Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৯ জুন ২০২৬
প্রফেসর শঙ্কু

সেলুলয়েডে আত্মপ্রকাশ করছেন প্রফেসর শঙ্কু, মুক্তি পেল পোস্টার

দেখুন ছবির টিজার পোস্টার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩, ২০১৯, ২০:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩, ২০১৯, ২০:০২

options
link
সেলুলয়েডে আত্মপ্রকাশ করছেন প্রফেসর শঙ্কু, মুক্তি পেল পোস্টার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রফেসর ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কু। গল্পের বই যাঁরা ভালবাসেন, তাঁদের কাছে এই নামটা অপরিচিত নয়। সত্যজিৎ রায়ের অন্যতম সৃষ্টি এক আত্মভোলা বৈজ্ঞানিক। তবে এই খামখেয়ালি প্রফেসরের এখনও সেলুলয়েডের সঙ্গে পরিচয় ঘটেনি। সত্যজিতের অপর সৃষ্টি ফেলুদার তদন্তে দর্শকরা শরিক হলেও, শঙ্কুর অ্যাডভেঞ্চার বইয়ের বাইরে এখনও প্রত্যক্ষ করেননি তাঁরা। তবে এবার প্রফেসরের সঙ্গে সাক্ষাৎ ঘটবে দর্শকদের। সৌজন্যে সন্দীপ রায়।

ফেলুদাকে পর্দায় এনে দর্শকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন মানিকবাবু স্বয়ং। সত্যজিৎ পরবর্তী সময়ে ছেলে সন্দীপ রায় ফেলুদাকে নিয়ে যাত্রা এগিয়েছেন৷ বাংলা ভাষায় তিনিই এখনও নিয়ম করে প্রদোষ মিত্তিরকে পর্দায় নিয়ে আসছেন। কিন্তু এবার স্বাদবদল করতে চাইছেন পরিচালক। তাই ফেলুদার বদলে এবার  পর্দায় আসছেন প্রফেসর ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কু। ছবির নাম ‘প্রফেসর শঙ্কু ও এল ডোরাডো’। সত্যজিতের জন্মদিনে মুক্তি পেয়েছে তারই মোশন পোস্টার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ আরও পড়ুন: ফণীর তাণ্ডব থেকে সারমেয়দের বাঁচাতে নেটদুনিয়ায় আবেদন স্বস্তিকার ]

তবে গল্পের নাম কিন্তু এটা নয়। সত্যজিৎ রায় লিখেছিলেন, ‘নকুড়বাবু ও এল ডোরাডো’। সেই গল্পের অবলম্বনেই ছবি বানাতে চলেছেন সন্দীপ রায়। সত্যজিতের সৃষ্টি এই নকুড়বাবু চরিত্রটি ভবিষ্যৎদ্রষ্টা। ব্রাজিলের সাও পাওলোতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যান প্রফেসর শঙ্কু। কিন্তু শুভাকাঙ্খী নকুড়বাবু জানান, সেখানে তাঁর বিপদ রয়েছে। বিপদ থেকে প্রফেসরকে বাঁচাতে তাঁর সফরসঙ্গী হন নকুড়বাবু। ব্রাজিলে গিয়ে সলোমন ব্লুমগার্টেন নামে এক ব্যক্তির চোখে সোনার খনি ‘এল ডোরাডো’ নিয়ে লালসা দেখতে পান নকুড়বাবু। জানতে পারেন, দক্ষিণ আমেরিকার একাধিক দেশ ঘুরেও এল ডোরাডোর সন্ধান পাননি সলোমান। টাকার লোভে প্রফেসরের সঙ্গী নকুড়বাবু তাঁর সফরসঙ্গী হন। কিন্তু সত্যিই কি প্রফেসরের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেন ভবিষ্যৎদ্রষ্টা নকুড়বাবু? আর এল ডোরাডো? সোনার শহর কি সত্যিই বর্তমান? নাকি নকুড়বাবুর অলৌকিক শক্তির সাহায্যেই একমাত্র তা বাস্তবে আনা সম্ভব? গল্পের বই যাঁরা পড়েছেন, তাঁদের জানা এই গল্প। এখন সন্দীপ রায় কীভাবে তাঁকে পর্দায় প্রতিফলিত করবেন, সেটাই দেখার।  

[ আরও পড়ুন: ক্যানসার মুক্ত ঋষি, পরিবারকে কৃতজ্ঞতা জানালেন অভিনেতা ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.