২২ চৈত্র  ১৪২৬  রবিবার ৫ এপ্রিল ২০২০ 

Advertisement

সাদামাটা গ্রাম্য বধূ শুভশ্রী, ‘তুমি যদি চাও’ গানে ধরা দিলেন ভিন্ন লুকে

Published by: Sandipta Bhanja |    Posted: January 19, 2020 4:55 pm|    Updated: January 19, 2020 4:56 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাত পাকে ঘোরা, মালাবদল, ফুলশয্যা থেকে গর্ভধারণ করা, আর পাঁচজন সাধারণ ঘরের বউয়ের মতোই। যে স্বামীর কাজ থেকে ফেরার অপেক্ষা করে। ছোটখাট দাম্পত্য খুনসুঁটিতে মেতে স্বামীর প্রতি ভালবাসা উজার দেওয়া এক স্ত্রী’র ভূমিকায় তিনি। এ কোন শুভশ্রী দেখে চেনা দায়! সম্প্রতি মুক্তি পেল ‘ধর্মযুদ্ধ’র দ্বিতীয় গান ‘তুমি যদি চাও’। সেই গানের ভিডিওতেই এভাবে ধরা দিলেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়।

‘তুমি যদি চাও’ গানে মুন্নির ভূমিকায় এক্কেবারে সাদামাটা গ্রাম্য বধূর লুকে দেখা গেল শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়কে। ‘পরিণীতা’র পর থেকে ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক-প্রযোজকরা কিন্তু শুভশ্রীর অ্যাক্টিং স্কিলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। নতুন করে নজরে পড়েছেন অভিনেত্রী। ‘ধর্মযুদ্ধ’-এর একেকটা ঝলকেও তার অন্যথা হয়নি। এই ছবিতে তাঁর চরিত্রের নাম মুন্নি। যিনি কিনা স্বামী অন্ত প্রাণ। গানের দৃশ্যায়নও এক অন্য অভিনেত্রীকে তুলে ধরল। মুন্নিরূপী শুভশ্রীর সঙ্গে পরিচয় করাল দর্শকদের। দেখা গেল মুন্নির স্বামীর ভূমিকায় অভিনয় করা সপ্তর্ষি মৌলিককেও।

 

ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, অন্তঃসত্ত্বা মুন্নি তাঁর মা হওয়ার খবর অটোচালক স্বামীকে দেয়। বাবা হওয়ার খবর পেয়ে তাঁর স্বামীও মুন্নির যত্নের কোনও ত্রুটিই রাখে না। নিয়মিত হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে নিয়ে যাওয়া থেকে মুন্নির বিশেষ খেয়াল রাখেন স্বামী। এককথায় ‘ধর্মযুদ্ধ’র ‘তুমি যদি চাও’ গানটি মুন্নির খুনসুঁটিপূর্ণ দাম্পত্য কাহিনিকে তুলে ধরেছে। ডি-গ্ল্যাম চরিত্রে আবারও নজর কাড়লেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তের কম্পোজিশনে গান গেয়েছেন শ্রেয়া ঘোষাল।  

[আরও পড়ুন: বেলা সবে শুরু, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ৮৫তম জন্মদিনে প্রকাশ্যে ‘বেলাশুরু’র প্রথম ঝলক]

প্রসঙ্গত, দেশের সাম্প্রতিক ও রাজনৈতিক কাহিনি নিয়ে তিনি তৈরি করছেন ‘ধর্মযুদ্ধ’। সীমান্ত অঞ্চলের এক ঘটনার কথা তুলে ধরবেন রাজ তাঁর এই ছবিতে। যেখানে জাত, ধর্ম নিয়ে অশান্তি নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। ধর্ম নিয়ে হানাহানির জন্য খুন, জখম প্রায়ই হয়ে থাকে। এরকমই এক অস্থির এলাকায় এক বয়স্ক মহিলার বাড়িতে আশ্রয় নেয় তিনটি মানুষ। অন্যদিকে, সেই বয়স্ক মহিলারই বাড়িতে তাঁকে দেখাশোনার জন্য থাকে একটি মেয়ে। জবর (সোহম), রাঘব (ঋত্বিক), শবনম (পার্নো), মুন্নি(শুভশ্রী) এবং আম্মি (স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত)। এই পাঁচটি চরিত্রকে ঘিরেই এগিয়েছে ছবির গল্প। জটিল পরিস্থিতিতে এই পাঁচটি মানুষই নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রদায়িক হিংসার সময় জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকলেই আশ্রয় খোঁজে। আশ্রয়ের সেই নীড় আম্মার কোল। প্রত্যেকেরই একটা অতীত রয়েছে। যার সঙ্গে জুড়ে গিয়েছে বর্তমান। ছবিটি পলিটিক্যাল ড্রামা। আর গল্পের প্লটে রয়েছে ‘টেনশন’। দাঙ্গা, হিংসার সঙ্গে এই ছবি বলবে উত্তরণের গল্পও।

[আরও পড়ুন: ‘যত তাড়াতাড়ি নরকে যায়, ততই মঙ্গল’, বিজেপি সমর্থকদের রোষে আহত শাবানা]

Advertisement

Advertisement

Advertisement