Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬

‘পদ্মাবতী’র সমর্থনে এবার ব্ল্যাকআউটের ডাক মুম্বইয়ের চলচ্চিত্র মহলের

১৫ মিনিটের জন্য বন্ধ থাকবে শুটিংয়ের কাজ৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯, ১৭:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯, ১৭:১৭

options
link
‘পদ্মাবতী’র সমর্থনে এবার ব্ল্যাকআউটের ডাক মুম্বইয়ের চলচ্চিত্র মহলের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘পদ্মাবতী’র পাশে দাঁড়াতে অভিনব উদ্যোগ নিতে চলেছে ইন্ডিয়ান ফিল্ম অ্যান্ড টিভি ডিরেক্টর’স অ্যাসোসিয়েশন (IFTDA) সহ আরও ২০টি চলচ্চিত্র সংগঠন৷ রবিবার ১৫ মিনিটের জন্য ‘ব্ল্যাকআউট’ পালন করা হবে৷ গোটা মুম্বইয়ে হবে না কোনও শুটিংয়ের কাজ৷ বন্ধ করে দেওয়া হবে ফ্লোরের সমস্ত আলো৷ এভাবেই শিল্পীর স্বাধীনতার জন্য লড়াই করবে বলে ঠিক করা হয়েছে আইএফটিডিএ-র পক্ষ থেকে৷

[সরকারি উদাসীনতাই ‘পদ্মাবতী’ বিতর্কের নেপথ্যে, সরব আলিয়া]

Advertisement

সংগঠনের পক্ষ থেকে অশোক পণ্ডিত বলেন, কোনও কাহিনিকে নিজের মতো করে পরিবেশন করার অধিকার সৃষ্টিশীল মানুষের রয়েছে৷ সঞ্জয় লীলা বনশালি যথেষ্ট দায়িত্বশীল পরিচালক৷ তিনি জেনে বুঝেই একটি সিনেমা তৈরি করেন৷ তাঁর এই সৃষ্টির প্রতি সম্পূর্ণ আস্থা থাকা উচিত৷ কিন্তু কিছু মানুষ সম্পূর্ণ তথ্য না জেনেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন৷ নায়িকা-পরিচালককে যেভাবে ব্যক্তিগত স্তরে আক্রমণ করা হচ্ছে তাঁর প্রতিবাদেই এই ‘ব্ল্যাকআউট’-এর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ রবিবার বেলা ৩.৩০ মিনিট নাগাদ সারা মুম্বইয়ের বিনোদন জগতে তা পালন করার আরজি জানানো হয়েছে৷ আর এই পুরো উদ্যোগের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ম্যায় আজাদ হুঁ’৷

যে কোনও কিছুতে না জেনেই প্রতিবাদ করতে থাকা কিছু মানুষের স্বভাব হয়ে গিয়েছে৷ সব সময় কিছু সৃষ্টি করার জন্য পরিচালক-অভিনেতা-অভিনেত্রীদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়৷ সরকারের পক্ষ থেকেও তেমন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় না বলে অভিযোগ করেন পণ্ডিত৷ গ্ল্যামার জগতকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে দেখাটা স্বভাবে দাঁড়িয়ে গিয়েছে বলে জানান তিনি৷ এর বিরুদ্ধে এভাবেই অহিংস প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়া হবে বলে জানান আইএফটিডিএ-র সদস্য৷

[নয়া বিকিনি শুটে নেটদুনিয়ার উষ্ণতা বাড়ালেন দীপিকা]

শুক্রবারই ‘পদ্মাবতী’ বিতর্ক নয়া মোড় নেয়৷ নাহারগড় দুর্গে একটি ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়৷ যার পাশে একটি পাথরে উপর লেখা ছিল, ‘আমরা কেবল পুতুলই ঝোলাই না পদ্মাবতী’। এর পরই প্রশ্ন ওঠে, বুধবারই তো কর্ণি সেনার তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল মেওয়ারের রাজ পরিবারকে দেখাতে হবে এই ছবি। রাজ পরিবারের সদস্যদের যদি আপত্তি না থাকে তাহলে এ ছবি নিয়ে তাঁরাও আর আপত্তি জানাবেন না। তাহলে শুক্রবার এমন প্রতিবাদ দেখানোর কী অর্থ? এদিকে সেনার তরফেও আবার জানিয়ে দেওয়া হয় ঘটনার সঙ্গে তাদের সংগঠনের কোনও যোগসূত্র নেই। এর পরই প্রশ্ন ওঠে তাহলে কি বিক্ষোভের আঁচ জিইয়ে রাখতেই ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটনো হয়েছে? যাকে কিছুদিন আগেই সুপরিকল্পিত আখ্যা দিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীও৷ শুক্রবার ফের ছবির কলাকুশলীদের পাশে দাঁড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ মুক্তমঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, অন্য রাজ্য যদি ছবি মুক্তির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে সঞ্জয় ও তাঁর টিম নিশ্চিন্তে বাংলায় চলে আসতে পারে। এখানে ছবি মুক্তির জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে।

[অন্য রাজ্য ছবি নিষিদ্ধ করলে বাংলায় আসুন, ‘পদ্মাবতী’কে স্বাগত মুখ্যমন্ত্রীর]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.