Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব

জেলার মাটিতে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আসর, শান্তিপুরে দেশ-বিদেশের ছবির প্রদর্শন

সিনেমা দেখুন সকাল ১১ টা থেকে রত ৮ টা পর্যন্ত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২০, ২১:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২০, ২১:৪৯

options
link
জেলার মাটিতে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আসর, শান্তিপুরে দেশ-বিদেশের ছবির প্রদর্শন zoom
Advertisement

সুযোগ বন্দ্যোপাধ্যায়: কলকাতা শহরের বাইরে জেলার মাটিতেও এবার বসল আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আসর। SIFF-এর উদ্যোগে দু’দিন ব্যাপী শান্তিপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব শুরু হল আজ, শনিবার থেকে। শনি এবং রবিবার শান্তিপুর মিউনিসিপ্যাল স্কুলের মাঠের পাশে গীতা প্যালেসের দোতলার প্রেক্ষাগৃহে চলছে নানা দেশের সিনেমা। এ ধরনের উদ্যোগ শান্তিপুরে এই প্রথম, তা বলাই বাহুল্য।

shantipur-film-fest1

Advertisement

সারা পৃথিবীর বাছাই করা পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবির পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগে বানানো ছোট ছবি এবং কয়েকজন প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্বকে কুর্নিশ জানিয়ে পরিচালকরা তৈরি করেছেন তথ্যচিত্রও। প্রদর্শিত হবে তেমন কিছু ডকুমেন্টারিও। দেখানো হচ্ছে সমসাময়িক পূর্ণ দৈর্ঘ্যের ছবিও। সত্যি কথা বলতে, চলচ্চিত্র উৎসবের নিরিখে দু’দিন তো খুব দীর্ঘ সময় নয়। উদ্যোক্তারা ভাবনাচিন্তা করে সময় স্থির করেছেন সকাল ১১টা থেকে রাত্রি ৮টা পর্যন্ত। ছবি দেখার মাঝে দর্শকদের জন্য মধ্যাহ্নভোজ এবং চা বিরতিও আছে।শুধু সিনেমা দেখাই নয়, চিত্র পরিচালকদের সঙ্গে দর্শকদের একটি প্রশ্নোত্তর পর্বও রেখেছেন উদ্যোক্তারা, যাতে পারস্পরিক আলাপচারিতার মাধ্যমে ঋদ্ধ হতে পারেন দু’পক্ষই।

[আরও পড়ুন: মানবিক মীর, নিজের জন্মদিনে কুর্নিশ জানালেন সমাজের প্রকৃত ‘সকালম্যান’দের]

এই গোটা কর্মকাণ্ডের উদ্যোক্তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন রোহিতাশ্ব মুখোপাধ্যায়। এসআরএফটিআই-তে অধ্যাপনার পাশাপাশি সমান্তরাল চলচ্চিত্রের প্রসার ও তার সামাজিক অবদানের কথা মাথায় রেখে তাঁর এই উদ্যোগ। অন্যান্য শিল্পমাধ্যমগুলোর তুলনায় সিনেমার একটা সর্বজনীন জনপ্রিয়তা আছে, যার ভাল এবং মন্দ – দু’টো দিকই রয়েছে। অর্থাৎ পৃথিবীর ইতিহাসে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের জন্য শাসক শ্রেণি যেমন সিনেমাকে ব্যবহার করেছে, তেমনই সচেতন শিল্পী-পরিচালক, সমাজকর্মীরা সিনেমার মাধ্যমে বৃহত্তর সমাজ তথা মানুষের কথা বলেছেন। বর্তমান সময়ে মানুষকে সচেতন ও শিক্ষিত নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশেই তাঁদের এই উদ্যোগ – কথায় কথায় এমনই জানালেন রোহিতাশ্ব।

[আরও পড়ুন: লাগামছাড়া উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং সম্পর্কের টানাপোড়নের গল্প উঠে এল ‘সুরমা’ নাটকে]

শনিবার দেখানো হচ্ছে পরিচালনা অরুণাভ খাসনবীশের বিসর্গ এবং ইলমাজ সইদের Hitler Up Side Down – এই দু’টি ছবি। দেখানো হয়েছে গায়ক সিদ্ধার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের (সিধু) পরিচালিত ছবি  – হাবাব। ১৬ তারিখ, রবিবার জার্মানি এবং ইজরায়েলের কয়েকটি ছবির প্রদর্শন। Women film maker নামে একটি বিভাগও রাখা হয়েছে এই উৎসবে। এই বিভাদে বাংলাদেশ ও ভারতের কয়েকজন মহিলা পরিচালকের ছবি দেখানো হচ্ছে। উদ্যোগটি নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। এর জন্য রোহিতাশ্ব মুখোপাধ্যায় এবং তাঁর সুহৃদদের সাধুবাদ প্রাপ্য।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.