সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিয়ের ৩ মাসের মধ্যে স্ত্রী কোমল আগরওয়ালের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার। খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হল মুম্বইয়ের জনপ্রিয় ইউটিউবার জিতু জানকে (YouTuber Jeetu Jaan)। ঘটনার তদন্তে ভান্ডুপ থানার পুলিশ।
জিতুর আসল নাম জিতেন্দ্র। ইউটিউবে জিতু জান হিসেবে জনপ্রিয় তিনি। ২ লক্ষ ৮৪ হাজার সাবস্ক্রাইবার রয়েছে জিতুর চ্যানেলে। গত রবিবার জিতুর স্ত্রী কোমলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। প্রথমে আত্মহত্যার মামলা নথিভূক্ত হয়েছিল। কিন্তু পরে জিতুর শাশুড়ি শীলা পাঠক এবং শ্যালিকা প্রিয়া তাঁর বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করেন। তারপরই ইউটিউবারকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়।
[আরও পড়ুন: ‘একটা কাজ দেবেন?’, মহিলার কাতর আরজি শুনেই সাহায্যের হাত বাড়ালেন রাজ চক্রবর্তী]
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় পাঁচ মাস আগে জিতুর সঙ্গে কোমলের দেখা হয়েছিল। দুই মাসের মধ্যে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে জিতুকে বিয়ে করেছিলেন কোমল। শীলাদেবীর অভিযোগ, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই জিতু ছোটখাটো বিষয় নিয়ে কোমলকে মারধর করতেন। কোমল একাধিকবার এ বিষয়ে তাঁকে এবং প্রিয়াকে জানিয়েছিলেন। তা নিয়েও জিতু অশান্তি করেছিলেন এবং কোমলকে মারধর করেছিলেন। এমনকী, কোমলের মৃত্যুর খবর পর্যন্ত তাঁদের জিতু দেননি বলে শীলাদেবীর অভিযোগ। পুলিশের কাছ থেকে মেয়ের মৃত্যুর খবর তিনি পেয়েছেন বলে জানান। তাঁর দাবি, জিতুই তাঁর মেয়েকে খুন করে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে দিয়েছেন।
শীলা দেবী এবং প্রিয়ার অভিযোগের ভিত্তিতেই জিতুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের হেফাজতেই রয়েছেন জনপ্রিয় ইউটিউবার। ঘটনার উপযুক্ত তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ। আপাতত ময়না তদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারী অফিসাররা। তা এলেই বোঝা যাবে কোমল নিজে থেকে সিলিং ফ্যানে ফাঁস লাগিয়েছেন নাকি কেউ তাঁকে খুন করে ঝুলিয়ে দিয়েছেন। সেই রিপোর্ট দেখেই পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবেন পুলিশ আধিকারিকরা।
[আরও পড়ুন: ‘ইন্ডিয়ান আইডল’ বিতর্কে মুখ খুললেন সোনু নিগম, কাকে কাঠগড়ায় তুললেন গায়ক?]
সর্বশেষ খবর
-
২০২০ সালে ধর্মীয় সভার নামে হাজির আইএসআই কর্তারা! সমাবেশের আড়ালেই পাক চর নিয়োগ নেপালে?
-
‘এবার তলোয়ার চালাব’, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটারদের খোঁচা পন্থের, ‘ভাগ করে খাওয়ার’ পরামর্শ সরফরাজের
-
স্টান্টের সময় মাথায় আঘাতে স্মৃতি উধাও জ্যাসমিনের! কনকাশন কী, কেন এমন হয়?
-
ইমরান ম্যাজিকে ফিকে ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’, তবুও সানিকেই সমর্থন, ভূয়সী প্রশংসা হেমার
-
ফাঁসি না প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশন! ‘মানবিক’ মৃত্যুদণ্ডের আর্জিতে কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?