২ কার্তিক  ১৪২৬  রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সন্দীপ্তা ভঞ্জ: দিন কয়েক আগেই শহরে নতুন গোয়েন্দা আসার খবর ফাঁস করেছিলেন পরিচালক প্রতীম ডি গুপ্ত। ফেলদুা-ব্যোমকেশ-শবর-কিরীটীদের তালিকায় ইনি নবতম সংযোজন। নাম শান্তিলাল ভট্টাচার্য। যিনি কিনা এই গোয়েন্দা কাহিনির মধ্যমণি। সাহিত্যেপ্রমী বাঙালিদের বোধহয় বোধোদয়ের আঁতুরঘর থেকেই গোয়েন্দা, রহস্যপ্রীতি রয়েছে। তাই তাঁর মগজাস্ত্রের জড়িপ নিতে কৌতুহলী মন তো স্বাভাবিকবশত উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় থাকবেই, তাই নয় কি? তা এই নতুন গোয়েন্দাবাবু কেমন? পরিচয় করালেন পরিচালক প্রতীম। সোমবার মিলল গোয়েন্দা শান্তিলালের প্রজাপতি রহস্য উদঘাটনের এক ঝলক।

[আরও পড়ুন: বিহারে করমুক্ত হল ‘সুপার ৩০’র প্রদর্শন, আপ্লুত হৃতিক রোশন]

শান্তিলাল, অর্থাৎ ঋত্বিক চক্রবর্তী পেশায় সাংবাদিক। আরেকটু পরিষ্কার করে বললে জীবনে ঘেঁটে যাওয়া এক ওয়েদার রিপোর্টার। প্রতিদিন ঝড়-জল-বৃষ্টির খবর করতে করতে বড়ই ক্লান্ত সে। তবে হঠাৎই একটা ‘লিড’ পেয়ে যায় শান্তিলাল। সাংবাদিকতার ভাষায় এক বিশেষ সূত্র ধরে তাঁর সাংবাদিকজীবনে আসে আমূল পরিবর্তন। ছাপোষা, ক্লান্ত সাংবাদিক থেকে সে গোয়েন্দায় পরিণত হয়। তবে, যার জন্য এতকিছু তিনি একজন জনপ্রিয় নায়িকা- নন্দিতা ওরফে পাওলি দাম। যিনি হঠাৎই রাজনীতিতে যোগদান করেন। বিশ্বস্তসূত্রে সেই নায়িকার ব্যাপারে কিছু গোপন তথ্য জোগাড় করে শান্তিলাল। ব্যস, নেমে যান সেই রহস্যোদঘাটনে। প্রজাপতির টানে সূত্রে ধরে পৌঁছে যান চেন্নাই। সেখান থেকে সিঙ্গাপুর। একের পর এক রহস্যের জট খুলতে থাকে। 

শান্তিলাল ছিলেন স্টাফ রিপোর্টার। হয়ে যান গোয়ন্দা। সাংবাদিকতার সঙ্গে তদন্ত শব্দটি অবশ্য বেশ সূক্ষভাবেই জড়িত। বিশেষ ক্ষেত্রে জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ সবই করতে হয় তাঁদের। আর প্রত্যেকটি সাংবাদিকের মধ্যেই গোয়েন্দাসুলভ একটা ব্যাপার থাকে বইকি! প্রতীমও সেই বিষয়টিকেই ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছেন হয়তো শান্তিলাল ভট্টাচার্যের মধ্য দিয়ে। কারণ তিনি নিজেও দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাই সাংবাদিক শান্তিলালের চরিত্র আঁকতে গিয়ে যে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি প্রতীমকে, তা বলাই বাহুল্য। উপরন্তু, গোয়েন্দাসুলভ ভাবনা না থাকলে গোয়েন্দা চরিত্র সৃষ্টি করা একপ্রকার অসম্ভব। আর ‘শান্তিলাল ও প্রজাপতি রহস্য’ গল্পটিও প্রতীমেরই লেখা। এই অরিজিনাল গোয়েন্দা কাহিনির ফ্যাঞ্চাইজি নিয়ে বেশ আশাবাদী তিনি। সোমবার ট্রেলার লঞ্চের দিন তো এমন সুরই শোনা গেল পরিচালকের গলায়।  

ছবির দৃশ্যে নন্দিতার চরিত্রে পাওলি দাম

এইপ্রথম গোয়েন্দা চরিত্রে দেখা যাবে ঋত্বিক চক্রবর্তীকে। আর ‘শান্তিলাল ও প্রজাপতি রহস্য’ প্রতীমের সঙ্গে তাঁর চতুর্থ কাজ। তা কী বললেন অভিনেতা? “মূলত প্রতীমের লেখা চিত্রনাট্যের টানেই গোয়েন্দা শান্তিলাল আমাকে আকৃষ্ট করেছে।” আর ‘মাছের ঝোল’-এর পর প্রতীমের পরিচালনায় ঋত্বিকের সঙ্গে জুটি বাঁধতে পেরে যারপরনাই উচ্ছ্বসিত পাওলি দাম। তাঁর কথায়, “প্রতীম সবসময়েই অসাধারণ সব চরিত্র সৃষ্টি করে। তা সে ‘মাছের ঝোল’ হোক কিংবা ‘আহারে মন’। আর এই ছবিতেও তার অন্যথা হয়নি।” অনেক দিন বাদে আবার একটা গ্ল্যামারাস চরিত্রে অভিনয় করতে পেরে বেজায় খুশি পাওলি। তবে এখনই শান্তিলালের সঙ্গে নন্দিতার রসায়ন প্রকাশ্যে আনতে নারাজ তিনি। তা সাংবাদিক ঋত্বিকের সঙ্গে অভিনেত্রী পাওলির রসায়ন দেখতে হলে কিন্তু অপেক্ষা করতে হবে আগস্ট অবধি। 

[আরও পড়ুন:বঙ্গীয় চলচ্চিত্র পরিষদের পরামর্শদাতা কমিটিতে বামপন্থী বিপ্লব!]

ঋত্বিক-পাওলির সঙ্গে ট্রেলারে দেখা গিয়েছে পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় এবং গৌতম ঘোষকেও। এছাড়াও ‘শান্তিলাল ও প্রজাপতি রহস্য’তে অভিনয় করেছেন চিত্রাঙ্গদা চক্রবর্তী, অম্বরীশ এবং অলোকানন্দা রায়। সংগীতের দায়িত্ব সামলেছেন অর্ক। এই প্রথম কোনও গোয়েন্দা থ্রিলার ছবিতে সংগীতের কাজ করেছেন তিনি। আগে ছবির নাম ছিল ‘ইংক’। কিন্তু পরিচালক পরিবর্তন করে এক আদ্যোপান্ত বাঙালি নাম রাখেন- ‘শান্তিলাল ও প্রজাপতি রহস্য’।

দেখুন ট্রেলার

নেপথ্যের কাহিনি জানতে দেখুন ভিডিও

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং