্ষেপ, ‘সিঙ্গল মাদার’ না হওয়ার পরামর্শ নীনা গুপ্তার

মাসাবার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী সেলেব মম নীনা গুপ্তা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ১৪:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ১৪:৩৯

options
link
যৌবনের ভুল সিদ্ধান্তে আক্ষেপ, ‘সিঙ্গল মাদার’ না হওয়ার পরামর্শ নীনা গুপ্তার zoom
নীনা গুপ্তা। ছবি: সোশাল মিডিয়া
Advertisement

বর্ষীয়ান অভিনেত্রী নীনা গুপ্তা সঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রাক্তন ক্রিকেটার ভিভিয়ান রিচার্ডসের সম্পর্ক, তাঁদের সন্তান মাসাবার কথা কারও অজানা নয়। একাই মেয়েকে বড় করেছেন নীনা। সেসময় ভিভিময় বিবাহিত থাকার কারণে নীনার সঙ্গে বৈবাহিকবন্ধনে আবদ্ধ হতে পারেননি। এদিকে অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন অভিনেত্রী। পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির চাপ, নানা মুনির নানা মতকে দূরে ঠেলে সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নীনা গুপ্তা। কিন্তু, এই পরিস্থিতি মোটেই খুব একটা সহজ ছিল না। অনেকটা দুর্গম পথ পেরতে হয়েছিল ‘সিঙ্গল মাদার’ নীনা গুপ্তাকে। সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় বিনোদনমূলক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেই কঠিন জার্নির গল্প শুনিয়েছেন অভিনেত্রী।

অকপট স্বীকারোক্তি, মেয়েকে একা বড় করা ছিল সম্পূর্ণ নিজের সিদ্ধান্ত। কাউকে এই পথে হাঁটতে উৎসাহিত বা অনুপ্রাণিত করবেন না। একইসঙ্গে নীনার আক্ষেপ, মেয়েবেলায় মাসাবা তাঁর বাবার স্নেহ থেকেও বঞ্চিত ছিলেন। এই ঘটনায় একাধিকবার মেয়ের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন প্রবীণ অভিনেত্রী। তবে মাসাবার বিয়েতে মেয়েকে আশীর্বাদ করতে হাজির ছিলেন ভিভিয়ান।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সংশ্লিষ্ট সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি এটাকে উৎসাহিত করব না। আমি করেছি বলে তোমরা এটা করো না। এই পরিস্থিতি খুবই কঠিন এবং সন্তানের মানসিক বিকাশের জন্যও ক্ষতিকারক।” নীনা গুপ্তা আরও একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন, একক অভিভাবকত্ব বিভিন্ন ক্ষেত্রে খুবই কঠিন রিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড় করাতে পারে। তাঁর কথায়, “লোকে কী বলল তা এখানে মুখ্য বিষয় নয়। শরীর, মন ও আর্থিক অবস্থার উপর খুব চাপ সৃষ্টি করে। সর্বোপরি আপনার সন্তানের জন্যও সেটা মোটেই ভালো নয়। তাই আমি কাউকে এই পথে হাঁটার পারমর্শ দেব না। তবে যদি কেউ স্বইচ্ছায় এই পথে হাঁটতে চায় সেটা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।”

নীনার পরামর্শ

আটের দশকের শেষলগ্নে মাসাবার জন্ম। ভারতেই তাঁকে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নীনা গুপ্তা। একটা বিষয়ে খেয়াল রেখেছিলেন, মেয়েকে যেন অন্য কারও থেকে সত্যিটা শুনতে না হয়। তাই সঠিক সময়ে নিজেই মাসাবাকে সত্যিটা জানিয়েছিলেন। নীনা বলেন, “ওকে সত্যিটা জানানো আমার জন্য অত্যন্ত জরুরি ছিল। যখনই আমাকে বাবার কথা জিজ্ঞেস করত সত্যিটা বলতাম। সেই সঙ্গে এটাও শিখিয়েছিলাম বাবাকে যাতে কখনও বিদ্বেষ না জন্মায়। আমি সত্যিটা বলেছিলাম বলেই আমার প্রতিও কোনও ঘৃণা বা রাগ পোষণ করেনি। আমার মনে হয় আমি সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজটাই করেছি।”

Pregnancy after 50 how ivf and egg freezing make it possible
নীনা গুপ্তা।

নিনা স্বীকার করেছেন মাসাবার বেড়ে ওঠার সময় বাবাকে পাশে না পাওয়ার জন্য বহুবার মেয়ের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। নিনা বলেন, “আমি ওর সাথে এতটাই সৎ থেকেছি যে ছোটবেলায় বাবা সঙ্গে না থাকার জন্য বহুবার ক্ষমা চেয়েছি। এটা আমার ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। তবে ও পরিস্থিতিটা অনুভব করতে পারে। আমরা সবাই ভুল করি। ছোটবেলায় আমাদের বাবা-মা কিছু কথা বলেন এবং আমরা তা শুনি না। সেই উপলব্ধিটা পরে আসে।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.