৯ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ভোট দিতে পারবেন না এই সেলেবরা, জানেন কেন?

Published by: Bishakha Pal |    Posted: April 18, 2019 5:12 pm|    Updated: April 18, 2019 6:07 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোট নিয়ে উৎসাহের অন্ত নেই বলিউডেও। মুম্বই (উত্তর) থেকে কংগ্রেসের হয়ে প্রার্থী হয়েছেন উর্মিলা মাতণ্ডকরহেমা মালিনী বিজেপির হয়ে লড়ছেন মথুরা থেকে। এছাড়া একাধিক সময়ে বলিউডের অনেক সেলিব্রিটিকে দেখা গিয়েছে ভোট দেওয়ার জন্য প্রচার করতে। কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হয়ে নয়, জনস্বার্থের সবাইকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বার্তা দিয়েছেন তাঁরা। অথচ তাঁদের মধ্যেই কেউ কেউ নিজেরাই দিতে পারবেন না ভোট।

তালিকায় প্রথমেই কয়েছে অক্ষয় কুমারের নাম। ৫১ বছর বয়সী এই অভিনেতার জন্ম অমৃতসরে। থাকেন তিনি মুম্বইয়ে। কিন্তু তাও দুই জায়গার এক জায়গা থেকেও ভোট দিতে পারবেন না অভিনেতা। কারণ তাঁর পাসপোর্ট কানাডার। তাঁকে সেই দেশ থেকে নাগরিকত্বের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। অভিনেতা তা গ্রহণ করেন। কিন্তু ভারত সরকারের নিয়ম অনুসারে কোনও ভারতীয় দ্বৈত নাগরিকত্ব উপভোগ করতে পারেন না। তাই ভারতের নাগরিকত্ব হারাতে হয় অক্ষয়কে।

[ আরও পড়ুন: কালই বিয়ে শ্রাবন্তীর! হবু বরের সঙ্গে শহর ছাড়লেন অভিনেত্রী ]

অক্ষয় ছাড়া যাঁরা ভোট বাক্সে নিজেদের মতামত জানাতে পারবেন না, তাঁরা হলেন দীপিকা পাড়ুকোন, ক্যাটরিনা কাইফ, আলিয়া ভাট ও জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ। এঁদের মধ্যে দীপিকা ডেনমার্কের নাগরিক। সেখানেই কোপেনহেগেনে তাঁর জন্ম। ফলে ড্যানিশ পাসপোর্ট রয়েছে তাঁর। ভারতীয় হিসেবে কোনও প্রমাণপত্র তাঁর কাছে নেই। এই একই সমস্যা বাকিদেরও। ক্যাটরিনার রয়েছে ব্রিটিশ পাসপোর্ট। হংকংয়ে জন্মেছিলেন তিনি। সেই হিসেবে তাঁর চিনা পাসপোর্ট থাকার কথা। কিন্তু ব্রিটিশ পাসপোর্টের অধিকারী ক্যাট। আলিয়ারও রয়েছে ব্রিটিশ পাসপোর্ট। তাঁর মা সোনি রাজদানও ব্রিটিশ নাগরিক। ফলে ভোট দেওয়ার অধিকারী নন তিনিও।

জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজের কথা অবশ্য সবাই জানেন। জন্মসূত্রে শ্রীলঙ্কার নাগরিক তিনি। ২০০৬ সালে মিস ইউনিভার্স শ্রীলঙ্কা খেতাব জেতেন তিনি। ২০০৯ সালে বলিউডে কাজ শুরু করেন। তারপর থেকে ভারতেই থাকেন জ্যাকলিন। কিন্তু শ্রীলঙ্কার নাগরিকত্ব ছাড়েননি তিনি। তাই ভারতের নির্বাচনে তিনি অংশ নিতে পারবেন না।

[ আরও পড়ুন: বিতর্কের জেরে বন্ধ টলিউডের দরজা, ঋতুপর্ণার বিপরীতে অনিশ্চিত ফিরদৌস! ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement