Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৫ জুন ২০২৬

আমার দুগ্গাপুজো: সিটি সেন্টারের ওখানেই প্রথম কাশফুল দেখা যেত

কী বললেন আবির, দেখুন ভিডিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০১৯, ১৫:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০১৯, ১৫:০৩

options
link
আমার দুগ্গাপুজো: সিটি সেন্টারের ওখানেই প্রথম কাশফুল দেখা যেত zoom

নতুন জামার গন্ধ। পুজোসংখ্যার পাতায় নয়া অভিযান। শরতের নীল-সাদা মেঘের ভেলায় পুজোর ছুটির চিঠি। ছোটবেলার পুজোর গায়ে এরকমই মিঠে স্মৃতির পরত। নস্ট্যালজিয়ার ঝাঁপি খুললেন অভিনেতা আবির চট্টোপাধ্যায়

ছোটবেলা থেকেই পুজো কবে আসবে তা নিয়ে অপেক্ষা থাকত। এখনও আছে। আমাদের ছোটবেলায় একটা মুশকিল ছিল। ক্লাস ফোর পর্যন্ত পুজোর ছুটির পরেই  পরীক্ষা থাকত। তাতে তো ছুটির আনন্দের অর্ধেকটাই মাটি। তবে পুজোর চারদিন দেদার আনন্দ। সবকিছু করার ছাড়পত্র মিলত। যে কোল্ড ড্রিঙ্কে সারা বছর টনসিলের ভয় দেখানো হত, পুজোর চারদিন তাতেই ছাড়। খাওয়া-দাওয়া ঘোরাঘুরি যেমন খুশি। পড়াশোনার তো বালাই নেই। আমি সল্টলেকের ছেলে। তখনও সল্টলেকের পুজোয় এত ভিড় দেখিনি। অনেকটাই বাড়ির পুজোর মেজাজ। আমি যে ব্লকে থাকতাম সেখানে পুজোর ঠিক পরই দু’দিনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হত। একদিন বাইরে থেকে শিল্পীরা আসতেন। একদিন আমরা নিজেরা পারফর্ম করতাম। তার প্রস্তুতি শুরু হত মাসখানেক আগে থেকেই। আর স্কুলেও শিক্ষার্থী উৎসব হত। তাতে প্রতি ক্লাসের ছাত্ররা অংশ নিত। প্রতিযোগিতা বলে পুরষ্কারও মিলত। ওই অনুষ্ঠান হওয়া মানেই পুজোর গন্ধে যেন ছেয়ে যেত চারিদিক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ শহরের সেরা পুজোর জবর খবর, চোখ থাকুক শুধুই sangbadpratidin.in-এ ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

আমার মামাবাড়ি মানিকতলায়। তো ছোটবেলায় যখন পুজোর সময় মামাবাড়ি আসতাম, তখন এই ভিড়, প্যাণ্ডেল হপিং-এর আবার আলাদা মজা ছিল। সল্টলেকের পুজো একরকম, মানিকতলার পুজোর মেজাজ অন্যরকম। দুটোই খুব উপভোগ করতাম। তবে পুজো এলেই একটা কথা মনে পড়ে। আজ যেখানে সিটি সেন্টার, আগে ওখানে অনেকটা অঞ্চল ফাঁকা ছিল। ওখানেই প্রথম কাশফুল দেখা যেত। আর আমরা বুঝতাম পুজো আসছে। এতদিন পরেও সেই স্মৃতি আজও টাটকা। আসলে ছোটবেলার পুজোর এতটাই রঙিন যে, কখনওই তা ফিকে হওয়ার নয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.