Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

ছাত্র আন্দোলনের পাশে নাট্যব্যক্তিত্বরা, ‘সৌভ্রাতৃত্বযাত্রা’য় সমর্থন সোহাগ-বিভাসদের

মিছিল থেকে উঠল সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী স্লোগান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২০, ১৫:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২০, ১৫:৩৭

options
link
ছাত্র আন্দোলনের পাশে নাট্যব্যক্তিত্বরা, ‘সৌভ্রাতৃত্বযাত্রা’য় সমর্থন সোহাগ-বিভাসদের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: NRC, CAA, NPR-এর বিরোধিতায় এবং ছাত্র আন্দোলনের সমর্থনে এবার পথে নামলেন কলকাতার নাট্যকর্মীরা। শুক্রবার মুক্তাঙ্গন থেকে তাঁরা পদযাত্রা শুরু করেন। ভবানীপুর হয়ে যাত্রা শেষ হবে অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসে। এই পদযাত্রায় শামিল হন বিভাস চক্রবর্তী, পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মেঘনাদ ভট্টাচার্য, সোহাগ সেন, অশোক মুখোপাধ্যায়, চন্দন সেন, দেবদূত ঘোষ, সুজন মুখোপাধ্যায়ের মতো থিয়েটার ব্যক্তিত্ব। শোনা যাচ্ছে মিছিলের শেষের দিকে যোগ দিতে পারেন অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। নাটক নিয়ে যারা পড়াশোনা করছেন, তাঁরাও আজ এই পদযাত্রায় শামিল হয়েছিলেন।

নাট্যকর্মীরা এই যাত্রার নাম দিয়েছেন ‘সৌভ্রাতৃত্বযাত্রা’। নামকরণ প্রসঙ্গে তাঁরা জানিয়েছেন, থিয়েটারকর্মীরা বরাবর সবাইকে এক বন্ধনে বাঁধতে চেয়েছে। বৈরিতা কখনও সমর্থন করেননি। তাই আজকের পদযাত্রার এমন নামকরণ। নাট্যকার বিভাস চক্রবর্তী জানিয়েছেন, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে দেশজুড়ে আন্দোলনে শামিল হয়েছেন ছাত্ররা। অথচ তাদের উপরই চলছে অত্যাচার। বলা হচ্ছে, দরকার পড়লে অত্যাচার নাকি আরও বাড়বে। এসব মোটেই মেনে নেওয়া যায় না। বাংলার থিয়েটারজগত বরাবরই প্রতিবাদে শামিল হয়েছে। সেই স্বাধীনতার আমল থেকে প্রতিবাদ জানানোর জন্যই থিয়েটারের উপর নেমে আসছে শাসকের খাঁড়া। এবারও না হয় তাই-ই হবে। কিন্তু প্রতিবাদ তাঁরা জানাবেনই।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: JNU-তে কৌশিক সেন, দেখা করলেন আক্রান্ত ছাত্রসংসদ সভানেত্রী ঐশীর সঙ্গে ]

একই সুর নাট্যকার মেঘনাদ ভট্টাচার্যের গলাতেও। তিনি বললেন, “আমরা থিয়াটার করি বন্ধনের জন্য। আজ দেশজুড়ে যা চলছে তার প্রতিবাদ করছি।” তিনি আরও বলেন, রাজনীতির মতো থিয়েটারের লোকেদের মধ্যে কোনও ভেদাভেদ নেই। তারা একটাই দল। নাম মানুষ। তাই আজ সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে যখন দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলছে, ছাত্ররা প্রতিবাদে আওয়াজ তুলেছে আর তাদের উপরই নমে আসছে প্রশাসনের লাঠি। তাই আজ, সেইসব পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলার নাট্যজগৎ। পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, থিয়েটারকর্মীরা যুগ যুগ ধরে অন্যায়ের প্রতিবাদে সোচ্চার হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। মানুষ জাগছে। হাঁটতে হাঁটতেই ‘মা ভৈ’ বার্তা দেন পরাণ।

বুধবারই বিদ্বজ্জনেদের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বলেছিলেন, “বিশিষ্টরা নির্বোধ, নেমকহারাম”। এদিনের মিছিল নিয়েও দিলীপ ঘোষ ঠুকেছেন নাট্যকর্মীদের। ‘হাওয়া মোরগ’ বলে তাঁদের একহাত নিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এদিন মিছিল থেকে তার জবাব দিলেন নাট্যকর্মীরা দেবদূত ঘোষ জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য, সুরক্ষার দিকে মানুষ যাতে নজর দিতে না পারে, তাই CAA-NRC’র কথা বলছে সরকার। এসব নজর ঘুরিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা। এরপরই বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে পালটা দেন তিনি। বলেন, “আমি কার নুন খেয়েছি? নেমকহারমের কথা আসছে কোথা থেকে? আজ অবধি কোনও সরকারের কাছ থেকে টাকা নিইনি। নির্বোধ কে, মানুষই তা বলবে।” নীল মুখোপাধ্যায় বলেন, দিলীপ ঘোষ বোধ হারিয়েছেন। তাই এমন কথা বলেছেন। ‘হাওয়া মোরগ’ শব্দটা তাঁদের ক্ষেত্রে একেবারেই খাটে না। নাট্যব্যক্তিত্ব শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় বলেছেন, শিক্ষার অভাবেই এমন কথা বলছেন দিলীপ ঘোষ। 

[ আরও পড়ুন: খোল-করতালের বদলে গিটার আর সিন্থেসাইজারে কীর্তনের সুরেই জনপ্রিয় জয়দেবের মেলা ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.