সুপর্ণা মজুমদার: ৮ বছরের সংগ্রামের পর বলিউডে প্রথম হিন্দি ছবিতে গান গাইলেন বঙ্গতনয়া লীনা বসু (Leena Bose)। ‘সড়ক ২’-এ (Sadak 2) সুরকার অঙ্কিত তিওয়ারির সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছেন ‘তুম সে হি’ গানে। স্বাধীনতা দিবসে গানটি প্রকাশ্যে আসার পর ফোনে নিজের কাহিনি জানালেন লীনা। প্রথমে অজানা নম্বর দেখে হিন্দিতে কথা বলতে শুরু করেছিলেন। উত্তর বাংলায় পেতেই শুরু হয়ে গেল দুই বাঙালির আলাপচারিতা।
[আরও পড়ুন:চাপের মুখে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা, ‘অভয় ২’ সিরিজে ক্ষুদিরাম বসুর ছবি ঝাপসা করল ZEE5]
- লীনা অদ্ভুত পরিস্থিতিতে তোমার প্রথম হিন্দি ছবির গান প্রকাশ্যে এল। যেখানে ‘সড়ক টু’ নিয়ে একটা বিরূপ প্রতিক্রিয়া চারপাশে। কী বলবে?
লীনা: দেখো, আমি গানটি সম্পূর্ণ সততা দিয়ে মন থেকে গেয়েছি। আজকে না হলে কালকে মানুষের তা পছন্দ হবেই। এটা আমার বিশ্বাস। এক বছর পরও আমি মঞ্চে উঠলে এই গান গাওয়ার অনুরোধ আসবে।
- গায়িকা হিসেবে তোমার সফর কীভাবে শুরু?
লীনা: ছোটবেলা মানে ৯-১০ বছর থেকেই আমার সংগীতে তালিম শুরু। অনেক গুণী মানুষের কাছ থেকে শিখেছি। হরিনাভি এলাকার মেয়ে আমি। এখনও মা-বাবা সেখানেই থাকেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা। তারপর কাজের খোঁজে মুম্বই চলে আসা।
- মুম্বইয়ে আসার পর প্রায় আট বছর পর ‘সড়ক টু’। এতটা সময় লেগে গেল?
লীনা: স্ট্রাগল সবাইকে করতে হয়। আমাকেও করতে হয়েছে। মুম্বইয়ে আসার পরপরই আমার অঙ্কিত তিওয়ারি (Ankit Tiwari) সঙ্গে আলাপ হয়েছিল। ‘আশিকি ২’-র ‘শুন রহা হ্যায় তু’ গানটি আমিই প্রথমে গেয়েছিলাম। কিন্তু তখন ভাগ্য সহায় ছিল না। পরে শ্রেয়া ঘোষাল গানটি রেকর্ড করেন। অসাধারণ গেয়েছেন। তবে আমার ভাগ্যে ‘সড়ক টু’ ছিল। তাই আট বছর পর অঙ্কিতের সঙ্গেই গাইলাম। অনেক টেক হয়েছে। তবে আমার মনে হয় গানটা ভালই হয়েছে।
[আরও পড়ুন: ‘ঘরের ছেলের অবসাদের খোঁজ রাখেন?’ ‘সড়ক টু’ বিতর্কে যিশুর সমর্থনে মন্তব্য রাহুলের]
- আচ্ছা, সুশান্ত সিং রাজপুতের (Sushant Singh Rajput) মৃত্যুর পর নেপোটিজম, ফেভারিটিজম বিষয়গুলি চর্চায়। তোমার অভিজ্ঞতা কী?
লীনা: দেখ, আমি ফেভারিটিজমের কথা বলতে পারি। ফেভারিটিজম বলিউডে অবশ্যই আছে। যে কোনও ইন্ডাস্ট্রিতে আছে। আর সুশান্তও কিন্তু বহিরাগত ছিলেন, আমিও বহিরাগত। আমি আমার ক্ষেত্রে বলতে পারি, আমাকে কখনও তার জন্য অসুবিধার মুখে পড়তে হয়নি। মানে প্রতিষ্ঠিতরা সুযোগ দিতে না পারলেও কখনও খারাপ ব্যবহার করেননি। আর নেপোটিজম, ফেভারিটিজম এই বিষয়গুলো তো থাকবেই। আমার মনে হয়, সমস্ত ইন্ডাস্ট্রিতে শেষ কথা বলে প্রতিভা। প্রতিভা না থাকলে কারও পক্ষেই টিকে থাকা সম্ভব নয়।
- এবার অন্য প্রসঙ্গে আসা যাক। করোনার প্রভাব কতটা ক্ষতি হচ্ছে?
লীনা: ক্ষতি তো হচ্ছেই। কতদিন ধরে বাড়িতে বসে আছে। কোনও কাজ নেই। স্টেজ শো গুলো নেই। কাজ না থাকায় এখন কলকাতাতেই রয়েছি। ভারচুয়াল ইন্টারভিউগুলো সারছি। ভিডিও আপলোড করছি। কিন্তু শিল্পীদের কাজের প্রয়োজন।
- ভবিষ্যতে কী পরিকল্পনা রয়েছে?
লীনা: ভবিষ্যতে পরিকল্পনা তো রয়েছে এগিয়ে যাওয়ার। তবে কীভাবে এখনও কিছু চুড়ান্ত হয়নি। তবে বিশ্বাস আছে। তা নিয়েই এগিয়ে যাব।

সর্বশেষ খবর
-
ওড়িশায় ৬ হাজারি মাইনের সরকারি ইঞ্জিনিয়রের বাড়িতে ২ কোটি নগদ! মিলল বিপুল সম্পত্তির হদিশ
-
জেলে বসেই সন্ত্রাসের নেটওয়ার্ক শাহজাহানের! সন্দেশখালিতে অস্ত্রভাণ্ডারের হদিশ, গ্রেপ্তার ৬
-
এবার বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ির সামনে ‘পর্ক উৎসব’ হিন্দুত্ববাদীদের! কী বলছেন বামনেতা?
-
যুদ্ধের প্রস্তুতি, দেশের ২৪৪ জেলায় বসছে বিমান হানার বিপদ সংকেত কেন্দ্র
-
কাশ্মীরে জঙ্গিদমন অভিযান চলাকালীন বিপত্তি! পাহাড় থেকে পড়ে মৃত্যু সেনা আধিকারিকের