Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

শাসক বিরোধিতার জের! কলেজ পরিচালন সমিতির শীর্ষপদ খোয়ালেন রুদ্রনীল

মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়াতেই সরানো হয়েছে অভিনেতাকে, দাবি কলেজ কর্তৃপক্ষের৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০১৯, ১০:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০১৯, ১০:১৬

options
link
শাসক বিরোধিতার জের! কলেজ পরিচালন সমিতির শীর্ষপদ খোয়ালেন রুদ্রনীল zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবারের একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে তিনি ছিলেন না, তারপর মুখ খোলেন শাসকদলের বিরুদ্ধে৷ মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠবৃত্তে থেকেও তৃণমূল নেতাদের কাজকর্ম নিয়ে সরব হন প্রকাশ্যে৷ সম্ভবত এবার সেই প্রতিবাদেরই মাশুল দিতে হল টলি অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষকে৷ হাওড়া নরসিংহ দত্ত কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল তাঁকে। বৃহস্পতিবার ওই পদ থেকে সরানো হল অভিনেতাকে। তাঁর জায়গায় নয়া পরিচালন সমিতির সভাপতি করা হলেন অধ্যাপক পৃথ্বীশ কুমার রায়কে৷ যিনি আবার তৃণমূলপন্থী শিক্ষক সংগঠন ওয়েবকুপার হাওড়া জেলার সভাপতি।

[ আরও পড়ুন: ‘হরে কৃষ্ণ হরে রাম… কি আর গাইতে পারব?’ সংশয়ে আশা ভোঁসলে ]

Advertisement

কিন্তু কেন এই হঠাৎ পরিবর্তন? কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি, ১১ জুন কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি পদে মেয়াদ শেষ করেছেন রুদ্রনীল ঘোষ৷ একমাস আগেই তাঁর চার বছরের মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে। ফলে আগের পরিচালন সমিতি ভেঙে দেওয়া হয়েছে৷ তৈরি হয়েছে নয়া কমিটি৷ যার মাথায় এবার আর বসানো হয়নি বর্তমানে শাসকদলের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ানো রুদ্রনীলকে৷ পরিবর্তে বিশ্বস্ত ও শাসকঘনিষ্ঠ পৃথ্বীশ কুমার রায়ের কাঁধে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কলেজ পরিচালনার৷ জানা গিয়েছে, ওই নরসিংহ দত্ত কলেজেরই প্রাক্তন ছাত্র রুদ্রনীল ঘোষ৷ সেখানেই বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন তিনি৷ ছিলেন সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআইয়ের দাপুটে নেতা৷ পরে হন সিপিএমের পার্টি মেম্বার৷

[ আরও পড়ুন: স্থিরতা নিয়ে মোদিকে চিঠি, কৌশিক সেনের পর খুনের হুমকি পেলেন অনুরাগ কাশ্যপ ]

প্রসঙ্গত, সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম পর্বের পর থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সখ্য তৈরি হয় ‘বামপন্থী’ রুদ্রনীল ঘোষের৷ মুখ্যমন্ত্রীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে কয়েক বছর আগে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি৷ রাজ্যের বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সংসদের সভাপতিও হন তিনি৷ ২০১৪ ও ২০১৬-র নির্বাচনে ছিলেন শাসকদলের স্টার ক্যাম্পেনারও৷ কিন্তু সম্প্রতি সুর কাটে৷ এবারের একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে অনুপস্থিত থেকে, শাসকদলের বিরুদ্ধে একাধিকবার বিস্ফোরন ঘটান এই টলি অভিনেতা৷ সাফ জানান, কাটমানির পালটা যে ব্ল্যাকমানির যে কথা বলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো, তা যথার্থ নয়৷ কাটমানির বিকল্প ব্ল্যাকমানি হতে পারে না৷ গেলে ভুলটাকে সমর্থন করা হত৷ অভিযোগের সুরে বলেন, ‘‘দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাছে যে খবরগুলো যায় তা ভুল অথবা অনেক সময় উনি কানে শুনে বিশ্বাস করেন৷ তিনি নিজেই কাটমানি শব্দটাকে নিয়ে আসেন৷ তারপর থেকেই সবাই টাকা ফেরত দিচ্ছে৷ ফলে সাধারণ মানুষ ভাবছে গোটা দলটা কাটমানিতে চলছে৷ কাটমানির বিকল্প ব্ল্যাকমানি হতে পারে না৷ এটা ভুল৷’’

[ আরও পড়ুন: ‘কসমিক সেক্স’ ছবিটা করা উচিত হয়নি, কেন এমন বললেন ঋ? ]

যদিও এই ঘটনার আগে থেকেই রুদ্রনীলের বিজেপি যোগ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল৷ তলে তলে তিনি গেরুয়া শিবিরে ভিড়ছেন বলে ইতিমধ্যে খবর ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে৷ যদিও এখনও পর্যন্ত তা নিয়ে জল্পনা বজায় রেখেছেন অভিনেতা৷ এমনকী তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও সেই আশঙ্কায় জল ঢেলেছেন৷ বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে সবপক্ষই৷ তবে রুদ্রনীলের এই পরিচালন সমিতির সভাপতির পদ খোয়ানোকে মোটেই হালকা ভাবে নিচ্ছে না ওয়াকিবহাল মহল৷ মনে করা হচ্ছে, এটা দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের শাস্তি৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.