BREAKING NEWS

২৬ শ্রাবণ  ১৪২৭  মঙ্গলবার ১১ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

করোনার কোপ কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালেও, জৌলুস কমিয়ে হচ্ছে চলচ্চিত্র উৎসব!

Published by: Sandipta Bhanja |    Posted: June 12, 2020 10:25 am|    Updated: June 12, 2020 10:25 am

An Images

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিশ্বজুড়ে এই অতিমারি পরিস্থিতিতে একাধিক খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ইতিমধ্যেই বাতিল হয়েছে। রাজ্যের সিনেপ্রেমীদের ভয় ছিল এই করোনা আতঙ্ক ও আমফনের বিপর্যয় সামলানোর মধ্যে আসন্ন ২৬তম কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসব হবে, কি হবে না! এই নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগও তৈরি হয়েছিল। তবে সিনেপ্রেমীদের জন্য আনন্দের খবর, এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব অনুষ্ঠিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু করোনার কালবেলায় স্বাভাবিকবশতই খরচের ব্যাপারটি মাথায় রাখতে হচ্ছে। কাটছাঁটও হবে বাজেট। 

কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল হলেও অনুষ্ঠানের জৌলুস সেরকমভাবে থাকছে না। এই করোনা পরিস্থিতির জন্য নমো নমো করেই সারার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান না করে খরচ কমানোর কথা ভাবা হচ্ছে। চারদিকে যখন অশান্ত পরিবেশ, নেই নেই রব। সুতরাং আন্তর্জাতিক উৎসব আয়োজক সংস্থা ‘ফিয়াপ’ এর নিবন্ধিকরন অক্ষুন্ন রাখতে গেলে উৎসব হওয়াটা জরুরি। সেজন্যই এমন সিদ্ধান্ত।

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবারই চলচ্চিত্র উৎসব কমিটির প্রথম একটি বৈঠক হয়েছে নন্দনে। উপস্থিত ছিলেন দুই বিভাগীয় মন্ত্রী শ্রী অরূপ বিশ্বাস ও ইন্দ্রনীল সেন এবং উৎসব পরিচালক রাজ চক্রবর্তী-সহ কোর কমিটির কিছু সদস্য। এই মুহূর্তের সামাজিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে সেই মিটিংয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, চলচ্চিত্র উৎসব সীমাবদ্ধ থাকবে শুধুমাত্র নন্দন চত্বর-সহ সরকারি সিনেমা হলগুলোয়।

[আরও পড়ুন: আমফান গেলেও দুঃসময় কাটেনি, নিঃশব্দেই বন্ধুদের নিয়ে বাসন্তীতে ত্রাণ বিলি অভিনেতা অনির্বাণের]

আপাতভাবে উৎসবের দিন ধার্য করা হয়েছে ৫ থেকে ১২ নভেম্বর। সম্ভবত, উৎসবের উদ্বোধনও ফিরে আসবে নন্দন চত্বরেই, এবার আর নেতাজি ইনডোরে নয়। উপরন্তু, ছবির সংখ্যা অনেকটাই কমানো হবে, উৎসবে দেশ-বিদেশের অতিথিদের আসার ব্যাপারটাও এখনও অনিশ্চিত। এমনকী, বাইরের দেশ থেকে বিচারকরা আসবেন কিনা, সেসব নিয়েও আলোচনা চলছে।

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে কেন এত কাটছাঁট? প্রশ্ন আসাটা স্বাভাবিক। তার প্রথম কারণ, উৎসব ঘিরে এমন কিছু করা হবে না, যাতে সাধারণ মানুষের কাছে এই পরিস্থিতিতে কোনও ভুল বার্তা যায়। এই মুহূর্তে খুব ছোট্ট আকারে উৎসবের প্রস্তুতির কাজ শুরু হবে। তবে পরবর্তীতে পরিস্থিতির বদল ঘটলে উৎসব বড় আকার নিতে পারে। কিংবা সেরকম হলে বাতিলও হতে পারে! সবটাই নির্ভর করছে করোনার উৎপাতের উপর। পরিস্থিতি কোন দিকে যায় তা দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

[আরও পড়ুন: স্ত্রীর শেষকৃত্যে গ্রামে যেতে পারছেন না পরিযায়ী স্বামী, খবর পেয়েই ব্যবস্থা করলেন সোনু সুদ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement