সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পৃথিবীটা কিন্তু এখন সত্যিই ছোট হতে হতে হাতের মুঠোয় বন্দি। আঙুলের এক ইশারাতেই পালটে যায় জগৎ। খুলে যায় বিশাল এক দুনিয়া। ভারচুয়াল এই দুনিয়াতেই মজেছে রক্তমাংসের মানুষগুলি। জমিয়ে হচ্ছে গ্রুপবাজি। ফেসবুক, টুইটারেই বয়ে যাচ্ছে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার ঝড়। এই ঝড়েই জন্ম ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের। হলিউড বহু আগে থেকেই এর সাক্ষী। বলিউডেও এসেছে ডিজিটাল প্রচারের জোয়ার। কিন্তু আঞ্চলিক সিনেমা, বিশেষ করে টলিউড এখনও বিশাল এই জগতের সুযোগ সেভাবে নিয়ে উঠতে পারেনি। শুরুটা অবশ্য হয়ে গেল উইন্ডোজ প্রোডাকশনের ‘হামি’র হাত ধরে। ক্ল্যারাস মিডিয়ার সৌজন্যে। কেবল মাত্র ফেসবুকের মতো সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে প্রচার করেই সগৌরবে চলছে শিবপ্রসাদ-নন্দিতা জুটির এই ছবি। প্রথম সপ্তাহে ছবির আয় ৭৭ লক্ষ টাকা। চলতি বছরের বাংলা ছবিগুলির প্রথম সপ্তাহের আয়ের নিরিখে সবথেকে বেশি। পুরোটাই সোশ্যাল মিডিয়ার জোরে।
[ক্যানসার নিয়েও মঞ্চ দাপাচ্ছেন সতীশ, অভিনেতার পাশে থাকার অাহ্বান নাট্যদুনিয়ার]
ডিজিটাল মার্কেটিং ছবির প্রচারে কীভাবে প্রভাব ফেলে? সম্প্রতি মুম্বইতে এ প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয়েছিল। করা হয়েছিল সমীক্ষা। ফল ছিল প্রত্যাশারও বেশি। জানা যায়, বর্তমান যুগের প্রচারের সবথেকে সক্রিয় মাধ্যম ফেসবুকের মতো পাওয়ারফুল সোশ্যাল মিডিয়াই। তবে টলিউডের বেশিরভাগ পরিচালক-প্রযোজকদের এখনও এ বিষয়ে তেমন আগ্রহ নেই। এখনও হোর্ডিং, ব্যানারের উপরই অনেকের ভরসা। উইন্ডোজ প্রোডাকশনের আবার বরাবরই ব্যতিক্রমী পথে হাঁটা অভ্যাস। তাই তো অতি বড় নাম ছাড়াই তৈরি হয়েছে ‘হামি’র মতো ছবি। যার মুখ্যচরিত্রে দুই শিশুশিল্পী।
পরিচালক জুটির নামের জোর অবশ্য রয়েছে। তবে বর্তমান যুগে প্রচারের কাজটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই ক্ল্যারাস মিডিয়ার উপর ভরসা রাখেন শিবপ্রসাদ-নন্দিতা ও অতনু রায়চৌধুরি। চ্যালেঞ্জটা বেশ বড় ছিল। জানালেন ক্ল্যারাস মিডিয়ার কিরাত সেন। তাঁর মতে, বাকিদের তুলনায় অনেকটাই ডিজিটালি অ্যাক্টিভ। তাই বোঝে ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মের গুরুত্ব। প্রযোজনা সংস্থার ভরসার মান রেখেছে ক্ল্যারাস মিডিয়া। ইউটিউবে ছাড়ার আগে ফেসবুকে ছাড়া হয়েছে ‘হামি’র পোস্টার, টিজার, ট্রেলার, গান, প্রোমো। ফল মিলেছে হাতেনাতে। বাংলাদেশের ভারচুয়াল বাসিন্দাদের প্রচারে যুক্ত করা হয়নি। তা সত্ত্বেও ফেসবুকে ভাইরাল তকমা পেয়েছে হামির ক্লিপিংস। ২.৬ মিলিয়ন ভিউ জেনারেট করেছে কেবল বাঙালি দর্শকদের কাছে। পরিসংখ্যানটা যথেষ্ট ইর্ষনীয়।
[বড়পর্দায় এবার সুপারহিরোর চরিত্রে দীপিকা!]
আর এ সবটাই হয়েছে উইন্ডোজ প্রোডাকশন ও ক্ল্যারাস মিডিয়ার যুগলবন্দিতে। জানা গিয়েছে, প্রথম সপ্তাহের আয়ের নিরিখে সুরিন্দর ফিল্মসের ‘ঘরে অ্যান্ড বাইরে’র আয় ১৫ লক্ষ টাকা। দেবের ‘কবীর’-এর আয় ২২ লক্ষ টাকা। আর সেখানে ‘হামি’ আয় করেছে ৭৭ লক্ষ টাকার। সবটাই ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের সৌজন্যে। সুযোগের সদ্ব্যবহার করেছে উইন্ডোজ। এবার স্টুডিও পাড়ার চোখ খোলার পালা বলেই মনে করছেন অনেকে।
[নভেম্বরেই বিয়ে করছেন রণবীর সিং ও দীপিকা পাড়ুকোন!]
সর্বশেষ খবর
-
আয়ারল্যান্ডের কাছে হারতেও প্রতিভা দরকার! লজ্জার চুনকামে গম্ভীরকে খোঁচা ‘লিলিপুট’ দেশের
-
সন্তানের বাবা কে? স্বামী ডিএনএ টেস্টের প্রস্তাব দিতেই তেলেঙ্গানায় আত্মঘাতী গর্ভবতী তরুণী
-
‘আইনের অপপ্রয়োগ হবে না’, সিএএ-ওয়াকফে হিন্দু নির্যাতনে ‘গুন্ডা’দের হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর
-
‘প্রথমবার ঈশ্বরের কৃপায়…’, মহাসমারোহে জগন্নাথের স্নানযাত্রা পালন করলেন ইমন
-
রাম মন্দিরের ‘চোরদের’ পক্ষে সওয়াল করলেই ৫ লক্ষ জরিমানা, বড় সিদ্ধান্ত অযোধ্যা বার অ্যাসোসিয়েশনের